ভারতে তৈরি হচ্ছে বিশ্বের সব থেকে বড় শিবলিঙ্গ, বসানো হবে পূর্ব চম্পারণ জেলার মোতিহারিতে। ৩৩ ফুট উচ্চতা, ২১০ টন ওজনের কালো গ্রানাইটে তৈরি হয়েছে এক বিশাল শিবলিঙ্গ, তাকে তামিলনাড়ু থেকে নিয়ে যাওয়া হয়েছে মোতিহারিতে, ১৭ জানুয়ারি তাকে প্রতিষ্ঠা করা হল। ওদিকে চীনের সবথেকে বড় হাইডেল পাওয়ার স্টেশন চালু হওয়ার মুখে, নাম ‘থ্রি গর্জেস ড্যাম’, এটা চীনের ইয়াংসি নদীর উপরে করা হয়েছে। এর মোট বিদ্যুৎ উৎপাদন ক্ষমতা ২২,৫০০ মেগাওয়াট, একটু তুলনা দিই? মহারাষ্ট্রের কয়না হাইডেল পাওয়ার প্রজেক্ট হল, ভারতের সবথেকে বড় হাইডেল পাওয়ার স্টেশন, তার উৎপাদন ক্ষমতা ১৯৬০ মেগাওয়াট। হ্যাঁ, ঠিক শুনেছেন ১৯৬০ মেগাওয়াট, চীনের থ্রি গর্জেস ড্যামের উৎপাদন ক্ষমতা ২২৫০০ মেগাওয়াট। এই মুহূর্তে বিশ্বের বৃহত্তম হাইড্রো-ইলেকট্রিক পাওয়ার স্টেশন। চীনের বড় বড় শহর, বেজিং, সাংহাই, চেংদু, গূয়াংজু এদের কথা ছেড়েই দিন, মেজ, সেজ বা ছোট শহরে গেলে দেখতে পাবেন একদিকে স্কাই স্ক্রাপার, বিশাল ফ্ল্যাই ওভার, ইঞ্জিনিয়ারিং মার্ভেল, ফ্যাক্টরি, অন্যদিকে ঝকঝকে শহর, পানীয় জল, বড় বড় বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা চলছে সেখানে, নিত্য নতুন বিষয় নিয়ে। গ্রামগুলোতে চাষের রকমারি ব্যবস্থা, এক একরে আমাদের সাধারণ আনাজের ১৩ গুণ ফলন, যন্ত্রপাতির ব্যবহার, নতুন নতুন টেকনোলজি, অ্যানিম্যাল ফার্মিং, ফিশ ফার্মিং। সর্বত্র ইঞ্জিনিয়ারিং, যন্ত্র, আর তার সাহায্যে এক বিরাট কর্মযজ্ঞ। যদি আপনি আজ চীন বেড়াতে যান, তাহলে দেখবেন, যারা গিয়েছেন, তাঁরা বলেন চোখ ধাঁধিয়ে দেবে। একটাই ফ্যাক্টরি থেকে বের হচ্ছে নানান ব্রান্ডেরর ল্যাপটপ। তারপরে তাতে কেবল লোগো লাগানো হবে, এইচপি, ডেল, ইত্যাদি ইত্যাদি। তৈরি হচ্ছে ওখানে। বিশ্বের বিলাসবহুল ব্রান্ডগুলোর সবকটা, জিন্স থেকে ব্যাগ থেকে পোশাক, ওখানে তৈরি হচ্ছে, কেবল স্ট্যাম্প মারা হচ্ছে পরে। একটু মফস্বলে প্রতিটা ঘরে ফ্যাক্টরি, চিপ বানাচ্ছে, খেলনা থেকে বিভিন্ন যন্ত্রপাতির। টিভি, মোবাইল, ক্যামেরা, তৈরি হচ্ছে, খোলসে ছাপ মারা হচ্ছে। বিমানবন্দর, রেল স্টেশন, রাজপথ, সেতু, আকাশচুম্বী ভবন আর বুলেট ট্রেন, সেসব নিয়ে যতটাই পড়ুন না কেন, ওখানে গেলে বাস্তবে সেগুলোর অভিজ্ঞতা একেবারে অভিভূত করার মতো—এই সবকিছুর সাথে জুড়ে আছে এক ওয়েল ডেভেলপড শহর পরিকল্পনা, ক্লাস ওয়ান কনস্ট্রাকশন প্ল্যানিং। তারা ৩০ দিনে ৮ কিলোমিটার ফ্লাইওভার তৈরি করছে। হ্যাঁ, অবাক লাগলেও সত্যি। চীন একটা সুশৃঙ্খল সমাজ, কিন্তু তার থেকেও বড় কথা হল এই কাজটা সম্ভব হচ্ছে, প্রকৌশলীদের, ইঞ্জিনিয়ারদের হাত ধরে। বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি সোভিয়েত ইউনিয়নের মতো, আজকের দিনে চীনের রাজনৈতিক নেতৃত্বে প্রকৌশলীদেরই টেকনোক্রাটদেরই প্রাধান্য। কতটা? প্রদেশ, বড় শহর এবং স্বশাসিত অঞ্চলের গভর্নর, মেয়র আর পার্টি সেক্রেটারিদের মধ্যে প্রায় ৮০ শতাংশই প্রযুক্তি-বিশেষজ্ঞ (টেকনোক্র্যাট)। ভাবা যায়? আর আমাদের? সারা দেশ ছেড়েই দিন, লোকসভাতে ৫৯৩ জনের মধ্যে ২৫ শতাংশ সদস্যের স্নাতকোত্তর ডিগ্রি আছে, ডক্টরেটের সংখ্যা ৪ শতাংশ আর সেই অর্থে টেকনোক্রাট মাত্র ৪ জন।
চীনে অবশ্য পরিস্থিতি সব সময় এমন ছিল না। চীনা কমিউনিস্ট পার্টির প্রথম সারির নেতারা স্বাধীনতা সংগ্রামের ফসল ছিলেন। এই টেকনোক্রাটেরা নেতৃত্বে আসেন দেং জিয়াওপিংয়ের নির্বাচিত তৃতীয় প্রজন্মের সময় থেকে। এই দলের নেতৃত্বে ছিলেন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার জিয়াং জেমিন, তাঁর সঙ্গে ছিলেন ঝু রংজি, হু জিনতাও, আর এখনকার প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং, যিনি কেমিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং আর আইন দুটো বিষয়েই পড়াশোনা করেছেন। ওয়াং গ্যাং-এর কথাই ধরুন, সেই কবে সাংস্কৃতিক বিপ্লবের সময়ে তিনি চীন ছেড়ে চলে গিয়েছিলেন, জার্মানিতে পিএইচডি করেন পরে অডি কোম্পানিতে যোগ দেন। অডিতে কাজ করাকালীন চীন সরকারের একজন মন্ত্রীর সাথে তার দেখা হয়, পরে সেই মন্ত্রী তাঁকে চীনে ফিরে আসার কথা বলেন। আজ নয় ১৩ বছর আগে ওয়াং চীনে ইলেকট্রিক গাড়ি (EV) তৈরির প্রথম দিককার প্রবক্তা ছিলেন আর চীনা সরকারের একমাত্র অ-কমিউনিস্ট সদস্য হিসেবে তিনি ইভি গবেষণায় জোর দিয়ে শুরু করেছিলেন। হ্যাঁ, এটাই চীনকে আজ এই ইভি ব্যবসায় দুনিয়ায় এক নম্বর জায়গাতে নিয়ে যেতে সাহায্য করেছে। একইভাবে, জু গুয়াংজিয়ান কলাম্বিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক হয়ে বেজিং বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিরে এসে বিরল-মৃত্তিকা (rare-earth materials) নিয়ে গবেষণা করার জন্য একটা ল্যাব তৈরি করেন—সেখানেও চীন এখন শীর্ষস্থানে। জু-কে চীনের বিরল-মৃত্তিকা শিল্পের জনক বলা হয়। সারা দেশ জুড়ে বিজ্ঞান প্রযুক্তির জয়গান। আর আমাদের? গোবর খেলে ক্যান্সার সারে কি না? গোমূত্রে ক্যান্সার সারে কি না – এ নিয়ে জ্ঞান দিচ্ছেন একজন বাবা রামদেব, একজন ফোর টয়েন্টি বললে কম বলা হয়, যিনি মুখে বলেন আয়ুর্বেদে সব রোগ সারে, আর নিজের অসুখ হলে এইমস ভর্তি হন। এখানে ফর্সা সন্তান হবার জন্য গ্রহ দেখে যৌন মিলনের দিন বলে দেওয়া হচ্ছে, সেটাও আবার কমপিউটারে হিসেব করে। ঠিক এই মূহুর্তে আমাদের দেশের নিজেদের তৈরি একটা ফিফথ জেনারেশনের কথা বাদই দিলাম, আধুনিক যন্ত্রপাতিতে ব্যবহারযোগ্য একটা মাইক্রো চিপ নেই, একটাও নয়। বলা হচ্ছে আমরা নাকি অ্যাপল-এর আইফোন তৈরি করছি, ইন ফ্যাক্ট এখানে ভারতের প্রত্যেকটা অ্যাপল ফ্যাক্টরিতে অ্যাসেমব্লিংয়ের কাজ চলছে, একে স্কু ড্রাইভার টেকনোলজি বলা হয়। দেশের সুরক্ষা ব্যবস্থায় আজ চতুর্দিকে সিসিটিভি ক্যামেরা লাগানো হচ্ছে, বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশের গণতন্ত্রের রক্ষার জন্য প্রত্যেক বুথে সিসিটিভি, অরুণাচলে চীন সীমান্তে চলে যান, সেনা ছাউনিতে সিসিটিভি। কলকাতার রাস্তায় সিসিটিভি। কোন কোম্পানির? সব হয় দাহুয়া নাহলে এইচকে ভিসন। কোথাকার কোম্পানি? চীনের। এই ক্যামেরাগুলোর সঙ্গে থাকা নেটওয়ার্ক ভিডিও রেকর্ডারও তাদের, সফটওয়ার তাদের। একবার ভাবুন, ওই সফটওয়ার আপডেট হয়, ইন্টারনেটের সঙ্গে জুড়ে থাকে, সেগুলো যদি বাগড হয়? তাতে যদি ওই কোম্পানিগুলো নজরদারি চালায়? তাহলে? তাহলে আমাদের সবচেয়ে সুরক্ষিত জায়গাগুলোর প্রত্যেক অ্যাঙ্গলের ছবি চীনে বসে দেখা যাচ্ছে? হ্যাঁ, টেকনিক্যালি দেখা যেতে পারে।
আরও পড়ুন: Fourth Pillar | মোদিজীর বিদায়ঘন্টা কি বেজে গেল?
দেশের এমনকি অ্যাফ্লুয়েন্ট অংশ, উচ্চ মধ্যবিত্ত বা বড়লোকেদের যাবতীয় গ্যাজেটস, দেশ জুড়ে সস্তার সমস্ত মোবাইল, দেশ জুড়ে টিভি, ফ্রিজ থেকে বাল্ব, ইলেক্ট্রিকাল ইকুইপমেন্ট সব চীনের। তারা আগামী কাল রফতানি বন্ধ করলে দেশ অন্ধকার হয়ে যাবে, আমরা বাল্ব ও তৈরি করছি না, করতে পারছি না। কেন? কারণ আমাদের দেশের ৭০-এর দশকের সমস্যা ছিল ‘গণতন্ত্র’, আশির দশকে ‘লাইসেন্স অর্থনীতি’, নব্বই-এর দশকে ‘কমন্ডল আর মন্ডল’, আপাতত সমস্যা হল ‘হিন্দু খতরে মে হ্যায়’। প্রধানমন্ত্রী এক চরম কুসংস্কারাচ্ছন্ন মিথ্যেবাদী মূর্খ। প্রতিটা পদক্ষেপে তা আজ আমাদের সামনে। রাফাল উড়বে, তার আগে নারকেল ফাটাচ্ছেন প্রতিরক্ষা মন্ত্রী, রেলের ব্রিজ হবে, ভূমিপূজন হচ্ছে, আর বলা হচ্ছে প্রেরণা নাও রাম সেতুর থেকে, রামের নামে জলে শিলা ভাসে, সেই বিশ্বাসকে জাগাও। দেশ রাজনৈতিক ভৌগলিক স্বাধীনতা পেয়েছে ১৯৪৭-এ, কিন্তু এক রাম মন্দির নির্মাণ হল দেশের দ্বিতীয় স্বাধীনতা, চীন রাতের বেলায় কৃত্রিম সূর্য তৈরি করছে, আমরা প্লেনে চড়ে রানওয়েতে প্লেন চলা শুরু করলে হনুমান মন্ত্র জপ করছি, ‘জয় হনুমান জ্ঞান গুণ সাগর, জয় কপিস, তিহু লোক উজাগর’। আমরা ক্লাস এইটে পড়ছি সূর্যগ্রহণের কারণ আর প্রাপ্তবয়সে এসে সূর্যগ্রহণের আগে খাবার খেয়ে নিচ্ছি, আমরা গোমুত্রে ক্যান্সার সারানোর কথায় বিশ্বাস করছি। মানে এক উলটো পথে যাত্রা। কারণ রাষ্ট্রপ্রধান তো বলেই দিয়েছেন, রাম তো এক ঐতিহাসিক চরিত্র, তাহলে পুষ্পক রথও ছিল, তাহলে বিশল্যকরণীও ছিল, তাহলে রাম সেতুর বিদ্যাও ছিল তাহলে ছিল ব্রহ্মাস্ত্র। মানে সবই ছিল, হারিয়ে গিয়েছে, কাজেই সব বিজ্ঞান সাধনা ইত্যাদি নয়, মাইক্রো চিপ ন্যানো টেকনোলজি বা হেভি মেটাল আর্থ নিয়ে মাথা না ঘামিয়ে আমাদের কেবল খুঁজে যেতে হবে, যা হারিয়ে গিয়েছে তাকে। একবার পেয়ে গেলেই ভারত আবার জগৎ সভায় শ্রেষ্ঠ আসন লবে।
আসলে মানুষের কল্পনা এক অত্যন্ত দামি আর প্রয়োজনীয় অস্ত্র। জুল ভার্ন কল্পনা করেছিলেন সাবমেরিনের, তাঁর উপন্যাসে ‘টোয়েন্টি থাউজ্যান্ড লিগস আন্ডার দ্য সি’। বহু বহু পরে কোনও বিজ্ঞানী সেখান থেকে প্রেরণা নিয়েই গবেষণা শুরু করেছিল, শেষমেশ তৈরি হয়েছিল সাবমেরিন, আর ক্রমশ তা আরও আরও আধুনিক হয়ে উঠেছে। কিন্তু যদি কেউ একজন ভাবত, সেই জুল ভার্নের সময়ে সাবমেরিন তো ছিলই, চলুন সেটাকে খুঁজে বার করে সেটার মতো আরও হাজারটা টপাটপ তৈরি করে ফেলব, তাহলে মানুষ এতদিন ধরে সমুদ্রের গভীরে কেবল ছোটাছুটি করত, সে এক ধরনের মূর্খতা। কাজেই এক কল্পনাকে ঘিরে নতুন গবেষণা সম্ভব, চীন তাদের পুরনো মেডিক্যাল সায়েন্স আকুপাংচারকে ক্রমশ আধুনিক করে তুলছে, লক্ষ কোটি টাকা রিসার্চে ব্যয় করছে, কিন্তু এখনও চীনের স্বীকৃত চিকিৎসা ব্যবস্থা ওই অ্যালোপ্যাথি। ইউ এস র্যাঙ্কিং বলছে পৃথিবীর ১০০টা সবথেকে বড় বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে ২৫টা আছে চীনে। ‘দ্য ইকোনমিস্ট’ ২০২৫ সালে লিখছে বিজ্ঞান গবেষণার ক্ষেত্রে ১০টার মধ্যে ৮টা আছে চীনে। আর ভারতে? একটাও নয়। ‘কিউএস ওয়ার্লড র্যাঙ্কিং’-এ ১০০টার মধ্যে ভারতের একটা বিশ্ববিদ্যালয় নেই। কিন্তু আমাদের রাষ্ট্রপ্রধান বিশ্বগুরু হওয়ার কথা বলছেন। হ্যাঁ, ভারতে পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে ১০টা বড় মন্দিরের ৮টাই আছে। আমাদের সংসদ ভবন বিশ্বের সবচেয়ে সুন্দর আর বড় পার্লিয়ামেন্ট হাউসগুলোর মধ্যে অন্যতম কিন্তু গণতান্ত্রিক অধিকার আর প্রাকটিসের দিক থেকে পৃথিবীর ১৭৯টা দেশের মধ্যে আমরা ১০০ নম্বরে আছি। আমাদের দেশে পৃথিবীর মধ্যে সবথেকে বেশি বিবাদ হয় খাবার নিয়ে। না, খাবার পাচ্ছে কি পাচ্ছে না – তা নিয়ে নয়, কোনটা খাবার কোনটা খাবার নয় – তা নিয়ে, নিরামিষ, আমিষ নিয়ে, মাছ মাংস নিয়ে। রামচরিতমানসে একবার নয় বেশ কয়েকবার রামের মাংস খাবার কথা স্পষ্টভাবে থাকলেও আপাতত দেশের মাথায় বসে থাকা আরএসএস-এর মাথা মোহন ভাগবৎ বলেন যে, আমিষ খাবার দেহে উত্তেজনা তৈরি করে, নিরামিষ খাবার প্রশান্তি আনে। আসলে কোনও জাতি জ্ঞান বিজ্ঞান চর্চা ছাড়া বড় হতে পারে না, যে মানুষ আগে আগুনের ব্যবহার শিখেছিল যে অন্যদের নেতৃত্ব দিতে পেরেছিল। হ্যাঁ, বিজ্ঞানের সাধনা, যা কিছু না জানা তাকে প্রশ্ন করে সত্যের কাছে পৌঁছনো মানুষকে এগিয়ে দিয়েছে, আর আজ আমরা ঠিক উলটো পথে চলেছি। সংসদ শুরু হচ্ছে ভস্ম মাখা অর্ধ উলঙ্গ সন্ন্যাসীদের ‘জয় শ্রী রাম’ হুঙ্কারে, তাও আবার অন্য আরেক ধর্মকে অন্য ধর্মের, মানুষকে ক্রমশ কোণঠাসা করে। যতদিন না মুক্তচিন্তা, মুক্ত জ্ঞান চর্চা, বিজ্ঞান চর্চাকে নিয়ে আমরা এগোতে পারছি, যতদিন একমাত্র যুক্তি আর বিজ্ঞানই আমাদের ধ্রুবতারা না হয়ে উঠছে, ততদিন এক অশিক্ষিত মূর্খ কূসংস্কারাচ্ছন্ন নেতার ‘চায় কে চর্চা’র মধ্যেই দেশ আটকে থাকবে, সমাজ আটকে থাকবে।
দেখুন আরও খবর:








