Wednesday, March 4, 2026
HomeScrollFourth Pillar | শেষমেষ নোবেল পুরস্কার বাগিয়ে নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, কিন্তু কেমন...
Fourth Pillar

Fourth Pillar | শেষমেষ নোবেল পুরস্কার বাগিয়ে নিলেন ডোনাল্ড ট্রাম্প, কিন্তু কেমন করে?

ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই তথাকথিত ‘শান্তি’ বারুদের ধোঁয়ায় মোড়া এবং তেলের গন্ধে ভরা

Written By
অনিকেত চট্টোপাধ্যায়

২০২৬ সালের ১৫ জানুয়ারি ওয়াশিংটনের হোয়াইট হাউসে যে ছবিটা আমরা দেখলাম, তা সমসাময়িক ভূ-রাজনীতির ইতিহাসে এক বিরল ঘটনা, এক গভীর মনস্তাত্ত্বিক এবং রাজনৈতিক সংকটের বহিঃপ্রকাশ। ভেনেজুয়েলার বিরোধী নেত্রী এবং ২০২৫ সালের নোবেল শান্তি পুরস্কার বিজয়ী মারিয়া কোরিনা মাচাদো মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সাথে দেখা করতে এলেন, এসে তাঁর নোবেল মেডেল্টা ট্রাম্পের হাতে তুলে দিলেন। এই হাতবদল কেবল তো উপহার নয়, এটা হল এক নেত্রীর রাজনৈতিক অস্তিত্ব রক্ষার করুণতম প্রচেষ্টা, যাকে তাঁর নিজের দেশের তথাকথিত ‘মুক্তির’ নায়ক ট্রাম্প যাচ্ছেতাই মন্তব্য করে নির্বাচনের বাজারে হাস্যকর করে তুলেছিলেন। কিন্তু  এখন সেই ডোনাল্ড ট্রাম্প সেই মেডেলটা হাতে নিয়ে বললেন যে, এখন থেকে এই সম্মান হোয়াইট হাউসেই থাকবে, কারণ মাচাদো তাঁর শান্তির কাজ দেখেই তাঁকে এটা উৎসর্গ করেছেন। হলিউড কমেডি এর কাছে তো শিশুপাঠ্য। তিনি তাঁর প্রথম মেয়াদ থেকেই বহুবার বলে আসছিলেন, ‘নোবেল শান্তি পুরস্কার আমার চাই’, এবারে পেলেন। তখন কয়েক ডজন সমর্থক হোয়াইট হাউসের গেটের সামনে দাঁড়িয়ে ‘থ্যাঙ্ক ইউ ট্রাম্প’ বলে চিৎকার করছিল। মাচাদো প্রায় আড়াই ঘণ্টা ট্রাম্পের সাথে রুদ্ধদ্বার বৈঠক করলেন, যা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের স্বভাব নয়, বরং জনসমক্ষে প্রচারের অভ্যাস তিনি করেন, কিন্তু এই বৈঠক বেশ গোপনেই রাখা হয়েছিল। বৈঠকের পর মাচাদো সাংবাদিকদের জানান যে, তিনি তাঁর নোবেল মেডেলটা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পকে ‘উপহার’ দিয়েছেন। তাঁর মতে, এই মেডেলটা ভেনেজুয়েলার জনগণের পক্ষ থেকে ট্রাম্পের সেই ‘ঐতিহাসিক’ পদক্ষেপের স্বীকৃতি, যার মাধ্যমে ভেনেজুয়েলার স্বৈরশাসক নিকোলাস মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করা হয়েছে। মাচাদো বললেন, ঠিক ২০০ বছর আগে জেনারেল লাফায়েট সিমোন বলিভারকে জর্জ ওয়াশিংটনের ছবি খোদাই করা একটা মেডেল উপহার দিয়েছিলেন, যা বলিভার সারাজীবন নিজের কাছে রেখেছিলেন। আজ ভেনেজুয়েলার জনগণ নাকি ওয়াশিংটনের উত্তরসূরি ট্রাম্পকে সেই একই ভ্রাতৃত্বের বন্ধনে নোবেল মেডেলটা উপহার দিচ্ছে। কিন্তু এই মহানুভবতার আড়ালে লুকিয়ে আছে এক রূঢ় বাস্তবতা। ট্রাম্প মাদুরোকে ক্ষমতাচ্যুত করার পর মাচাদোকে ভেনেজুয়েলার নেত্রী হিসেবে স্বীকৃতি দিতে চায়নি। বরং বলছিলেন যে মাচাদোর দেশের ভেতরে তেমন সম্মান বা সমর্থন নেই। তাই মাচাদোর এই মেডেল দেওয়াটা ছিল আসলে ট্রাম্পের সমর্থন জোগাড়ের এক মরিয়া চেষ্টা। নরওয়েজিয়ান নোবেল কমিটির নিয়ম বলছে, নোবেল পুরস্কার কোনওভাবেই হস্তান্তরযোগ্য নয় এবং এর মর্যাদা কেবল বিজয়ীরই থাকে। তাতে কী? ‘মেগালোম্যানিয়াক’ ট্রাম্প এখন নোবেল মেডেল বুকে লাগিয়েই ঘুরবেন।

২০২৬ সালের ৩ জানুয়ারি ভোর রাতের সামরিক অভিযান ‘অপারেশন অ্যাবসলিউট রিজলভ’। মার্কিন স্পেশাল ফোর্সেস ভেনেজুয়েলার রাজধানী কারাকাসে আক্রমণ চালিয়ে দেশটার নির্বাচিত প্রেসিডেন্ট নিকোলাস মাদুরো এবং তাঁর স্ত্রী সিলিয়া ফ্লোরেসকে বন্দি করল। কোনও সার্বভৌম দেশের প্রধানকে এভাবে তাঁর নিজের দেশ থেকে তুলে এনে বিদেশের মাটিতে বিচারের সম্মুখীন করার ঘটনা আধুনিক ইতিহাসে নজিরবিহীন। ট্রাম্প একে আমেরিকার শক্তি শোকেস করে তুললেন, ‘দেখেছো আমাদের কত ক্ষমতা!’ এটা ছিল ডোনাল্ড ট্রাম্পের সেই বিশেষ বিদেশনীতির প্রতিফলন, যেখানে তিনি নিজেকে ‘বিশ্বের অধিপতি’ হিসেবে কল্পনা করেন। অভিযানের কয়েকঘণ্টার মধ্যেই ট্রাম্প ঘোষণা করেন যে, আমেরিকাই মানে তিনিই এখন ভেনেজুয়েলা ‘পরিচালনা’ করবেন। একটা সঠিক, মানুষের পছন্দের সরকার না আসা পর্যন্ত ওয়াশিংটনই কারাকাসের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। এটা একটা দেশের সার্বভৌমত্বের উপর আঘাত, কিন্তু ট্রাম্পের কাছে আন্তর্জাতিক আইনের চেয়ে ‘আমেরিকার স্বার্থ’ অনেক বড়। তিনি সরাসরি জানালেন যে, তিনি ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ নিয়ন্ত্রণে নিতে চান এবং মার্কিন তেল কোম্পানিগুলো সেখানে গিয়ে বিলিয়ন ডলার আয় করবে। এই ধরণের সাম্রাজ্যবাদী মনোভাব দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর আর কোনও পশ্চিমা নেতার মধ্যে দেখা যায়নি, যা ট্রাম্পকে এক বিংশ শতাব্দীর নতুন দিগ্বিজয়ী বীর হিসেবে তুলে ধরছে। ট্রাম্পের ‘ডনরো ডকট্রিন’ কেবল রক্ষণাত্মক নয়, এটা আক্রমণাত্মক। এর মূল কথা হল, পশ্চিম গোলার্ধে আমেরিকার একচ্ছত্র আধিপত্য থাকবে এবং এখানে চীন, রাশিয়া বা ইরানের কোনও স্থান নেই। ট্রাম্প ঘোষণা করেছেন যে, ভেনেজুয়েলা কেবল শুরু, এবং এই অঞ্চলের অন্য দেশগুলোকেও আমেরিকার নির্দেশ মেনে চলতে হবে। ট্রাম্পের এই ডকট্রিনের ঘোষণায় কলম্বিয়া এবং কিউবাও হুমকির মুখে পড়ে। ট্রাম্প কলম্বিয়ার প্রেসিডেন্ট গুস্তাভো পেট্রোকে ‘অসুস্থ লোক’ বলে গালি দেন এবং কিউবাকে এক ‘ব্যর্থ রাষ্ট্র’ হিসেবে বর্ণনা করে সেখানেও সামরিক হস্তক্ষেপের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি। ট্রাম্প প্রশাসন মনে করে যে, তারা বিশ্বের যে কোনও প্রান্তে তাদের স্বার্থে আঘাত লাগলে সরাসরি শক্তি প্রয়োগ করার অধিকার রাখে। এই প্রবণতাকে ‘পুতিনাইজেশন অফ ইউএস ফরেন পলিসি’ বলাই যায়, যেখানে আন্তর্জাতিক আইনের গুরুত্ব তুচ্ছ হয়ে যায় কেবল সামরিক শক্তির কাছে। ডনরো ডকট্রিনের মাধ্যমে ট্রাম্প আসলে নিজেকে লাতিন আমেরিকার এক অলিখিত সম্রাট হিসেবে প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন, যেখানে সার্বভৌমত্ব একটা বাড়তি ফালতু শব্দ মাত্র।

আরও পড়ুন: Fourth Pillar | আমেরিকা ইরান আক্রমণ করলে, ভারত আরও একলা হবে, বিচ্ছিন্ন হবে

২০২৬ সালের জানুয়ারিতে ভেনেজুয়েলা অভিযান শেষ করেই ট্রাম্প আবার গ্রিনল্যান্ড কেনার বা দখলের বিষয়টাকে সামনে নিয়ে আসেন। তাঁর দাবি আর্কটিক অঞ্চলে আমেরিকার আধিপত্য বজায় রাখার জন্য গ্রিনল্যান্ড ‘অত্যন্ত জরুরি’ এবং ডেনমার্কের কাছ থেকে এটা না পাওয়া গেলে তা আমেরিকার জাতীয় নিরাপত্তার জন্য হুমকি হবে। হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট স্পষ্ট করে জানিয়েছেন যে, গ্রিনল্যান্ড অধিগ্রহণের জন্য সামরিক পথ বেছে নেওয়া একটা বিকল্প, যা খুব স্বাভাবিক। ট্রাম্প সাহেব মনে করেন যে, গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদ—যেমন রেয়ার আর্থ মেটাল, কোবাল্ট এবং লিথিয়াম—আমেরিকার ভবিষ্যতের অর্থনীতির চাবিকাঠি। ট্রাম্পের এই আচরণের আর  হিটলারের ‘লেবেনসরাউম’, নিজের জাতির জন্য জায়গা বাড়ানোর নীতির কোনও ফারাক নেই। হিটলার তাঁর প্রতিবেশী দেশগুলোর খনিজ সম্পদ এবং জমি দখল করতে চেয়েছিলেন, করেওছিলেন। ট্রাম্পও তেমনই গ্রিনল্যান্ডকে একটা ‘রিয়েল এস্টেট’ হিসেবে দেখছেন। একবিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়ে একজন গণতান্ত্রিক দেশের রাষ্ট্রপ্রধান যখন অন্য একটা স্বাধীন দেশের ভূখণ্ড দখলের হুমকি দেন, তখন তা কেবল মেগালোম্যানিয়া নয়, বিশ্বে এক নতুন যুদ্ধের উন্মাদনা।

ট্রাম্পের আধিপত্যবাদের হাত থেকে রেহাই পায়নি মধ্যপ্রাচ্যের ইরানও। তিনি ঘোষণা করেছেন যে, ইরানের গণতন্ত্র উনিই ফিরিয়েই আনবেন, আর তার জন্য যদি তেহরানের উপর বোমাবর্ষণ করতে হয়, তাতেও তিনি পিছিয়ে থাকবেন না। এর আগেই মার্কিন বাহিনী ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোতে আক্রমণ চালিয়েছিল, যা ট্রাম্পের ভাষায় ছিল ‘ইরানি জনগণের মুক্তির জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ’। ইরান সরকারকে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, তারা যদি আমেরিকার শর্তে নতুন কোনও চুক্তিতে না আসে, তবে ‘খুব খারাপ কিছু’ ঘটবে। নাগরিকদের জানিয়ে দিয়েছেন, ‘শহর ছেড়ে দিন’। মহল্লার দাদাগিরি দেখাচ্ছেন একজন রাষ্ট্রপ্রধান। ট্রাম্পের এই ‘গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনা’ আসলে দেশটার উপর মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করার এক ছদ্মবেশ মাত্র। তিনি মনে করেন যে, ভেনেজুয়েলার মতো ইরানেও ঝটিকা অভিযান চালিয়ে শাসন পরিবর্তন করা সম্ভব, আর তা হলে চীনকে ভেনেজুয়েলা বা ইরানের তেল ভান্ডারের থেকে দূরে রাখা যাবে, কিন্তু ভাবছেনই না যে এই হুমকি এক ভয়াবহ আঞ্চলিক যুদ্ধের পথও খুলে দেবে। এই ধরণের আগ্রাসী মনোভাব হিটলারের সেই নীতির কথা মনে করিয়ে দেয় যেখানে কোনও দেশের সাথে আলোচনা মানেই ছিল সেই দেশকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা। আলোচনা মানেই হয় ‘সারেন্ডার করো, নাহলে আমি দখল নেব’।

আসলে ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই সমস্ত কাজ কর্মের গোরায় রয়েছে তাঁর এক চরম মেগালোম্যানিয়াক আর নার্সিসিস্টিক সাইকোলজি। ট্রাম্প নিজেকে সব আইনের উপরে আর বিশ্বের সব শক্তির মাথায় বসে থাকা এক মানুষ বলেই মনে করেন। তাঁর সিগনেচার বা স্বাক্ষর অ্যানালিসিস করে গ্রাফোলজিস্টরা জানাচ্ছেন, তাঁর প্রবল অহংকার, অন্যের উপর কর্তৃত্ব ফলানোর প্রবল বাসনার ছবি তুলে ধরছে তাঁর হাতের লেখা, স্বাক্ষর। ট্রাম্পের নিজের ভাষায়, তিনি এখন কেবল আমেরিকা নয়, ‘পুরো বিশ্ব পরিচালনা করছেন’ এবং সেটা তিনি বেশ উপভোগও করছেন। মাচাদোর কাছ থেকে নোবেল মেডেল গ্রহণ করা ছিল তাঁর সেই শ্রেষ্ঠত্ববোধের এক চূড়ান্ত পরিতৃপ্তি। ট্রাম্পের কাছে নোবেল মেডেলটা কেবল এক সম্মান নয়, এটা এক ধরণের বৈধতা, যাতে তিনি প্রমাণ করতে পারেন যে, তাঁর নেওয়া সব হিংস্র পদক্ষেপ আসলে ‘শান্তির’ জন্য ছিল। হিটলার যেমন ১৯৩০-এর দশকে জার্মানির সম্মান এবং শ্রেষ্ঠত্ব পুনরুদ্ধারের নামে প্রতিবেশী দেশগুলো দখল করা শুরু করেছিলেন, ট্রাম্পও তেমনি ‘আমেরিকা ফার্স্ট’ নীতির আড়ালে গ্রিনল্যান্ড, ভেনেজুয়েলা এবং প্যানামার মতো অঞ্চলগুলোতে মার্কিন নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা করতে চাইছেন। হিটলারের ‘গ্লাইখশালটুং’ বা সব প্রতিষ্ঠানকে নিজের নিয়ন্ত্রণে আনার প্রক্রিয়ার সাথে ট্রাম্পের মার্কিন আমলাতন্ত্র আর বিচার বিভাগকে নিজের আজ্ঞাবহ করার চেষ্টার অদ্ভুত মিল রয়েছে। ট্রাম্পের ব্যবহার করা ভাষা—যেমন বিরোধী বা সমালোচকরা ‘কীটপতঙ্গ’—সরাসরি নাজি জার্মানির সেই ডিহিউম্যানাইজেশন বা অমানবিকীকরণের কথা মনে করিয়ে দেয়। হ্যাঁ, হিটলারও এরকম ভাষার ব্যবহার করতেন। হিটলারের মতো ট্রাম্পও মনে করেন যে, একটা শক্তিশালী জাতির অধিকার রয়েছে তার প্রয়োজনীয় সম্পদ আহরণ করার জন্য অন্য দেশের ওপর প্রভাব বিস্তার করার। ভেনেজুয়েলার তেল সম্পদ দখল এবং গ্রিনল্যান্ডের খনিজ সম্পদের দখল নেওয়া ট্রাম্পকে এক আধুনিক পররাজ্যলোভী শাসকে পরিণত করেছে। ট্রাম্পের ডনরো ডকট্রিন আসলে হিটলারের সেই ‘ইউরোপীয় নিউ অর্ডার’-এর আমেরিকান সংস্করণ মাত্র। ফারাকটা হল, এ যুগের হিটলার ডোনাল্ড ট্রাম্পের বুকপকেটে রাখা আছে নোবেল শান্তি পুরস্কার। ডোনাল্ড ট্রাম্পের এই তথাকথিত ‘শান্তি’ বারুদের ধোঁয়ায় মোড়া এবং তেলের গন্ধে ভরা। তাঁর প্রতিটা পদক্ষেপ—তা ভেনেজুয়েলায় সামরিক হস্তক্ষেপ হোক বা গ্রিনল্যান্ড দখলের হুমকি—সবই নির্দেশ করে এক চরম আধিপত্যবাদী লোভকে। হিটলারের পরবর্তী যুগে ট্রাম্পের মতো এমন পররাজ্যলোভী, সার্বভৌমত্ববিরোধী রাষ্ট্রনায়কের আবির্ভাব বিশ্বশান্তির জন্য এক অশনি সংকেত। ২০২৬ সালের এই ঘটনাগুলো আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, ক্ষমতা যখন অন্ধ অহংকারের সাথে যুক্ত হয়, তখন তা ধ্বংসই বয়ে আনে। ট্রাম্প হয়তো তাঁর নোবেল মেডেলটা হোয়াইট হাউসে সাজিয়ে রাখবেন, বা বুক পকেটে রাখবেন, কিন্তু ইতিহাসের পাতায় তিনি এক আগ্রাসী, উন্মাদ শাসক হিসেবেই চিহ্নিত থাকবেন, যিনি শান্তির নামে বিশ্বকে অশান্তির এক অতল গহ্বরে নিক্ষেপ করতে দ্বিধা করেননি।

দেখুন আরও খবর:

Read More

Latest News

toto DEPOBOS evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 DEPOBOS idn poker 88 situs slot gacor https://www.demeral.com/it/demeral_software/ BWO99 slot 5000 poker situs slot gacor joker toto slot maxwin slot maxwin situs bola BANDAR80