ওয়েবডেস্ক- গোটা দেশে নিষিদ্ধ হল এই ওষুধ (Medicine)। নাম নিমেসুলাইড (Nimesulide)। যা পেনকিলার ও জ্বরের (Fever) ওষুধ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল। এই ওষুধের উৎপাদন, বিক্রি, বিতরণ সম্পূর্ণ বন্ধ হল এবার। নিমেসুলাইড ফর্মুলেশনে তৈরি ১০০ মিলিগ্রামের বেশি ডোজের যত ট্যাবলেট, সিরাপ সব কিছু নিষিদ্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। ইউপিএ শাসনামলেও ভারতের শিশুদের জন্য এই ওষুধ নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। এবার বর্ষীয়ানদের জন্যও নিষিদ্ধ করা হল। কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ করার কথা ঘোষণা করা হয়েছে।
জনস্বার্থে বিবেচনা করেই এই ঘোষণা করেছে কেন্দ্র। ১০০ মিলিগ্রামের বেশি নিমেসুলাইড ডোজ মানুষের স্বাস্থ্যের পক্ষে ঝুঁকিপূর্ণ বলে জানানো হয়েছে।
Indian Council of Medical Research (ICMR) জানিয়েছে, নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র। নিমেসুলাইডের বিকল্প, অন্য নিরাপদ ওষুধ বাজারে পাওয়া যাচ্ছে, তারও বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে। ড্রাগস অ্যান্ড কসমেটিক্স অ্যাক্ট ১৯৪০-এর আওতায়, সংশ্লিষ্ট মহলের সঙ্গে আলোচনা হয়, তার পরেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে কেন্দ্র।
আরও পড়ুন- ধূমপায়ীদের জন্য দুঃসংবাদ! নতুন বছরে বাড়ছে সিগারেট, বিড়ির দাম
২৯ ডিসেম্বর কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রকের তরফে একটি নির্দেশ জারি করা হয়েছে। কেন্দ্র ইতিমধ্যেই নিমেসুলাইডের পশুচিকিৎসা সংক্রান্ত সমস্ত ব্যবহার নিষিদ্ধ করেছে।
চলতি বছরের জানুয়ারি মাসেই গবাদি পশুর চিকিৎসায় নিমেসুলাইড নিষিদ্ধ করা হয়েছিল। বিশেষ করে দেশে শকুনের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য ভাবে কমে যাওয়ার পর।
১৯৮৫ সালে ইটালিতে আত্মপ্রকাশ ঘটে নিমেসুলাইড-এর। পরে সেটি ভারতে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। তবে প্রথম থেকেই ওষুধের ব্যবহার উদ্বেগ বাড়িয়েছে।
ব্রিটেন, আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া, নিউজিল্যান্ড, জাপানের মতো দেশের চিকিৎসকের পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার উপর লক্ষ্য রাখছিল। এই ওষুধ সেবনের পরেই, বুকে ব্যথা, বমি, ঝিমোনো ভাব, পেটখারাপের মতো নানান সমস্যা দেখা দেয়। ২০১১ সালে নিষিদ্ধ হয়। বর্ষীয়ানদের জন্যও এবার নিষিদ্ধ করা হল এই ওষুধ।







