ওয়েব ডেস্ক : আবাস যোজনার (Awas Yojana) ঘর না পাওয়ার অভিযোগে বিক্ষোভ গ্রামবাসীদের (Villagers)। পঞ্চায়েত অফিসের সদর দরজায় তালা ঝুলিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন তারা। তারপর পঞ্চায়েত অফিসের সামনেই বসে দীর্ঘক্ষণ বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন। এই বিক্ষোভ ঘিরে ধুন্ধুমার পরিস্থিতির তৈরি হয় পঞ্চায়েত অফিস চত্বরে। এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনাটি ঘটেছে বীরভূমের (Birbhum) ময়ূরেশ্বর এক নম্বর ব্লকের কানাচি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।
গ্রামবাসীর অভিযোগ, যারা আবাস যোজনার বাড়ির প্রাপ্য তারা বাড়ি পাচ্ছে না। অথচ যাদের ইটের তৈরি পাকা বাড়ি রয়েছে অর্থাৎ যারা বড়লোক তারা বাড়ি পাচ্ছে। লিষ্টে নাম থাকা সত্ত্বেও নাম বাদ দিয়ে দিচ্ছে স্থানীয় নেতা। তার বিনিময়ে যাদের পাকা বাড়ি রয়েছে তাদের কাছে থেকে পাঁচ হাজার টাকার বিনিময়ে বাড়ি দেওয়া হচ্ছে বলে এমনই অভিযোগ করেন গ্রামবাসীরা। এমনকি ওই নেতার ঘনিষ্ঠদেরও আবাস যোজনার বাড়ির তালিকায় নাম ঢোকানো হয়েছে বলে অভিযোগ করেন গ্রামবাসীরা (Villagers)।
আরও খবর : গত ৫ বছর দেখা মেলেনি এলাকায়! আসানসোলে অগ্নিমিত্রা পলকে ‘গো ব্যাক’ স্লোগান
যদিও কাঁনাচি গ্রাম পঞ্চায়েতের ৭২ নম্বর বুথের তৃণমূল (TMC) বুথ সভাপতি আনিকুল ইসলাম সম্পূর্ণ বিষয়টি মিথ্যা বলে দাবি করেন। তিনি বলেন, “প্রমাণ করে দেখাক, আমি কাউকে টাকার বিনিময়ে বাড়ি পাইয়ে দিয়েছি। প্রমাণ করতে পারলে আমি দল ছেড়ে দেব।” এছাড়া কানাচি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধানের স্বামী রঞ্জিত কুমার মন্ডল বলেন, আবাস যোজনার ঘরের জন্য সব কিছু ব্লক থেকে হয়। ব্লক থেকে লোক এসে তদন্ত করে। পঞ্চায়েতের কোনও ব্যাপার নেই। আমরাও চাই গরীব মানুষরা বাড়ি পাক।
পঞ্চায়েত অফিসে প্রায় ঘন্টাখানেক তালা বন্ধ রাখার পর খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে আসে মল্লারপুর থানার পুলিশ (Police)। এর পরেই এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। তারপর পঞ্চায়েত অফিসের তালা খুলে দেয় পুলিশ। সঙ্গে গ্রামবাসীদের সঙ্গে কথা বলে ব্লক অফিসে গিয়ে আলোচনা করার আশ্বাস দেওয়া হয়।
দেখুন অন্য খবর :







