ওয়েবডেস্ক- পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা ভোট (Assembly Election 2026) কবে? এটাই এখন বড় প্রশ্ন। রাজ্যে ইতিমধ্যেই রাজ্যে এসেছেন নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) গোটা টিম। হালহকিকৎ খতিয়ে দেখলেন তারা।
আজ সাংবাদিক বৈঠক করলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার (Chief Election Commissioner Gyanesh Kumar) । মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, ভারতের সংবিধানকে শ্রদ্ধা। বৈঠকের শুরুতেই বাংলায় তিনি বললেন, পশ্চিমবঙ্গের সকল মানুষকে শুভেচ্ছা। বাংলার সৃষ্টি, ঐতিহ্য, কৃষ্টির উল্লেখ করে তিনি বুঝিয়ে দেন বাংলার প্রতি তাঁর শ্রদ্ধা কথা। বৈঠকের শুরুতেই তিনি বলেন, আমাদের জাতীয় সঙ্গীত জন-গণ-মন’ রচয়িতা রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, জাতীয় গীতের রচয়িতা বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়। সঙ্গীত ও জাতীয় গীতকে শ্রদ্ধা।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার বলেন, বাংলার ঐতিহ্যকে শ্রদ্ধা, বাংলার ঐতিহ্য গোটা বিশ্বেই সমাদৃত। নির্বাচন পর্ব, পশ্চিমবঙ্গের গর্ব। সুষ্ঠুভাবে ভোট করার অঙ্গীকারের কথা তুলে ধরেন তিনি।
জ্ঞানেশ কুমার বলেন, পশ্চিমবাংলায় ৮০ হাজারের বেশি পোলিং স্টেশন, ১০০ শতাংশ ওয়েবকাস্টিং হবে। পোলিং স্টেশন গ্রাউন্ড ফ্লোরে থাকবে হুইল চেয়ার থাকবে। সব পোলিং স্টেশন গ্রাউন্ড ফ্লোরে হবে। সাহায্যের জন্য ভলান্টিয়াররা থাকবেন। প্রতিটি বুথে ১২০০ ভোটারের সংখ্যা।
রাজ্যের ভোটের হার অনেক বেশি। অবাধ শান্তিপূর্ণ নির্বাচন গণতন্ত্রের ভিত্তি। পশ্চিমবঙ্গের নির্বাচনের প্রস্তুতি উপর সমীক্ষা করা হয়েছে। ১২টি রাজ্যে ৬০ কোটি ভোটারের প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ। ৬ কোটি ৫৩ লক্ষ ভোটারের নাম চূড়ান্ত হয়ে গিয়েছে।
আরও পড়ুন- ফের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে কালো পতাকা, উঠল ‘গো ব্যাক’ স্লোগান!
জ্ঞানেশ কুমার জানান, কত দফায় ভোট ফিরে গিয়ে সিদ্ধান্ত হবে । রাজ্যের আইনশৃঙ্খলার পরিস্থিতি খতিয়ে দেখে ঠিক হবে কত দফায় ভোট। নির্বাচন সংক্রান্ত ভুয়ো খবর ছড়ালে কড়া শাস্তি। নির্বাচনের সঙ্গে জড়িত আধিকারিদের নিরপেক্ষ থাকার নির্দেশ। বুথের মোবাইল নিয়ে ঢুকতে পারবেন না ভোটাররা। ভোটের ফল ঘোষণার পর প্রার্থী চাইলে পুনরায় ঘোষণা। সাতদিনের মধ্যে পুনরায় যাচাই করা যাবে। ভয়মুক্ত নির্বাচন করতে প্রশাসনকে কড়া নির্দেশ।
এদিন তিনি স্পষ্ট করে দেন রাজনৈতিক নেতাদের কোনও কথার জবাব নির্বাচন কমিশন দেবে না। গণতন্ত্রের অধিকারে যে কেউ মন্তব্য করতেই পারেন। এসআইআর প্রক্রিয়ার কেউ গাফিলতি করলে তার বিরুদ্ধে কড়া ব্যবস্থা।
উল্লেখ্য, গত রবিবার বাংলায় আসে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার-সহ নির্বাচন কমিশনের ফুলবেঞ্চ। সোমবার থেকে দফায় দফায় বৈঠক করেন আধিকারিকেরা। প্রথম দফায় রাজ্যের ২৩ জেলার জেলাশাসক, পুলিশ জেলার সুপার ও রাজ্যে ও কেন্দ্রের ২৪টি সংস্থার আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন। শাসক- বিরোধী সহ রাজ্যের রাজনৈতিক দলগুলির সঙ্গে বৈঠকও হয়েছে। এর পর আজ মঙ্গলবার সাংবাদিকদের সঙ্গে মুখোমুখি হন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার।







