ওয়েব ডেস্ক: যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াশোনা হচ্ছে না। রাজ্যের সবচেয়ে বড় শিক্ষাকেন্দ্র বাঁচাতে পারে না, মর্যাদা রক্ষা করতে পারছে না রাজ্য সরকার। শুক্রবার বারুইপুরে রাজনৈতিক সভা থেকে এমনই মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।প্রচার মঞ্চ থেকেই যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ( Jadavpur University) ‘অরাজকতা’ নিয়ে সরব মোদি। সঙ্গে সঙ্গে এর বিরোধিতা করে জবাব দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মমতার জবাব, “ছাত্ররা প্রতিবাদে সরব হওয়া মানে অরাজকতা নয়। যাদবপুরে ছাত্ররা মেধার ভিত্তিতে ডিগ্রি নিয়ে নিজের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে। এটা অরাজকতা নয়। মোদির শিষ্টাচার নিয়ে প্রশ্ন তুললেন মমতা।
মোদি বলেন, “যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের দেওয়ালে দেশবিরোধী স্লোগান লেখা হচ্ছে৷ পড়াশোনার বদলে ছাত্রদের রাস্তায় আন্দোলন করতে বাধ্য করা হচ্ছে ৷ এখানে অরাজকতার বদলে পড়াশোনার পরিবেশ তৈরি করতে চাই৷ তৃণমূল সরকারকে বিঁধে তীব্র সমালোচনা করেন মোদি। তিনি বলেন, “যে সরকার নিজের রাজ্যের সবচেয়ে বড় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে রক্ষা করতে পারে না, তারা বাংলার তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে কী করে রক্ষা করবে?”হাওড়ার সভা থেকে মোদির যাদবপুর প্রসঙ্গ টেনে পালটা জবাব দেন মমতা বন্দ্যাপাধ্যায়। তৃণমূল নেত্রীর আক্রমণ শানিয়ে বলেন, ” যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় আমাদের গর্ব। আমাদের যুবক-যুবতীরা আমাদের গর্ব। যাদবপুর দেশের এক নম্বরে। বলছে ওখানে নাকি নৈরাজ্য চলছে। আমি মনে করি ছাত্র-যুবদের প্রতিবাদ করা উচিত।”মোদিকে মমতার জবাব, “ছাত্ররা প্রতিবাদে সরব হওয়া মানে অরাজকতা নয়। যাদবপুরে ছাত্ররা মেধার ভিত্তিতে ডিগ্রি নিয়ে নিজের কর্মক্ষেত্রে প্রবেশ করে। এটা অরাজকতা নয়। এভাবে আপনি বাংলাকে অপমান করতে পারেন না।
আরও পড়ুন: ‘যমুনায় ডুব দিয়ে আসুন,’ মোদিকে চ্যালেঞ্জ মমতার
মমতা জানান, যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়কে মোদি সরকারই এনআইআরএফ র্যাঙ্কিংয়ে উঁচু জায়গায় রাখে। আর প্রধানমন্ত্রী সেই প্রতিষ্ঠানের শ্রেষ্ঠত্বকে খাটো করে অপমান করেছেন। মমতা লেখেন, ‘‘আপনি কি এত নীচে নেমে গিয়েছেন? যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পড়ুয়ারা তাঁদের মেধা দিয়ে জায়গা করে নিয়েছেন। ডিগ্রি নিয়ে, বুদ্ধি নিয়ে, প্রশ্ন করার ক্ষমতা নিয়ে বেরিয়েছেন। এটা তো অরাজকতা নয়। এটাই শিক্ষা এবং এটাই শ্রেষ্ঠত্ব।’’







