Wednesday, June 3, 2026
HomeScroll‘আমি শ্বাস নিতে পারছি না’, মৃত্যুর আগে আর্তি, তবু হাতকড়া পরাল পুলিশ!
England

‘আমি শ্বাস নিতে পারছি না’, মৃত্যুর আগে আর্তি, তবু হাতকড়া পরাল পুলিশ!

একটি বডি-ক্যামেরা ফুটেজ ঘিরে এখন তীব্র বিতর্ক

ওয়েব ডেস্ক : মৃত্যুর আগে বারবার বলেছিলেন, “আমি শ্বাস নিতে পারছি না… আমাকে ছুরি মারা হয়েছে।” কিন্তু সেই আর্তি আমল না দিয়ে গুরুতর জখম এক তরুণকেই হাতকড়া পরিয়ে আটক করেছিল পুলিশ (Police)। পরে জানা যায়, তিনিই ছিলেন হামলার শিকার। ব্রিটেনে প্রকাশ্যে আসা একটি বডি-ক্যামেরা ফুটেজ ঘিরে এখন তীব্র বিতর্ক।

ঘটনার কেন্দ্রে ১৮ বছরের হেনরি নোভাক। গত বছরের ডিসেম্বরে ইংল্যান্ডের (England) সাউদ্যাম্পটন শহরে তাঁর উপর ছুড়ি দিয়ে হামলা করা হয়েছিল। ঘটনায় মৃত্যু হয়েছে তাঁর। হামলাকারী ভারতীয় বংশোদ্ভূত শিখ যুবক বিক্রম দিগওয়ার। সম্প্রতি তাঁকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেওয়া হয়েছে। এর পর নিহতের পরিবারের অনুমতিতে পুলিশ ঘটনাস্থলের বডিক্যাম ফুটেজ (Body Cam Footage) প্রকাশ করে। আর সেই ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই দেশজুড়ে শুরু হয়েছে তীব্র সমালোচনা। ভিডিওতে দেখা যায়, রক্তাক্ত অবস্থায় রাস্তার ধারে পড়ে থাকা হেনরি পুলিশকে বারবার বলছেন, “আমাকে ছুরি মারা হয়েছে” এবং “আমি শ্বাস নিতে পারছি না”। কিন্তু উপস্থিত এক পুলিশকর্মী তাঁকে বিশ্বাস না করে বলেন, “তোমাকে ছুরি মারা হয়েছে? আমার তো তা মনে হচ্ছে না।” এরপরই হেনরির হাতে হাতকড়া পরানো হয়।

আরও খবর : ওমানের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি নয়াদিল্লির! হরমুজ সংকটেও বাণিজ্যে দিশা দেখাবে মোদির ভারত?

তদন্তে উঠে এসেছে, ঘটনাস্থলে উপস্থিত দিগওয়া পুলিশকে (Police) দাবি করেছিলেন যে তিনি বর্ণবিদ্বেষী হামলার শিকার। তিনি অভিযোগ করেন, হেনরি তাঁর পাগড়ি খুলে দিয়েছিলেন এবং চুল টেনেছিলেন। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই পুলিশ প্রথমে হেনরিকেই সন্দেহভাজন হিসেবে বিবেচনা করে। লকিন্তু আদালতে সেই দাবি সম্পূর্ণ ভুয়ো বলে প্রমাণিত হয়। বিচারক উইলিয়াম মাউসলি স্পষ্ট জানান, বর্ণবিদ্বেষী মন্তব্য বা আচরণের কোনও প্রমাণ পাওয়া যায়নি। বরং দিগওয়াই ছুরি দিয়ে হেনরিকে হত্যা করেছিলেন।

জানা গিয়েছে, ঘটনার সময় বন্ধুদের সঙ্গে বাইরে ছিলেন হেনরি। পুলিশ পৌঁছনোর সময় তিনি মারাত্মকভাবে আহত ছিলেন। হাতকড়া পরানোর কিছুক্ষণের মধ্যেই তিনি অচেতন হয়ে পড়েন। পরে পুলিশ তাঁর শরীরে ছুরির আঘাতের চিহ্ন দেখতে পেয়ে হাতকড়া খুলে জরুরি চিকিৎসা শুরু করলেও শেষরক্ষা হয়নি। ঘটনায় উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার। তাঁর কথায়, “ভিডিওটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক। বর্ণবিদ্বেষের অভিযোগ কীভাবে পুলিশের সিদ্ধান্তকে প্রভাবিত করেছিল, তার উত্তর দিতে হবে।”

দেখুন অন্য খবর :

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor toto slot toto slot toto SlotPoker188 situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D AMANAHTOTO AMANAHTOTO Pakde4D