Wednesday, May 13, 2026
HomeScrollবাইক বন্ধের নির্দেশিকা নিয়ে হাইকের্টের প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন
Calcutta High Court

বাইক বন্ধের নির্দেশিকা নিয়ে হাইকের্টের প্রশ্নের মুখে নির্বাচন কমিশন

কোন আইনে ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক চলাচল বন্ধ? প্রশ্ন কলকাতা হাইকোর্টের

কলকাতা: বৃহস্পতিবার পর শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বাইক মামলার শুনানি। নির্বাচনের ৭২ ঘণ্টা আগে বাইক চলাচলের উপর বিধিনিষেধ, শুক্রবার হাইকোর্টে কমিশনের বক্তব্য পেশ করল। নির্বাচন কমিশনের (Election Commission) আইনজীবী জিষ্ণু চৌধুরী মামলার শুনানিতে আদালতে বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনী এবং রাজ্য পুলিশ নিরাপত্তার জন্য রয়েছে ঠিকই।তা সত্ত্বেও যাতে কোনও রকম অস্বাভাবিক পরিস্থিতি তৈরি না হয় সেদিকে তাকিয়েই এই নির্দেশিকা দেওয়া হয়েছে। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, গতকালকের নির্বাচনে বাইক সিজ করা হয়েছে কই দেখান? কোন ক্ষমতার বলে এই বিজ্ঞপ্তি? মোটর বাইক র‍্যালির উপর নিষেধাজ্ঞা ঠিক আছে। কিন্তু রেগুলার মোটরসাইকেলে নিষেধাজ্ঞা কেন?

বিধিনিষেধের মধ্যে রয়েছে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সকাল ৬টা পর্যন্ত মোটরসাইকেল চালানোর উপর সম্পূর্ণ নিষেধাজ্ঞা এবং সকাল ৬টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত এর পিছনে চড়ার উপর নিষেধাজ্ঞা। তবে, চিকিৎসা সংক্রান্ত জরুরি অবস্থা, পারিবারিক অনুষ্ঠান বা স্কুলগামী শিশুদের পরিবহনের মতো সীমিত ক্ষেত্রে এর ব্যতিক্রম রয়েছে।শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টে (Calcutta High Court) বাইক মামলার শুনানি। মামলার শুনানিতে দামা নাইডু, নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী আদালতে জানান, নির্বাচন কমিশন শান্তিপূর্ণ নিরপেক্ষ নির্বাচনের জন্য সংবিধানের ৩২৪ অনুযায়ী সব ধরনের যান নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। শেষ ৪৮ ঘন্টাকে সাইলেন্স পিরিয়ড বলা হয়। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও পাল্টা বলেন, কিন্তু কিভাবে মোটরসাইকেল নির্দেশিকা দেওয়া হল? নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী বলেন, মোটরসাইকেল অনেক বেশি সহজ লভ্য।যত্রতত্র মোটরসাইকেল র‍্যালি চলছিল ক্যাম্পেনের দিকে তাকালে। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও, কিন্তু মামলাকারী মোটরসাইকেল র‍্যালি বন্ধ করার বিরুদ্ধে কিছু আপত্তি করেনি মামলায়। নির্বাচন কমিশনের আইনজী,কেউ ব্যাক্তিগত ব্যবসা, কেউ চাকরি,কেউ কোর্টে আসছে সে তার লাইসেন্স দেখালে আইকার্ড দেখালে আটকানো হবেনা।বিচারপতি কৃষ্ণা রাও বলেন, আপনারা এত কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়োগ করেছেন।নাকা হচ্ছে। পোলিং স্টেশনের ২০০-৩০০ মিটার দূরে চেক করে ঢুকতে দেওয়া বন্ধ করে দিন। সর্বত্র এটা করার প্রয়োজন কি?

নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী বলেন, নির্বাচনের একেবারে শেষ মুহুর্তে চেকস এণ্ড ব্যালেন্স থাকা প্রয়োজন। আমাদের কাছে যে সমস্ত তথ্য রয়েছে তার পরিপ্রেক্ষিতেই শান্তিপূর্ণ নির্বাচনের জন্য এই পদক্ষেপ। সামগ্রিক ভাবে বন্ধ করা হয়নি। ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে।আমরা অস্বাভাবিক কিছু করছি না। সবাইকে ফ্রি হ্যাণ্ড দিয়ে দিলে নানা রকম অশান্তির ঘটনা ঘটতে পারে সেই জন্যই আগাম এই পদক্ষেপ। বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য, আবেদনকারীর আইনজীবী বলেন, যে সমস্ত সমর্থকদের বাইরে থেকে আনা হচ্ছে তারা সমস্যা সৃষ্টি করছে।তাদের বাইরে সমস্যা হওয়ার কথা নয়।আমরা বাইক বাহিনীর বিরোধী। বাকি বিধিনিষেধ একেবারে প্রয়োজন নেই। আমি মোটরসাইকেল চালাই আর আমি পালাব এই ধারনার বিরোধী আমরা।

রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল কিশোর দত্ত বলেন, পৃথিবীর সব কিছুর নিয়ন্ত্রণের ক্ষমতা কমিশনের আছে ব্যাপারটা এমন নয়। কিন্তু কমিশন তাদের সর্বোচ্চ ক্ষমতার আধার ৩২৪ ধারার দোহাই দিয়ে যে কোনও কিছু নিয়ন্ত্রণের রাস্তায় হাঁটছে। অথচ সুপ্রিম কোর্ট বলেছে ওই ক্ষমতা তাদের একচ্ছত্র নয়। ভোট প্রার্থীর বেআইনি কাজ বন্ধের নামে আসলে নাগরিকের অধিকার খারিজ করছে কমিশন। এমন ক্ষমতা প্রয়োগ করছে কমিশন, যে ক্ষমতা তাদের সংবিধান দেয়নি।

আরও পড়ুন: ‘কথা দিচ্ছি, তৃণমূলের মহাজঙ্গলরাজ থেকে মুক্তি দেব’ পানিহাটি থেকে আশ্বাসবাণী মোদির

বিকাশ রঞ্জন ভট্টাচার্য বলেন, নাগরিক অধিকারে হস্তক্ষেপ করছে। স্বাধীনতা কেড়ে নিয়ে নিজের ক্ষমতা জাহির করার প্রবণতা। কোনও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠান সংবিধানের বাইরে যেতে পারে না। এখানে যে ক্ষমতা দেখিয়ে পাবলিকের অধিকার কাড়ছে, সেই এক্তিয়ার কোথায়? নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী বলেন, পন্ডিচেরি, তামিলনাড়ু সহ অন্যত্র বাইক ৱ্যালি করার ক্ষেত্রে নিষেধাজ্ঞা জারি করা হয়েছে। বিচারপতি কৃষ্ণা রাও, তার মানে টোটাল ব্যান নয় সেসব জায়গায়। আপনাদের সব যুক্তি মানছি। শুধু দেখান কোন আইনে ৭২ ঘণ্টা সাধারণ মানুষের বাইক ব্যবহারে কার্যত নিষেধাজ্ঞা জারি করলেন? কোনও SOP, কোনও ম্যানুয়াল — কিছু দেখান। যার দাড়া এই নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। বাইক ৱ্যালি নিয়ে কিছু বলছি না। ওটা যুক্তিযুক্ত।
নির্বাচন কমিশনের আইনজীবী বলেন, এখন নতুন করে ছাড় দেওয়া হয়েছে বাইকে।বিচারপতি কৃষ্ণা রাও,হ্যাঁ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাকে কাজের জায়গার প্রমাণ দেখাতে হবে। একজন দোকান কর্মী বা প্রাইভেট টিউটর তিনি কাজের জায়গার কি প্রমাণ দেখাবেন? প্র্যাকটিক্যাল ভাবুন। ৩২৪ ধারায় এটা করা হয়েছে। ট্রাফিক ব্যবস্থার অঙ্গ। আপনার যুক্তি মানতে পারলাম না। শুনানি শেষ। রায় দান স্থগিত।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor https://todayinnewsfocus.com/ BWO99 poker idn poker situs slot gacor idn poker toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto