ওয়েবডেস্ক- এবার সিঙ্গুরে (Singur) মুখ্যমন্ত্রী। সদ্য সিঙ্গুরে এসে সভা করে গিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Pm Narendra Modi) । এবার ২৮ জানুয়ারি (28 January) সভা করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । মোদির পাল্টা জনসভা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিধানসভা ভোটের আবহে ক্রমশই ভোটের আবেগে রাজ্য। গত ১৮ জানুয়ারি সিঙ্গুরে সভা করেন প্রধানমন্ত্রী মোদি। এবার ঠিক তার ১০ দিনের মাথায় সভা করবে মুখ্যমন্ত্রী।
মোদির সভা থেকে সুকান্ত মজুমদারকে বিজেপি এই বাংলায় ক্ষমতায় এলে ফের টাটাকে ফিরিয়ে আনার হুঙ্কার দেন তিনি। কিন্তু মোদির মুখ থেকে সেই ধরনের কোনও কথা শোনা যায়নি। উল্টে তার মুখে শোনা যায়, ‘কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নতি হলেই পশ্চিমবঙ্গে শিল্প আসবে।’ ফলে মোদির এই বক্তব্যের পর শিল্পমহল তো বটেই পদ্মশিবিরের একাংশও দলের অন্দরে ক্ষোভ প্রকাশ করে।
আরও পড়ুন- ‘আজ কোর্টে হারালাম, এপ্রিলে ভোটে হারাব’, বারাসতে বিস্ফোরক অভিষেক
প্রসঙ্গত, ভোটে সেই সিঙ্গুর একটি তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় বলা যায়। হুগলি জেলার এই সিঙ্গুর, টাটার ন্যানো গাড়ি কারখানা নির্মাণের জন্য তৎকালীন বামফ্রন্ট সরকার টাটা গোষ্ঠীকে ৯৯৭ একর জমি লিজ দেয়। এর মধ্যে ছিল ৪০ শতাংশ যারা জমির মালিককে নিজের ইচ্ছেয় জমি দিতে চাননি। এসব অনিচ্ছুক কৃষককে নিয়ে সিঙ্গুরে টাটার বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেছিলেন রাজ্যের তৎকালীন বিরোধীদলীয় নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিষয়টি আদালত পর্যন্ত গড়িয়ে যায়।
জমি অধিগ্রহণ–সংক্রান্ত আপিল মামলায় তৎকালীন রাজ্য সরকারের জমি গ্রহণকে অবৈধ বলে জানিয়ে দেয় আদালত। সিঙ্গুর থেকে বিদায় নিয়ে টাটা চলে যায় মোদি রাজ্যে গুজরাটে। এরপরই ২০১১ সালের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য বিধানসভার নির্বাচনে আন্দোলনকে হাতিয়ার করে ঐতিহাসিক জয় পান মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। টাটাকে তাড়িয়ে ওই জমি ফিরিয়ে দেওয়া হলে সেই জমি আর উর্বর হয়ে ওঠেনি। ফলে চাষের যোগ্য হয়ে ওঠেনি। ওই জমিতে টাটার ন্যানো গাড়ি কারখানার ৮০ শতাংশ কাজ সম্পূর্ণ হয়ে গিয়েছিল।







