Monday, February 16, 2026
HomeScrollবোনকে সরিয়ে ১৩ বছরের কন্যাই উত্তরসূরি? উত্তর কোরিয়ার মসনদে কে?
North Korea

বোনকে সরিয়ে ১৩ বছরের কন্যাই উত্তরসূরি? উত্তর কোরিয়ার মসনদে কে?

জোর জল্পনা দুই কোরিয়াতেই

ওয়েব ডেস্ক: উত্তর কোরিয়ার (North Korea) একচ্ছত্র শাসক কিম জং উনের (Kim Jong Un) উত্তরাধিকারী কে— তা নিয়ে ফের জোর জল্পনা দুই কোরিয়াতেই। গত কয়েক বছর ধরে বিভিন্ন সামরিক ও রাজনৈতিক অনুষ্ঠানে কিমের পাশে দেখা যাচ্ছে এক কিশোরীকে। সে কিমের ১৩ বছরের কন্যা, কিম জু এ। দক্ষিণ কোরিয়ার (North Korea) গোয়েন্দা সংস্থা ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স সার্ভিস (এনআইএস)-এর দাবি, ভবিষ্যতে তাকেই উত্তরসূরি হিসেবে তুলে ধরার প্রস্তুতি নিচ্ছেন কিম।

তবে এই পথ মোটেই মসৃণ নয়। কিমের ৩৮ বছর বয়সি বোন কিম ইয়ো জংকে বর্তমানে উত্তর কোরিয়ার দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ক্ষমতাশালী ব্যক্তি হিসেবে মনে করা হয়। সরকারের শীর্ষ স্তরে তাঁর প্রভাব যেমন রয়েছে, তেমনই সামরিক ক্ষেত্রেও তাঁর দাপট যথেষ্ট। বিশেষ করে সেনাবাহিনীতে তাঁর প্রভাব তাঁকে ক্ষমতার কেন্দ্রে প্রতিষ্ঠিত করেছে। ফলে বিশ্লেষকদের একাংশের মতে, ভাইঝির হাতে এত সহজে শাসনভার ছেড়ে দেবেন না ইয়ো জং। সুযোগ এলে নিজেই উত্তরসূরি হওয়ার দাবি তুলতে পারেন তিনি।

আরও পড়ুন: দিল্লির প্রেস মিনিস্টারকে হঠাৎ সরাল ইউনুস সরকার! বিএনপি জয়ের পর সিদ্ধান্তে কূটনৈতিক বার্তা?

চলতি মাসেই উত্তর কোরিয়ায় দেশের অন্যতম বড় রাজনৈতিক সম্মেলনের আয়োজন করেছেন কিম। অনুমান, এই মঞ্চ থেকেই তিনি গুরুত্বপূর্ণ নীতি ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত ঘোষণা করতে পারেন। এনআইএস এই সম্মেলনের দিকেই কড়া নজর রাখছে। কিম সেখানে কন্যাকে সামনে আনেন কি না, তা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ হবে।

২০২২ সালের নভেম্বরে একটি আন্তর্মহাদেশীয় ক্ষেপণাস্ত্র পরীক্ষার সময় প্রথম প্রকাশ্যে দেখা যায় কিম জু এ-কে। তারপর থেকে একাধিক সামরিক কুচকাওয়াজ, পার্টি সভা ও রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে বাবার সঙ্গেই দেখা গিয়েছে তাকে। এমনকি গত সেপ্টেম্বরে বেজিং সফরেও কন্যাকে সঙ্গে নিয়েছিলেন কিম। পর্যবেক্ষকদের মতে, উত্তরসূরি হিসেবে রাজনৈতিক গুরুত্ব বোঝাতেই কন্যাকে ক্রমাগত জনসমক্ষে আনছেন তিনি।

উত্তর কোরিয়ার মতো রক্ষণশীল রাষ্ট্রে কোনও নারীর হাতে সর্বোচ্চ ক্ষমতা তুলে দেওয়া— শুরুতে তা অনেকের কাছেই অস্বাভাবিক মনে হয়েছিল। কিন্তু সাম্প্রতিক ঘটনাবলি সেই সম্ভাবনাকে উড়িয়ে দিচ্ছে না। কেউ কেউ মনে করছেন, এই প্রশ্নে চিনেরও নেপথ্য প্রভাব থাকতে পারে।

তবে একটি বিষয়ে প্রায় সকল বিশ্লেষক একমত— কিম ইয়ো জং নীরব দর্শক হয়ে থাকবেন না। দাদার উপর তাঁর প্রভাবও কম নয়। ২০২২ সালে তিনি দেশের প্রতিরক্ষা মন্ত্রকের দায়িত্ব সামলেছেন। একাধিকবার প্রকাশ্যে কিমের নীতি নিয়ে মন্তব্য করতেও দেখা গিয়েছে তাঁকে। ফলে উত্তরাধিকার প্রশ্নে কিম পরিবারের অন্দরে ভবিষ্যতে বড়সড় সংঘাতের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যাচ্ছে না। উত্তর কোরিয়ার ক্ষমতার অন্দরমহলে কি তবে শুরু হতে চলেছে ‘ক্ল্যাশ অফ কিমস’? এখন নজর পিয়ংইয়ংয়ের দিকেই।

Read More

Latest News

toto DEPOBOS evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 WDBOS DEPOBOS idn slot