Saturday, May 16, 2026
HomeScrollAajke| মনোনয়ন দিলেন শুভেন্দু, সঙ্গে দিলীপ ঘোষ। জিতবেন?
Aajke

Aajke| মনোনয়ন দিলেন শুভেন্দু, সঙ্গে দিলীপ ঘোষ। জিতবেন?

হাওয়া আবার ঘুরছে, না এবারেও তৃণমূলই বানাচ্ছে সরকার!

মাত্র বছর দেড়েক কি তার একটু বেশিদিন আগের কথা, ৪ জুন, ২০২৪, লোকসভার ফলাফল বেরিয়েছে, এবারে ৩০ পার, ৩৫ টা আসন তো পাবোই ইত্যাদি বিশাল ঢাক বাজানোর পরে বিজেপি ১৮ থেকে নেমে ১২ তে। তো সেই হেরে যাবার তালিকাতেই ছিলেন দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh), উনি হেরে যাবার পরেই সাফ জানিয়েছিলেন তাঁকে হারানো হয়েছে, আরও স্পেশিফিক করেই বলেছিলেন তাঁকে কাঠি করা হয়েছে, হারিয়ে দেওয়া হয়েছে। হ্যাঁ ইঙ্গিত খুউউউব পরিস্কার ছিল, তাঁর জেতা আসন মেদিনীপুর থেকে তাঁকে পাঠানো হয়েছিল বর্ধমান দুর্গাপুরে সেখানে তৃণমূলের কীর্তি আজাদের কাছে উনি ১ লাখ ৩৭ হাজার ভোটে হেরেছিলেন, কাদের সিদ্ধান্তে তাঁর জেতা আসন থেকে তাঁকে বর্ধমান – দুর্গাপুরে আসনে পাঠানো হলো? সেই প্রশ্ন তুলেছিলেন তিনি, বলেছিলেন কাঠিবাজী করেই তাঁকে হারানো হয়েছে। তো সেই দিলীপবাবু আজ শুভেন্দু অধিকারির সঙ্গে হলদিয়াতে গিয়ে শুভেন্দুবাবুর (Suvendu Adhikari) নমিনেশন ফাইলের সময়ে হাজির থাকলেন। ক্লাসরুমে ঝগড়া হওয়ার পর দুই ছাত্র ছাত্রিকে ক্লাস টিচার বলতেন বুড়ো আঙুল ঠেকিয়ে ভাব ভাব ভাব রে বলে সব মিটিয়ে নিতে, এতাও খানিকটা সেই রকম। বিজেপি দল দেখানোর চেষ্টা করছে দল অটুট। হ্যাঁ এটা বিজেপির দস্তুর, ইন ফ্যাক্ট যে কোনও রাজনৈতিক দলেই এটা হয়, চুঁচড়োর তৃণমূল বিধায়ক অসিত মজুমদার টিকিট পান নি, পেলেন দেবাংশু ভট্টাচার্য, দুপুরে গোঁসা করলেন, রাতে ভাব ভাব ভাব রে। এক্কেবারে সাংবাদিকদের সামনে। কিন্তু সেটা তো তৃণমূল দল, সেখানে এসব আকছার হয়। কিন্তু বিজেপিতে? হ্যাঁ দিলীপ ঘোষ সরাসরিই বলেন আমার বিরুদ্ধে কাঠিবাজি হয়েছে, সেই তিনিই আজ শুভেন্দু অধিকারির (Suvendu Adhikari) হাত ধরে ঐ ভাব ভাব ভাব রে বলছেন, সেটাই বিষয় আজকে, মনোনয়ন দিলেন শুভেন্দু, সঙ্গে দিলীপ ঘোষ। জিতবেন?

সেদিন কে কাঠি করেছিল? সেটা কি খোলসা করে বলেছিলেন দিলীপ ঘোষ, না সোজাসুজি বলেন নি কিন্তুকাঠিবাজী যে হয়েছিল তাতে তো সন্দেহ নেই, সেসব কি ভুলে গেছেন দিলীপ বাবু? ওনাকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, সেসব কি ভুলে গেছেন, উনি ওনার সেই বিখ্যাত ব্যাঁকা হাসিটা দিয়েই বলেছেন , দিলীপ ঘোষ কিছু ভোলে না। কি সাংঘাতিক, কিছুটা হিন্দি সিনেমার ডায়ালগের মত, সবকুছ ইয়াদ হ্যায়। এবং ইয়াদ যে হ্যায়, সেটা তো কদিন আগেই তাঁর স্ত্রী টিকিট না পাবার পরেই সামনে এসেছে, উনিই তো প্রশ্ন তুলেছেন যে একটা পরিবার থেকে অনেকে টিকিট পেলে তাঁকে কেন টিকিট দেওয়া হল না? জায়জ প্রশ্ন। কিন্তু বলুন তো এই রাজ্যে বিজেপি কোন পরিবারের থেকে একাধিক প্রার্থীকে মনোনয়ন দিয়েছে? সেই পরিবারের নাম তো অধিকারি পরিবার, হ্যাঁ নিশানা খুব স্পষ্ট। কাজেই দিলীপ ঘোষ যে সব ভুলে গিয়েছেন তা বলার কোনও কারণ আছে কি? কিন্তু সম্ভবত হেড মাস্টারের নির্দেশে এই ভাব ভাব ভাবরে খেলাটা হলো। তলায় যে অন্য খেলা হচ্ছে, শুরু হয়ে গেছে সেটা কি শুভেন্দু অধিকারি বুঝতে পারছেন না, বিলক্ষণ বুঝেছেন, দলের একান্ত গোপন বলে কিচ্ছু নেই, সব পৌঁছে যাচ্ছে কানে কানে, কেউ টের পেয়েছিলেন যে একদা বিশ্বস্ত বা হাত পবিত্র কর এবারে শুভেন্দু অধিকারীর বিরুদ্ধে দাঁড়াবেন? অনেকে তো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম ভাসিয়ে দিয়েছিল, তা তো হয়নি, কিন্তু কেন? কারণ এমনিতেই আমাদের রাজ্যে ভোটের পোলারাইজেশন এত বেশি যে ভোটের মাস দুই তিন আগেই ভোটের ফলাফল মোটামুটি ঠিক হয়েই থাকে, তার ওপরে আসনের নাম নন্দীগ্রাম, সেখানে তো ভোটের মেরুকরণ এক্কেবারে ঠিকই ছিল, কিন্তু হঠাৎ এই পবিত্র কর এসে সবটাই গুবলেট করে দিয়েছে, নন্দীগ্রাম ২ এ তৃণমূল ঢুকতেই পারতো না, সেখানে ঢুকেছে কেবল নয় বড় মিছিল করছে, হ্যাঁ পবিত্র করের ফলে সেটা সম্ভব হয়েছে, তারপরে সেবাশ্রয়, তারও ওপরে সেই হাওয়া আবার ঘুরছে, না এবারেও তৃণমূলই বানাচ্ছে সরকার, সবমিলিয়ে ১৮৫৬ ভোটের ব্যবধানের পাঁচিল নড়বড় করছে। ওদিকে প্রথম দিন ভবানীপুরে গিয়ে থানা ইত্যাদি হুঙ্কার দিয়ে শুভেন্দু অধিকারি জানিয়েছিলেন ২৫ হাজার ভোটে জিতবো, এখন বলছেন ওটা আমার আশা, হ্যাঁ কনফিডেন্স এ গ্যামাক্সিন পড়েছে। মানে ওদিকে ১৮৫৬ ভোটের পাঁচিল নড়বড়ে, এধারে ২৭ হাজার মার্জিনের বিরাট দেওয়াল, সব মিলিয়ে সেই পুরনো কাঠির গল্পটাই মনে পড়ে গেল, কেবল কাঠিবাজটা পালটে গেছে, আমরা আমাদের দর্শকদের জিজ্ঞেস করেছিলাম, গত লোকসভাতে হেরে দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন আমাকে কাঠিবাজী করে হারানো হয়েছে, এবারে বিধানসভা নির্বাচনে সেই কাঠিবাজীর গল্প কি আমরা শুভেন্দু অধিকারির কাছ থেকে শুনবো? তিনিই কি হবেন কাঠিবাজীর শিকার? শুনুন মানুষজন কী বলেছেন।

আরও পড়ুন: Aajke | শুভেন্দু অধিকারীর ‘রামরাজ্য’, এনকাউন্টার, বুলডোজার আর ঘৃণার পাহাড়

বাংলার রাজনীতিতে এই কাঠিবাজী প্রথম নয়, নতুনও নয়। তবে এই কাঠিবাজীর ইতিহাসে প্রথম ক্রেডিট কিন্তু কংগ্রেসেরই প্রাপ্য। আজ নয় সেই কবে স্বাধীনতার আগেও নেতাজীর গোষ্ঠিকে হারানোর জন্য কিরণশঙ্কর রায়ের গোষ্ঠি এই কাঠিবাজী করেছে, সফলতম কাঠিবাজি এই বাংলাতে বহুবার হয়েছে, বহরমপুরের কথাই ধরুন না কেন, ২০০৬ এ কংগ্রেস দাঁড় করিয়েছিল মায়ারানী পাল কে, হ্যাঁ তিনিই অফসিয়াল ক্যান্ডিডেট, সেদিন অধীর চৌধুরির ডানহাত মনোজ চক্রবর্তি দাঁড়িয়ে গেলেন নির্দল প্রার্থী হিসেবে, জিতেওছিলেন, কেন? ওই কাঠিবাজী, অধীর চৌধুরি খেলেছিলেন। কিন্তু এখন বিজেপিতেও এই কাঠিবাজী এক শিল্প হয়ে উঠেছে, নির্বাচনের পরে আরও পরিস্কার হবে, কে বার খাইয়ে মেজখোকাকে ভবানীপুরে দাঁড় করালো আর কারা মধ্যস্থতা করে নন্দীগ্রামে মেজখোকার ডান হাতকে ভাঙিয়ে দিয়ে তৃণমূলের কাছে পাঠিয়ে দিল। কাঠিবাজী এমন এক শিল্প যা ফলেন পরিচয়তে। কাঠি কে করলো? কতখানি করলো তা তো জানা যাবে ৪ মে তে।

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor idn poker toto slot MySlot188 toto slot toto SlotPoker188 situs toto