ওয়েব ডেস্ক: রাজ্যের পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ড (Police Welfare Board Dissolved) ভেঙে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী (Suvendu Adhikari)। শনিবার ডায়মন্ড হারবারে প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করেন তিনি।সোমবার এই সংক্রান্ত সরকারি বিজ্ঞপ্তি জারি করা হবে বলেও জানিয়ে দেন মুখ্যমন্ত্রী। বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখী হয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, পুলিশের হাতে অত্যাচারিত হলে যে কেউ থানায় অভিযোগ করতে পারেন।
এদিন ডায়মন্ডহারবারে প্রথম জেলায় প্রশাসনিক আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী ৷ বৈঠকে মুখ্য়সচিব, স্বরাষ্ট্র সচিব, রাজ্য পুলিশের ডিজি ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন ডায়মন্ডহারবার পুলিশ জেলার পুলিশ আধিকারিকরা৷ এছাড়া উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিক এবং জনপ্রতিনিধিরা। বাম ও তৃণমূল কংগ্রেস সরকারের আমলে রাজ্যে পুলিশ শাসকদলের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রিত হয়েছে বলে অভিযোগ করেন শুভেন্দু অধিকারীর। মুখ্যমন্ত্রী জানান, ভালো উদ্দেশ্য নিয়েই রাজ্যে এই পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ড তৈরি করা হয়েছিল। তবে এই বোর্ডের রাজনীতিকরণ হয়। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘সেটি একটি রাজনৈতিক দলের শাখা সংগঠন হয়েছিল। পুলিশের মঙ্গল কতটা হয়েছে জানি না। কিন্তু শান্তনু সিংহ বিশ্বাস, বিজিতাশ্বর রাউতদের মতো অফিসারদের সুবিধা হয়েছে। আজ থেকে পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ড ভেঙে দিলাম।’
আরও পড়ুন: আরজি করের পর এবার কাটমানি ফাইলস খুললেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু
বিরোধীদের অভিযোগকে পুলিশ গুরুত্ব দিত না! গ্রামেগঞ্জে বিরোধীদের মুখবন্ধ করতে, শাসকদলকে সুবিধা পাইয়ে দিতে পুলিশ কাজ করত বলে বিভিন্ন সময় অভিযোগ উঠেছে। তৃণমূল আমলেও সেই একই পদ্ধতি চলেছে! বলা ভালো আরও বেশি মাত্রায় শাসকদল পুলিশকে ব্যবহার করেছে বলে অভিযোগ। শাসকদলের বিরুদ্ধে থানায় বিরোধীরা গেলে অভিযোগ নেওয়া হত না! মিথ্যা অভিযোগ দিয়ে বিরোধীদের গ্রেফতার করা হত বলেও অভিযোগ উঠেছে। রাজ্যে পালাবদল হয়েছে। বিজেপি ক্ষমতায় এসে খোলনলচে বদলের ভাবনা করছে। পুলিশ-প্রশাসনকে রাজনৈতিক চ্ছত্রছায়া থেকে সম্পূর্ণ মুক্ত করতে বদ্ধপরিকর রাজ্য সরকার। সেজন্য পুলিশ ওয়েলফেয়ার বোর্ড ভেঙে ফেলা হল।কেন্দ্রীয় ও রাজ্য সরকারি প্রকল্পে কাটমানি নেওয়ার অভিযোগে কড়া মুখ্যমন্ত্রী। অভিযোগ উঠলেই কড়া ব্যবস্থার নির্দেশ। এছাড়াও ভোট পরবর্তী হিংসা। নারী নির্যাতন। পুলিশের বিরুদ্ধে অত্যাচারের অভিযোগেও কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ মুখ্যমন্ত্রীর।







