ওয়েব ডেস্ক: বার্লিনের প্রাচীর উঠে গিয়েছে। জার্মানি (Germany) এখন ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের সব থেকে বড় অর্থনীতি। ব্রেক্সিটের পর জার্মানিই ইউরোপিয়ান ইউনিয়নের অন্যতম নিয়ন্ত্রক। জার্মানির রাষ্ট্রপ্রধানদের মুখেও শোনা যাচ্ছিল ইউরোপিয়ান ইউনিয়নে থেকে তাদের লাভ হচ্ছে না। নিজস্ব মুদ্রার মাধ্যমে দেশেক এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার সওয়ালও শোনা গিয়েছে। সেই সিদ্ধান্ত জার্মানির সম্ভাব্য চ্যান্সেলর ৬৯ বছর বয়সী ফ্রিডরিক মের্জের (Friedrich Merz) হাতে। তিনি ক্রিস্টিয়ান ডেমোক্রেটিক ইউনিয়ন পার্টির চেয়ারম্যান। থমকে থাকা জার্মানির অর্থীনীতিতে গতি আনার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভোটে জিতেছেন। যদিও ফ্রিডরিক নিজে একাধিকবার শক্তিশালী ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন গঠনেরই বার্তা দিয়েছেন। তাঁর দল সিডিইউ\সিএসইউ জোট রবিবার ২৮.৫ শতাংশ ভোট পেয়ে ২০৮ আসনে জিতেছে। দ্বিতীয় স্থানে এএফডি ২০ শতাংশ ভোট পেয়েছে ১৫২ আসনে জিতেছে। বিদায়ী চ্যান্সেলর (Chancellor) শোলফ স্কলতজের (Olaf Scholz) দল এসপিডি ১৬.৪ শতাংশ ভোট পেয়ে তৃতীয় স্থানে নেমে ১২০ আসনে জিতেছে। ফের জোট সরকারই হতে চলেছে জার্মানিতে।
ডানপন্থী মের্জই চ্যান্সেলর হচ্ছেন ধরে নিয়ে রাষ্ট্রনেতাদের শুভেচ্ছার বন্যা শুরু হয়েছে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প নাম না করে শুভেচ্ছা জানিয়ে বলেছেন, এটা জার্মানির পক্ষে মহান দিন। ফ্রান্সের প্রেসি়ডেন্ট এমানুয়েল ম্যাঁক্রো এক্স হ্যান্ডলে লিখেছেন, ইউরোপের সার্বভৌমত্বের জন্য ফ্রান্স ও জার্মানি একসঙ্গে কাজ করতে সংকল্পবদ্ধ। ন্যাটোর সেক্রেটারি জেনারেল মার্ক রুটে বলেন, আমাদের কঠিন মুহূর্তে অভিন্ন নিরাপত্তার জন্য আমরা মের্জের সঙ্গে কাজ করতে চাই। ইউরোপ প্রতিরক্ষায় আরও বেশি খরচ করুক। এদিকে ফিডরিক একটি প্রতিক্রিয়ায় ইউক্রেনের বিষয়ে আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মনোভাবে অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন এই বিষয়ে ট্রাম্পের সঙ্গে কথা বলতে চান।
আরও পড়ুন: বিশ্ব বদলাচ্ছে, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের তিনবছরে কিভে রাষ্ট্রনেতারা
দেখুন অন্য খবর: