ওয়েব ডেস্ক: আমেরিকা (US) সরকারে ইলন মাস্কের (Elon Mask) হাতে থাকা ডজে (Doge) রাষ্ট্রপুঞ্জে (United Nation) অর্থ সহায়তা বন্ধ করেছে। দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে আমেরিকা বিশ্বে এইচআইভি (HIV) নিয়ন্ত্রণে নেতৃত্ব দিয়েছে। রাষ্ট্রপুঞ্জ জানিয়েছে, অর্থ সহায়তা বন্ধের ফলে বিশ্বে প্রতিদিন ২০০০ নতুন এইচআইভি সংক্রমণ ঘটবে। ট্রাম্প ক্ষমতায় এসে ডিপার্টমেন্ট অফ গভর্নমেন্ট এফিশিয়েন্সি নামে উপদেষ্টা পরিষদ গঠন করেন। যাঁর নেতৃত্বে রয়েছেন মাস্ক। ৯০ শতাংশ ইউএসএইড (ইউএস এজেন্সি ফর ইন্টারন্যাশনাল ডেভলপমেন্ট) ও বিশ্বে সামগ্রিকভাবে ৬০ বিলিয়ন ডলার আর্থিক সহায়তা বন্ধ হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা ১৭ মার্চ জানিয়েছে, ট্রাম্পের এই সিদ্ধান্ত আটটি দেশে এইচআইভি শুশ্রুষার যোগান দিতে প্রভাব ফেলেছে। হু জানিয়েছে, হাইতি, কেনিয়া, লেসোথো, দক্ষিণ সুদান, বুরকিনা ফাসো, মালি, নাইজেরিয়া, ইউক্রেন এর ফলে চরম সমস্যায় পড়বেন। আগামী মাস থেকেই। ল্যানসেটের একটি সমীক্ষা রিপোর্ট অনুযায়ী, আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে এইচআইভিতে প্রায় ৩০ লক্ষ মানুষের মৃত্যু হতে পারে। সবচেয়ে বেশি সমস্যা হবে সাব সাহারান দেশগুলির। আমেরিকা, ব্রিটেনের মতো যে পাঁচটি দেশ থেকে এক্ষেত্রে সব চেয়ে বেশি সহায়তা আসে তারা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা না নিলে সমস্যা বাড়বে। ওই পাঁচটি দেশ হল আমেরিকা, ব্রিটেন, ফ্রান্স, জার্মানি ও নেদারল্যান্ডস। তারা ৯০ শতাংশ অর্থ সাহায্য সরবরাহ করে।
আরও পড়ুন: ট্রাম্পের সিদ্ধান্তের খেসারত দিচ্ছে TATA সহ একাধিক দেশিয় কোম্পানি!
এখনও পর্যন্ত আমেরিকা থেকে এক্ষেত্রে ৭৩ শতাংশ বিদেশি সাহায্য আসে। ২০২৫ এর জানুয়ারিতে তিন মাসের জন্য সব বিদেশি সহায়তা বন্ধ। তারপর অবশ্য সাহায্য ফের শুরু হবে এমন কোনও নিশ্চয়তা নেই। ফলে কপালে ভাঁজ বেড়েছে সংশ্লিষ্টদের। ২০১০ সাল থেকে ২০২৩ সাল পর্যন্ত যেসব দেশ এইচআইভি নিয়ন্ত্রণে বিদেশি সাহায্য পেয়েছে সেখানে তাতে ভালো উন্নতি দেখা গিয়েছে। প্রতিবছর অন্তত ১০ শতাংশ মৃত্যু কমেছে। ২০৩৬ সালের মধ্যে এইচআইভি দূরীকরণের লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছিল। এখন উদ্বেগ, কী হবে এরপর?
দেখুন অন্য খবর: