ওয়েব ডেস্ক: রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধের (Russia Ukraine War) তৃতীয় বর্ষপূর্তিতে সোমবার কিভে (Kyiv) হাজির হলেন ইয়োরোপিয়ান ইউনিয়নে (Europian Union) থাকা রাষ্ট্রপ্রধানদের অনেকে। আমেরিকার প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump) ইউক্রেনকে অর্থ সাহায্য বন্ধ করে দিয়েছেন। শুধু তাই নয় যে সামরিক সাহায্য জো বাইডেন সরকার দিয়েছে তা ফেরত চেয়েছেন। সেই প্রেক্ষিতে এদিন ইয়োরোপিয়ান ইউনিয়নের নেতাদের এই সফর আমেরিকার কাছে কড়া বার্তা ছিল। সেখানে গিয়ে ইউক্রেনের জন্য নতুন করে বিপুল অর্থ সাহায্যের প্রতিশ্রুতি দিল ইয়োরোপিয়ান ইউনিয়ন। শুধু তাই নয়, ২০৩০ সালের মধ্যে ইউক্রেনকে ইউতে অন্তর্ভুক্ত করা হতে পারে বলেও আশ্বাস দেওয়া হয়েছে। যা মার্কিন প্রভাবের ছত্রছায়া থেকে ইয়োরোপের বেরিয়ে যাবার ইঙ্গিত। ফলে বিশ্বের রাজনৈতিক ভারসাম্যে বড় বদলের ইঙ্গিত।
অস্ত্র ও বিদ্যুৎ উৎপাদন বাড়ানোর ক্ষেত্রে ইউক্রেনের পাশে দৃঢ়ভাবে দাঁড়ানোর অঙ্গীকার ইয়োরোপীয়ান ইউনিয়ন নেতৃত্বের। ইয়োরোপীয়ান কমিশনের প্রেসিডেন্ট উরসুলা ভন ডার লেয়েন এমনটাই জানালেন। উল্লেখ্য, ট্রাম্প রাশিয়া ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে উদ্যোগ নিয়েছেন। এই বিষয়ে সৌদি আরবে রাশিয়ার প্রিতিনধিদের সঙ্গে আমেরিকার প্রশাসনের আধিকারিকদের বৈঠক হয়েছে। কিন্তু সেখানে ডাকা হয়নি ইউক্রেনির প্রেসিডেন্ট ভ্লদিমির জেলেনস্কিকে। ইউক্রেনকে বাদ দিয়ে কোনও সিদ্ধান্ত মানা হবে না বলে জানায় জেলেনস্কি। অথচ শক্তিধর রাশিয়ার অভিযানের বিরুদ্ধে লড়াই আমেরিকার সামরিক সাহায্যই ছিল ইউক্রেনের সব থেকে বড় শক্তি।
আরও পড়ুন: ভাঙবে ইউরোপীয় ইউনিয়নের দেওয়াল? জার্মানির সম্ভাব্য চ্যান্সেলর ফ্রেডরিক মের্জ
দেখুন অন্য খবর: