ওয়েব ডেস্ক: পৃথিবীর সবচেয়ে প্রতিকূল পরিবেশগুলোর মধ্যে অন্যতম হল আন্টার্কটিকা (Antarctica)। চারদিক ঢাকা শুধুই ধু ধু সাদা বরফে, পদে পদে বিপদ। এমন এক প্রাণহীন হিমরাজ্য থেকে বছরের প্রথম সূর্যগ্রহণ (Solar Eclipse) দেখার জন্য তোড়জোড় শুরু করেছেন বিজ্ঞানীরা। কিন্তু যে মহাজাগতিক ঘটনা (Celestial Event) পৃথিবীর অন্যান্য স্থান থেকেও দৃশ্যমান হবে, তা দেখার জন্য প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে দক্ষিণ মেরুতে (South Pole) কেন যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা? এর নেপথ্যে রয়েছে এক বিশেষ কারণ। এই প্রতিবেদনে সেই সম্পর্কেই জেনে নেব বিস্তারিত।
বিশ্বের অধিকাংশ অঞ্চল, যেখানে তুলনামূলক স্থিতিশীল আবহাওয়া থাকে, সেখানের তুলনায় আন্টার্কটিকার পরিস্থিতি অনেকাংশে আলাদা। সেখানে সাধারণত তাপমাত্রা থাকে মাইনাস ৩০ ডিগ্রি সেলসিয়াসের নিচে। তবে মহাকাশ দেখার জন্য এর থেকে ভালো জায়গা হয়তো পৃথিবীর বুকে নেই। জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের মতে, দক্ষিণ মেরু অঞ্চলেই রয়েছে ‘কনকর্ডিয়া স্টেশন’ বা ‘হোয়াইট মার্স’, যেখানের আবহাওয়া অন্ত্যন্ত শুষ্ক এবং সেখানের বায়ুমণ্ডলও অনেক পাতলা। এই কারণেই আন্টার্কটিকার এই বিশেষ স্থান থেকে মহাকাশের যেকোনও জিনিস আরও স্বচ্ছ ও স্পষ্টভাবে দেখা যায় বলে দাবি করেন বিজ্ঞানীরা।
আরও পড়ুন: হু হু করে বাড়ছে তাপমাত্রা! ২০২৬-এর গ্রীষ্মে পুড়ে ছারখার হবে পৃথিবী? সতর্ক করছেন বিজ্ঞানীরা
এদিকে পূর্ণগ্রাস সূর্যগ্রহণের সময় বিজ্ঞানীরা মূলত সূর্যের বাইরের স্তর ‘করোনা’ পর্যবেক্ষণ করেন। সাধারণত সূর্যের তীব্র উজ্জ্বলতায় এই স্তরটি আড়াল হয়ে থাকে, যা পূর্ণগ্রাস গ্রহণে ‘রিং অফ ফায়ার’ তৈরি হলে আরও ভালোভাবে দেখা যায়। পৃথিবীর বিভিন্ন প্রযুক্তির পরিচালনায় যেহেতু সূর্যের করোনা স্তর বড় ভূমিকা পালন করে, তাই এই স্তরের বিভিন্ন অজানা বিষয় জানতেই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আন্টর্কাটিকায় সূর্যগ্রহণ দেখার তোড়জোড় শুরু করে দিয়েছেন মহাকাশ বিজ্ঞানী ও গবেষকরা।
দেখুন আরও খবর:







