Sunday, March 15, 2026
HomeScrollসুপ্রিম কোর্টের কড়া মন্তব্যে ‘চিলিং ইফেক্ট’, জামিন মামলার বেঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ানোর...
Allahabad High Court

সুপ্রিম কোর্টের কড়া মন্তব্যে ‘চিলিং ইফেক্ট’, জামিন মামলার বেঞ্চ থেকে সরে দাঁড়ানোর আর্জি এলাহাবাদ হাইকোর্টে

জামিন সংক্রান্ত মামলা না দেওয়ার আর্জি জানালেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের বিচারপতি

ওয়েব ডেস্ক: সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court) তীব্র পর্যবেক্ষণে ‘ডিমোরালাইজিং ও চিলিং ইফেক্ট’ তৈরি হয়েছে—এমনই মন্তব্য করে ভবিষ্যতে জামিন সংক্রান্ত মামলা না দেওয়ার আর্জি জানালেন এলাহাবাদ হাইকোর্টের (Allahabad High Court) লখনউ (Lucknow) বেঞ্চের বিচারপতি পঙ্কজ ভাটিয়া (Pankaj Bhatiya)।

শুক্রবার এক খুনের মামলায় অভিযুক্তের দ্বিতীয় জামিন আবেদন শুনানির সময় বিচারপতি ভাটিয়া এই মন্তব্য করেন। গত বছর নভেম্বর মাসে ওই অভিযুক্তের প্রথম জামিন আবেদন খারিজ করেছিল হাইকোর্ট। এদিন শুনানির সময় বিচারপতি জানান, সম্প্রতি সুপ্রিম কোর্ট তাঁর দেওয়া একটি জামিনের নির্দেশ খারিজ করতে গিয়ে যে পর্যবেক্ষণ করেছে, তা তাঁর উপর গভীর প্রভাব ফেলেছে।

আরও পড়ুন: তারেক রহমানের শপথ গ্রহণ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি!

বিচারপতি ভাটিয়া বলেন, “একটি ফৌজদারি আপিলে আমার দেওয়া জামিনের নির্দেশ চ্যালেঞ্জ করা হয়েছিল। সেই মামলায় মাননীয় সুপ্রিম কোর্ট কিছু মন্তব্য করেছে, যা আমাকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।”

কী বলেছিল সুপ্রিম কোর্ট?

পণপ্রথা-জনিত মৃত্যুর এক মামলায় বিচারপতি ভাটিয়া অভিযুক্তকে জামিন দিয়েছিলেন। সেই নির্দেশ খারিজ করতে গিয়ে সুপ্রিম কোর্ট পর্যবেক্ষণ করে, “এই আদেশ আমাদের কাছে সাম্প্রতিক সময়ে দেখা সবচেয়ে হতাশাজনক ও বিস্ময়কর আদেশগুলির একটি।”

শীর্ষ আদালত আরও বলে, “আমরা বুঝতে পারছি না, এত গুরুতর অপরাধে জামিন দেওয়ার ক্ষেত্রে হাই কোর্টের বিবেচনার ভিত্তি কী ছিল। হাই কোর্ট কেবল প্রতিরক্ষা আইনজীবীর বক্তব্য নথিভুক্ত করেছে এবং উল্লেখ করেছে যে অভিযুক্ত ২৭.০৭.২০২৫ থেকে জেলে রয়েছে ও তার কোনও অপরাধমূলক ইতিহাস নেই—এই ভিত্তিতেই জামিন দেওয়া হয়েছে।”

এছাড়া সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয়, এই আদেশের একটি কপি এলাহাবাদ হাই কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেলের মাধ্যমে প্রধান বিচারপতির কাছে পেশ করতে।

এই প্রসঙ্গেই বিচারপতি ভাটিয়া বলেন, “কোনও বিচারপতির আদেশই যে কখনও খারিজ হবে না, এমন দাবি কেউ করতে পারেন না। রায়টি পড়ে আমারও মনে হয়েছে, জামিনের নির্দেশটি হস্তক্ষেপের যোগ্য ছিল। কিন্তু বিশেষ করে অনুচ্ছেদ ৪ ও ২৯-এ করা মন্তব্যগুলি আমার উপর গভীরভাবে ডিমোরালাইজিং ও চিলিং ইফেক্ট ফেলেছে।”

তিনি জানান, এই পরিস্থিতিতে বর্তমান জামিন আবেদন শোনা তাঁর পক্ষে সমীচীন নয়। ফলে মামলাটি প্রধান বিচারপতির কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন, যাতে অন্য বেঞ্চে তা শুনানির জন্য বরাদ্দ করা হয়। পাশাপাশি ভবিষ্যতে তাঁকে যেন জামিন সংক্রান্ত বেঞ্চে না রাখা হয়, সেই অনুরোধও করেন বিচারপতি ভাটিয়া। ঘটনাটি বিচারবিভাগের অভ্যন্তরীণ পরিমণ্ডলে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিয়েছে বলে আইন মহলে মত।

mm
জয়িতা চৌধুরি
২০২৪ সালের অক্টোবর মাস থেকে কলকাতা টিভি ডিজিটালে কর্মরত। তাঁর এর আগে একাধিক ওয়েব মিডিয়ায় কাজ করার অভিজ্ঞতা রয়েছে। কলকাতা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে জার্নালিজম ও মাস কমিউনিকেশনে মাস্টার্স করেছেন। জার্নালিজমে স্নাতকোটত্তর স্তরে পড়াশোনা করার সময়ে সর্বভারতীয় সংবাদ মাধ্যম থেকে ইন্টার্নশিপের মাধ্যমেই তাঁর সংবাদ জগতে হাতেখড়ি। ক্রাইম, পলিটিক্যাল ও বিনোদন, লাইফস্টাইলের খবর লেখেন। খবরে থাকাই তাঁর নেশা।
Read More

Latest News

evos gaming

https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 DEPOBOS idn poker 88 situs slot gacor https://www.demeral.com/it/demeral_software/ BWO99 slot 5000 poker situs slot gacor joker toto slot maxwin slot maxwin situs bola BANDAR80 WATITOTO LGO188 DEPOBOS https://www.demeral.com/it/podcast neked xgo88