কলকাতা: আজ ৪ মে, ২০২৬! বাংলার ভাগ্য নির্ধারণের দিন (West Bengal Assembly Election 2026 Result) ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ম্যাজিক কি বজায় থাকবে, নাকি বাজিমাত করবে বিরোধীরা? কোন আসনে কে এগিয়ে, কোথায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সব জানতে স্ক্রল করুন।
আরও পড়ুন: ফল ঘোষণার আগেই ‘রঙের লড়াই’! বাজারে গেরুয়া ঝড় না সবুজ ঢেউ, কোন আবিরে এগিয়ে বাংলা?
ক্যানিং পশ্চিমে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী পরেশ রাম দাস।
মধ্য হাওড়ায় এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী অরূপ রায়।
দিনহাটা কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। বর্তমানে ১৪৭ ভোটে লিড নিয়েছে গেরুয়া শিবির
নন্দীগ্রামে ৩০০০ ভোটে এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী।
ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি। প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ৯৭৬ ভোটে লিড নিয়েছে গেরুয়া শিবির। শুরুতেই এই ব্যবধান ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
মুর্শিদাবাদের ডোমকল কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছেন সিপিএম প্রার্থী। শুরুতেই এই লিড ঘিরে জেলায় নজর কাড়ছে বাম শিবিরের উপস্থিতি।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রাথমিক গণনায় পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। বিষ্ণুপুর ও বজবজ কেন্দ্র, দুটিতেই লিড নিয়েছে গেরুয়া শিবির। শুরুতেই এই ট্রেন্ড ঘিরে জেলায় বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাথমিক গণনায় সামনে আসছে ভিন্ন ছবি। পোস্টাল ব্যালটের হিসাবে জঙ্গিপুর কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি। অন্যদিকে সুতিতে লিড নিয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী। শমসেরগঞ্জেও এগিয়ে রয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে শুরু থেকেই জমে উঠছে ত্রিমুখী লড়াই।
বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে সামনে আসছে প্রাথমিক লিডের ছবি। সিউড়ি ও দুবরাজপুর কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি। অন্যদিকে ময়ূরেশ্বর, বোলপুর এবং লাভপুরে লিড নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার একাধিক কেন্দ্রে পাল্টাপাল্টি এগিয়ে থাকার লড়াইয়ে জমে উঠছে রাজনৈতিক সমীকরণ।
প্রাথমিক গণনায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার পাঁচটি আসনে লিড নিয়েছে শাসকদল।
নদিয়ার কালীগঞ্জে আপাতত এগিয়ে তৃণমূল।
মালদহ জেলার একাধিক কেন্দ্রে সামনে আসছে প্রাথমিক ট্রেন্ড। হরিশ্চন্দ্রপুর, রতুয়া, মালদহ ও সুজাপুর কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে গাজোল ও ইংরেজবাজার কেন্দ্রে আপাতত এগিয়ে বিজেপি। জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে ভিন্ন ভিন্ন ছবিতে জমে উঠছে লড়াই।
প্রাথমিক গণনার ট্রেন্ডে পানিহাটি কেন্দ্রে নজরকাড়া ফল। এগিয়ে রয়েছেন ‘অভয়ার মা’ রত্না দেবনাথ। পিছিয়ে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্ত। শুরুর এই ফলেই কেন্দ্রটিকে ঘিরে বাড়ছে জল্পনা।
প্রথম দফার ট্রেন্ডে ভাঙড় কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শওকত মোল্লা। পিছিয়ে পড়েছেন আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি। অন্যদিকে নওদা কেন্দ্রে এগিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর।
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এই মুহূর্তে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে এগিয়ে শুভেন্দু।

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা চলছে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে। সকাল থেকেই সেখানে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়ছে। গণনাকেন্দ্রের বাইরে নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি ব্যানার আকারে টাঙানো হয়েছে। নিয়ম-কানুন স্পষ্ট করে জানাতে এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
গণনার শুরুর ট্রেন্ডেই নজরকাড়া ছবি। আসানসোল কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। অন্যদিকে শ্যামপুকুরে পিছিয়ে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা। পাশাপাশি মানিকতলা-বৌবাজার সংলগ্ন বলরামপুর এলাকাতেও পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। প্রাথমিক ট্রেন্ড ঘিরে চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
বালিগঞ্জে গণনা কেন্দ্রের বাইরে তৈরি হল উত্তপ্ত পরিস্থিতি। কংগ্রেসের অভিযোগ, তাঁদের এজেন্টদের বসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগ ঘিরেই শুরু হয় বিক্ষোভ। মুহূর্তে পরিস্থিতি তীব্র আকার নেয়, তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।
রাজ্যের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়ে গেল বহুল প্রতীক্ষিত ভোটগণনা। প্রথমে গণনা হবে পোস্টাল ব্যালটের। তারপর ধাপে ধাপে শুরু হবে ইভিএমের ভোটগণনা। নজর এখন ফলাফলের ট্রেন্ডের দিকে।

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা হচ্ছে সাখাওয়াত মেমরিয়াল স্কুলে। ভোর থেকেই সেখানে চোখে পড়ছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্কুলের সামনে ও আশপাশের রাস্তায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। এজেসি বোস রোড ক্রসিং থেকে শুরু করে পুরো এলাকা কার্যত নিয়ন্ত্রিত। মোতায়েন রয়েছে বিপুল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরিস্থিতি তদারকিতে ঘটনাস্থলেই উপস্থিত কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশনাল সিপি ডিপি সিংহ।

ভোটগণনার দিন কলকাতাজুড়ে নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখেনি প্রশাসন। শহরের বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রের বাইরে জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। ভোর ৫টা থেকে গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মোতায়েন রয়েছে পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী, সঙ্গে নজরদারিও চলছে কড়া হাতে।
২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে ভোট হয়। দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলার ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে আজ গণনা হচ্ছে ২৯৩টি কেন্দ্রে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা আসনে অনিয়মের অভিযোগে ভোট বাতিল করেছে কমিশন। সেখানে ২১ মে পুনর্নির্বাচন, গণনা ২৪ মে। ফলে সরকার গড়ার ম্যাজিক ফিগার ১৪৮ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৭-এ।
গণনা শুরুর আগেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম। কাউন্টিং সেন্টারে নিরাপত্তারত বাহিনীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা মন্ত্রী শশী পাঁজা। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয় কর্তৃপক্ষ।
ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিল নিয়েও সতর্ক নির্বাচন কমিশন। জেলাশাসকদের আশঙ্কা, মিছিল ঘিরে অশান্তি ছড়াতে পারে। অতীত অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে এ বার মিছিলের ক্ষেত্রে পুলিশের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার ভাবনা। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সুপারিশের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গণনার সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট এড়াতে বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে কমিশন। জেনারেটরের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকর্মীদের মোবাইল নম্বর গোপন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, গণনাকক্ষে শুধু পর্যবেক্ষক ও রিটার্নিং অফিসার মোবাইল নিতে পারবেন, এজেন্টদের জন্য তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজ্যের ২৯৪ আসনের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে ৪৩২ জন কাউন্টিং অবজার্ভার। পাশাপাশি থাকছেন পুলিশ পর্যবেক্ষকরাও। নিরাপত্তায় মোতায়েন ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ফলতা কেন্দ্রের বিতর্কিত বুথগুলি নিয়ে ২৪২ জন ভোটকর্মীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে কমিশনে।
সোমবার সকাল আটটা থেকে শুরু হচ্ছে ভোটগণনা। ৭৭টি গণনাকেন্দ্রে হবে ২৯৩ আসনের হিসাব। তার আগে গভীর রাত পর্যন্ত প্রস্তুতি বৈঠক হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। তাঁদের তরফে স্পষ্ট বার্তা, গণনায় কোনও রকম গাফিলতি বা ইচ্ছাকৃত ভুল প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বিরুদ্ধে।







