কলকাতা: আজ ৪ মে, ২০২৬! বাংলার ভাগ্য নির্ধারণের দিন (West Bengal Assembly Election 2026 Result) ! মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) ম্যাজিক কি বজায় থাকবে, নাকি বাজিমাত করবে বিরোধীরা? কোন আসনে কে এগিয়ে, কোথায় হাড্ডাহাড্ডি লড়াই, সব জানতে স্ক্রল করুন।
আরও পড়ুন: ফল ঘোষণার আগেই ‘রঙের লড়াই’! বাজারে গেরুয়া ঝড় না সবুজ ঢেউ, কোন আবিরে এগিয়ে বাংলা?
ডোমকল বিধানসভায় সিপিএমের মোস্তাফিজুর রহমান রানা জয়ী। জলঙ্গিতে জিতল তৃণমূল। রানিনগরে কংগ্রেস প্রার্থী জুলফিকার আলি জিতেছেন।
সোনারপুর দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। কড়া নিরাপত্তার মধ্যে গণনাকেন্দ্র ছাড়লেন এই কেন্দ্রের তৃণমূল প্রার্থী লাভলী মৈত্র।
বাঁকুড়া জেলার ওন্দা, রানিবাঁধ এবং বড়জোড়া কেন্দ্রে জয়ী বিজেপি প্রার্থীরা।
কলকাতার রাসবিহারী বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হলেন বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত।
নন্দীগ্রামে ১৮ রাউন্ড ভোটগণনা শেষে জয়লাভ করলেন শুভেন্দু অধিকারী।
ভবানীপুরে শ্যামাপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়ের বাড়িতে পৌঁছোলেন রাজ্য বিজেপি সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। শ্যামাপ্রসাদের মূর্তিতে মালা দিয়ে শ্রদ্ধা জানালেন তিনি। এর পরে যাবেন মুরলীধর সেন লেনে।
ভোটগণনার মাঝেই দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে। মানুষের রায়দান এখনও সম্পূর্ণ হয়নি। শেষ পর্যন্ত গণনা শেষ হোক, তারপরই সিদ্ধান্ত নিন।”
ভবানীপুরের সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে গণনাকেন্দ্রে প্রবেশের সময় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারীকে মোবাইল ফোন জমা দিতে বলা হয়। নিয়ম অনুযায়ী, গণনাকক্ষে মোবাইল নিয়ে ঢোকার অনুমতি নেই বলেই এই নির্দেশ।
সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে গণনাকেন্দ্রে উপস্থিত হয়েছিলেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তবে তিনি প্রার্থী না হওয়ায় নির্বাচন কমিশন তাঁকে সেখান থেকে বেরিয়ে যেতে বলে। নিয়ম অনুযায়ী, গণনাকক্ষে শুধুমাত্র প্রার্থী বা তাঁদের অনুমোদিত এজেন্টদেরই থাকার অনুমতি রয়েছে।

মেদিনীপুরে ৩৮ হাজারের বেশি ভোটে জিতলেন বিজেপি প্রার্থী শঙ্কর গুছাইত।
ভরতপুরে ২৪৭৮২ ভোটে জয়ী তৃণমূল। খড়গ্রামে ৫৬১১ ভোটে জয়ী বিজেপি।

সাখাওয়াত মেমোরিয়ালের সামনে ভাঙচুর।
৯৭২৫ ভোটে সামসেরগঞ্জে তৃণমূল প্রার্থী মহম্মদ নুর আলম জয়ী।
বহরমপুর বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থী সুব্রত মৈত্র ১৩ রাউন্ড গণনা শেষে ২৩ হাজারের ভোটের বেশি এগিয়ে রয়েছেন। আর দু রাউন্ড গণনা রয়েছে। সম্ভাব্য জয়ী বিজেপি।
ঘাটালের মনসুকায় একাধিক তৃণমূল কার্যালয়ে আগুন, দমকলের ১ টি ইঞ্জিন যাচ্ছে ঘটনাস্থলে।
আসানসোল দক্ষিণ বিধানসভা কেন্দ্রে জয়ী হয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি ৪০ হাজারের বেশি ভোটে বিপুল ব্যবধানে জয় ছিনিয়ে নিয়েছেন। শুরু থেকেই এই কেন্দ্রে লিড ধরে রেখে শেষ পর্যন্ত বড় ব্যবধানে জয়ের মুখ দেখল গেরুয়া শিবির।
ভাঙড়ে জয়ী আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি।
পাখির চোখ ভবানীপুর। বারো রাউন্ড গণনার পর সাখাওতে মেমোরিয়ালে পৌঁছলেন মমতা।
ভগবানগোলায় জিতলেন তৃণমূল প্রার্থী রেয়াত হোসেন সরকার। ৫৬ হাজারের বেশি ভোটে তিনি জিতেছেন।
মন্তেশ্বরে জিতেছেন বিজেপি প্রার্থী সৈকত পাঁজা। ব্যবধান ১৪ হাজারের বেশি।
নবান্নের সামনে বিজেপির কয়েক জন মহিলা কর্মী পতাকা নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে মিছিল করেন। পরে তাঁদের সরিয়ে দেওয়া হয়। ঘটনার পর থেকেই নবান্নের নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
শ্যামপুর বিধানসভা কেন্দ্রে সাত রাউন্ডের গণনা শেষে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী হিরণ চট্টোপাধ্যায়। তিনি বর্তমানে প্রায় আড়াই হাজার ভোটে লিডে আছেন।
ভবানীপুরের সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলের সামনে উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়। সেখানে তৃণমূল কর্মীরা জমায়েত করেছিলেন, উপস্থিত ছিলেন নেতা সুব্রত বক্সীও। পুলিশ তাঁদের সরে যেতে বলার কিছুক্ষণের মধ্যেই এজেসি বোস রোড ধরে বিজেপি সমর্থকদের মিছিল এসে পৌঁছয়। পুলিশের সঙ্গে তর্কাতর্কির পর বিজেপি সমর্থকেরা তৃণমূলের জমায়েতস্থলের কাছে পৌঁছে যায় বলে অভিযোগ। এরপর চেয়ার ভাঙচুরের ঘটনাও ঘটে বলে দাবি তৃণমূলের। এক বিজেপি সমর্থকের দাবি, “গণনাকেন্দ্রের ২০০ মিটারের মধ্যে তৃণমূল জমায়েত করেছিল। অতীতে আমাদের উপর শোষণ হয়েছে, তাই প্রতিবাদ।” ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়ালেও পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করছে।
ভোটের ফল ঘোষণার আবহে সরকারি নথির নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তৎপর প্রশাসন। নবান্ন, মহাকরণ, বিকাশ ভবন, জলসম্পদ ভবন এবং খাদ্য ভবনে পাঠানো হচ্ছে কুইক রেসপন্স টিম। যে কোনও অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি সুরক্ষিত রাখতেই এই পদক্ষেপ বলে প্রশাসনিক সূত্রে খবর। নজরদারি বাড়ানো হয়েছে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ দফতরে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে আধাসেনা মোতায়েন করা হচ্ছে। গণনার দিন নিরাপত্তা আরও জোরদার করতেই এই সিদ্ধান্ত বলে সূত্রের খবর। সংশ্লিষ্ট এলাকায় নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
'হটসিট' ভবানীপুরে ফের এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
পুরুলিয়া জেলার সবক’টি, মোট ৯টি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রাথমিক ট্রেন্ডে বিজেপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন বলে দাবি করা হচ্ছে। গণনার শুরু থেকেই একাধিক কেন্দ্রে ধারাবাহিক লিডে গেরুয়া শিবিরে উচ্ছ্বাস ছড়িয়েছে।
করিমপুর বিধানসভা কেন্দ্রে চতুর্থ রাউন্ডের গণনা শেষে বড় ব্যবধানে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী সোহম চক্রবর্তী। তিনি বর্তমানে ১৪ হাজারেরও বেশি ভোটে লিডে আছেন, শুরু থেকেই এই কেন্দ্রে শক্ত অবস্থান তৈরি করেছে তৃণমূল।
ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রে ছয় রাউন্ডের গণনা শেষে লিড নিলেন আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি। তিনি বর্তমানে প্রায় ১৯২৭ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। দ্বিতীয় স্থানে নেমে গিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী। শুরুতে পিছিয়ে থাকলেও ধীরে ধীরে ব্যবধান গড়ে লিডে এলেন নওশাদ।
রাজ্যের অধিকাংশ কেন্দ্রে প্রাথমিক ট্রেন্ডে বিজেপি প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছে বলে দাবি করা হচ্ছে। এই খবর ছড়িয়ে পড়তেই কাঁকসার পানাগড় বাজারে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে শুরু হয় উচ্ছ্বাস।
জলপাইগুড়ি সদর বিধানসভা কেন্দ্রে গণনাকেন্দ্রের বাইরে চরম উত্তেজনা ছড়ায়। তৃণমূল প্রার্থী কৃষ্ণ দাসের গাড়িকে লক্ষ্য করে ঢিল ছোড়ার পাশাপাশি কর্মীদের মারধরের অভিযোগ উঠেছে বিজেপি কর্মীদের বিরুদ্ধে।

গণনা চলাকালীন ভিডিও বার্তায় দলের কর্মী-সমর্থকদের উদ্দেশে বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “দয়া করে কাউন্টিং এজেন্ট ও প্রার্থীরা এলাকা ছেড়ে যাবেন না। এটা বিজেপির পরিকল্পনা।”
তিনি আরও অভিযোগ করেন, প্রথম দিকের কয়েক রাউন্ডে ইচ্ছাকৃতভাবে কিছু ফলাফল বেশি দেখানো হচ্ছে এবং কিছু জায়গায় গণনা থামিয়ে রাখা হয়েছে। তাঁর দাবি, কল্যাণীতে একাধিক ইভিএম সংক্রান্ত অনিয়ম ধরা পড়েছে।
মমতার বক্তব্য অনুযায়ী, “এসআইআর-এ ভোট লুঠ হয়েছে। ৭০ থেকে ১০০টি আসনে আমরা এগিয়ে আছি, কিন্তু তা প্রকাশ করা হচ্ছে না। মিডিয়ায় ভুল তথ্য ছড়ানো হচ্ছে।”তিনি আরও বলেন, কেন্দ্রীয় বাহিনীর উপস্থিতিতে রাজ্য পুলিশ কাজ করছে এবং কাউকে ভয় না পাওয়ার আহ্বান জানান। শেষ দিকে কর্মীদের উদ্দেশে বলেন, “মন খারাপ করবেন না, সূর্যাস্তের পর তৃণমূলই জিতবে। ১৪-১৮ রাউন্ডের পর ফল স্পষ্ট হবে। আমি পাশে আছি, লড়াই চালিয়ে যান।”
মাথাভাঙা বিধানসভা কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী নিশীথ প্রামাণিক। তিনি প্রায় ১৮,৮৬৫ ভোটে লিডে রয়েছেন।
নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে সপ্তম রাউন্ডের গণনার পর বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী এগিয়ে রয়েছেন। পাশাপাশি ময়না কেন্দ্রে পঞ্চম রাউন্ড শেষে প্রায় ২৫০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন অশোক দিন্দা। মহিষাদল কেন্দ্রেও এগিয়ে বিজেপি।
সোনারপুর দক্ষিণ কেন্দ্রে চতুর্থ রাউন্ডের গণনার পর এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী রূপা গঙ্গোপাধ্যায়। পিছিয়ে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থী লাভলি মৈত্র।
রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে গণনার ট্রেন্ডে বড় ব্যবধান তৈরি হয়েছে। প্রাথমিক হিসাব অনুযায়ী হুমায়ুন কবীর প্রায় ৪৮ হাজারের বেশি ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
যাদবপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃতীয় রাউন্ডের গণনা শেষে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী শর্বরী মুখোপাধ্যায়। তিনি বর্তমানে ৩ হাজারের বেশি ভোটে লিডে রয়েছেন। প্রাথমিক ট্রেন্ডে এই কেন্দ্রে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তেজনা।
দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে বিজেপি প্রার্থী ধ্রুব সাহা প্রায় ২০৬৮ ভোটে লিড নিয়েছেন।
দ্বিতীয় রাউন্ডে প্রায় ৩৭৩০ ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী।
পঞ্চম রাউন্ড শেষে বড় ব্যবধানে এগিয়ে তৃণমূল। প্রার্থী বাইরন বিশ্বাস প্রায় ১০,১২৭ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রতিদ্বন্দ্বীর থেকে।
ভরকেন্দ্র ভবানীপুরে ১৬৭০০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উত্তরপাড়ায় চতুর্থ রাউন্ড শেষে সিপিএম প্রার্থী মিনাক্ষী মুখোপাধ্যায় ১২০০ ভোটে এগিয়ে।
রানাঘাট দক্ষিণ সাংগঠনিক জেলাজুড়ে একাধিক বিধানসভা কেন্দ্রে বিজেপির ভাল ফলের ইঙ্গিত মিলছে প্রাথমিক গণনায়। এই আবহে গণনা কেন্দ্রের বাইরে দলীয় ক্যাম্পে শুরু হয় উচ্ছ্বাস। সাংসদ জগন্নাথ সরকারের উপস্থিতিতে বিজেপি কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দেখা যায় বিজয়োল্লাস।
চাপড়া বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে আইএসএফ প্রার্থী।
দুবরাজপুর,অনুপ কুমার সাহা বিজেপি, ৫৫৫৩ এগিয়ে (২)
হাসন, কাজল শেখ, তৃণমূল, ২৯৮৮ এগিয়ে (১)
লাভপুর,অভিজিৎ সিনহা, তৃণমূল, ২৮৯ এগিয়ে (২)
নানুর,খোকন দাস, বিজেপি ১৩৬৯ এগিয়ে (১)
রামপুরহাট,ধ্রুব সাহা, বিজেপি, ৪৭৫ এগিয়ে (১)
সাঁইথিয়া,কৃষ্ণকান্ত সাহা, বিজেপি ৩৯৪ (১)
বর্ধমান উত্তর বিধানসভা তৃণমূল প্রার্থী ৩২৪৪১ এখনও এগিয়ে আছে।
কাশিপুর বেলগাছিয়া বিজেপি প্রার্থী রীতেশ এগিয়ে ২০৭৯ ভোটে এগিয়ে।
বাঁকুড়া জেলার কোতুলপুর বিধানসভা কেন্দ্রে তৃতীয় রাউন্ডের গণনা শেষে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। তৃণমূল প্রার্থী হরকালী প্রতিহার পেয়েছেন ১১,৩৯৩ ভোট, অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী লক্ষ্মীকান্ত মজুমদার পেয়েছেন ১৭,৬২৫ ভোট। ফলে প্রায় ৬,২৩২ ভোটে লিড নিয়েছে গেরুয়া শিবির।
ভোটগণনা প্রক্রিয়া নিয়ে মুখ খুললেন রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ অগ্রবাল। তিনি বলেন, “আমাদের শক্তভাবে কাজ করতে হবে। যে প্রক্রিয়া চলছে, তা সম্পূর্ণ স্বচ্ছতার সঙ্গে হচ্ছে। শুরু থেকেই আমরা নিয়ম মেনে দলগতভাবে কাজ করার চেষ্টা করেছি। নিজের ইচ্ছেমতো কিছু করা হয়নি, পক্ষপাতিত্বের কোনও জায়গা নেই।”
তিনি আরও জানান, কমিশনের কাজে প্রশাসন ও সব পক্ষের সহযোগিতা মিলেছে বলেই পুরো নির্বাচন প্রক্রিয়া “ফ্রি অ্যান্ড ফেয়ার”ভাবে সম্পন্ন করা সম্ভব হয়েছে। ভোটদানের হার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “প্রায় ৯৩ শতাংশ ভোট দৃষ্টান্তমূলক। বাংলা দেখিয়ে দিয়েছে গণতান্ত্রিক অংশগ্রহণ কেমন হওয়া উচিত।” ফলাফল নিয়ে তিনি মন্তব্য করেন, ফল কেমন হলো তা পর্যবেক্ষণ করা হবে এবং আগামীর ভোটপর্বে তা থেকে শিক্ষা নেওয়া হবে বলেও জানান সিইও।
৪ রাউন্ড শেষে মানিকচক বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী গৌড় চন্দ্র মন্ডল (১৮৯৯২) ভোটে এগিয়ে।
দুর্গাপুর পশ্চিমে বিজেপি প্রার্থী লক্ষণ চন্দ্র ঘড়ুই এগিয়ে। এখনও পর্যন্ত তিনি দুহাজারের উপর ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। তিনি জানান পশ্চিম বর্ধমান জেলার ৯টি সিটি এবার বিজেপি দখল করবে, পাশাপাশি সরকারে আসতে চলেছে বিজেপি।
দ্বিতীয় রাউন্ড গণনার শেষে সিতাই বিধানসভায় তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী সঙ্গীতারায় ১১০১ ভোটে এগিয়ে।
গাইঘাটা বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী সুব্রত ঠাকুর প্রথম রাউন্ড শেষে ১৬০২ ভোটে এগিয়ে বিজেপি।
মেমারিতে বিজেপি প্রার্থী মানব গুহ তৃণমূল কংগ্রেসের রাসবিহারী হালদারের চেয়ে ৪৩০ ভোটে এগিয়ে।
ষষ্ঠ রাউন্ড গণনা শেষে দিনহাটার বিজেপি প্রার্থী অজয় রায় ১৩১৮৮ ভোটে এগিয়ে
দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে ২২৩৫ ভোটে এগিয়ে জলঙ্গি বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী বাবর আলি।
দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে ৩৫২৫ ভোটে এগিয়ে রানিনগর বিধানসভার তৃণমূল প্রার্থী সৌমিক হোসেন।
তৃতীয় রাউন্ড শেষে ৫৮০০ ভোটে এগিয়ে ডোমকলের সিপিআইএম প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান রানা।
সবং বিধানসভা কেন্দ্রে তিন রাউন্ডের গণনা শেষে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। প্রায় ৬৯৩ ভোটে লিড নিয়েছে গেরুয়া শিবির। পিছিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী মানস ভুঁইয়া। শুরুতেই এই কেন্দ্রে জমে উঠেছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই।
ভাঙড় বিধানসভা কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী শওকত মোল্লা। তিনি এখন পর্যন্ত ১৪,৮১৭ ভোট পেয়েছেন এবং প্রায় ৭,৩৭৬ ভোটে লিডে রয়েছেন। শুরু থেকেই এই কেন্দ্রে স্পষ্ট ব্যবধান তৈরি করেছে শাসকদল।
'হটসিট' ভবানীপুরে চলছে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। ফের এগিয়ে গিয়েছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃতীয় রাউন্ডের শেষে মমতার প্রাপ্ত ভোট ৯৩৫৯। বিজেপির প্রাপ্ত ভোট ৮৪৬১। ৮৫৮ বেশি ভোটে এগিয়ে মমতা।

নির্বাচন কমিশনের কন্ট্রোল রুম থেকেই রাজ্যের ভোটগণনা প্রক্রিয়া পর্যবেক্ষণ করছেন মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক (সিইও) মনোজ অগ্রবাল।
ভবানীপুরের সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে গণনাকেন্দ্রের দিকে রওনা দিয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী। সেখানে পৌঁছে পরিস্থিতি খতিয়ে দেখবেন তিনি।
নন্দীগ্রাম কেন্দ্রে তৃতীয় রাউন্ডের গণনা শেষে ব্যবধান আরও বাড়ালেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। বর্তমানে প্রায় ৭০০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি।
ভবানীপুরে পিছিয়ে মমতা। ১৫৫৮ ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী।
খড়্গপুর সদর বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষ।
বরানগরে এগিয়ে সজল ঘোষ, পিছিয়ে সায়ন্তিকা।
প্রাথমিক গণনায় বেলেঘাটা কেন্দ্রে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী কুণাল ঘোষ। পাশাপাশি সবং এবং খণ্ডঘোষ কেন্দ্রেও লিডে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। একাধিক কেন্দ্রে শুরু থেকেই দাপট দেখাচ্ছে শাসকদল।
জলঙ্গি বিধানসভায় ১০৮৩ ভোটে এগিয়ে সিপিএম।
আসানসোল কেন্দ্রে দ্বিতীয় রাউন্ডের গণনা শেষে বড় ব্যবধান তৈরি করেছেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল। প্রায় ৯৫৮৯ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন তিনি, শুরু থেকেই লিড বাড়াচ্ছে গেরুয়া শিবির।
মুর্শিদাবাদ জেলার একাধিক কেন্দ্রে এগিয়ে তৃণমূল। চাপড়া কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ড শেষে প্রায় ৪২০০ ভোটে লিড নিয়েছেন তৃণমূল প্রার্থী জেবের শেখ। অন্যদিকে শমসেরগঞ্জে প্রথম তিন রাউন্ডের গণনায় প্রায় ৩৫০০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী।
দিনহাটা কেন্দ্রে পিছিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী উদয়ন গুহ , ৫৫৭৫ ভোটে পিছিয়ে তিনি।
ডায়মন্ডহারবার বিধানসভায় ২৫৮০ ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী দীপক হালদার।
ফার্স্ট রাউন্ড গণনার শেষে বলরামপুর বিধানসভায় বিজেপি প্রার্থী জলধর মাহাতো ১৫৯১ ভোটে এগিয়ে তিনি।
রাসবিহারী কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী স্বপন দাশগুপ্ত। আপাতত ২৬৭৩ ভোটে এগিয়ে বলে সূত্রের খবর
ছাতনা বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনায় এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী সত্যনারায়ণ মুখোপাধ্যায়। প্রায় ১৫১৮ ভোটে লিড নিয়েছেন তিনি। পাশাপাশি ওন্দা কেন্দ্রেও প্রথম রাউন্ড শেষে ২৮৫০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অমরনাথ শাখা।
গোঘাট ও শিবপুর কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শিবপুরে লিডে বিজেপি প্রার্থী রুদ্রনীল ঘোষ। অন্যদিকে সুজাপুর, কাকদ্বীপ ও সিতাই কেন্দ্রে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। বিভিন্ন কেন্দ্রে টানটান উত্তেজনা বজায় রয়েছে।
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনা শেষে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি পেয়েছেন ৩৬৬৬ ভোট, অন্যদিকে বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী পেয়েছেন ১৬৭০ ভোট। ফলে প্রায় ১৯৯৬ ভোটে লিড নিয়েছেন মমতা।
ভবানীপুরের সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুল থেকে প্রতিক্রিয়া দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভ্রাতৃবধূ কাজরী বন্দ্যোপাধ্যায়। তিনি বলেন, “এই গণনাকেন্দ্রে কড়াকড়ি একটু বেশি। এখনও আমরা তেমন কোনও নির্দিষ্ট তথ্য পাইনি। এখন তো সবাইকেই কোথাও এগিয়ে, কোথাও পিছিয়ে দেখানো হচ্ছে। তবে শেষ পর্যন্ত তৃণমূলই আসবে।”
ওন্দা বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ড শেষে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অমরনাথ শাখা। প্রায় ২৮৫০ ভোটে লিড নিয়েছেন তিনি।
মেখলিগঞ্জ কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনায় এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী দধিরাম রায়। প্রায় ২৭২৭ ভোটে লিড নিয়েছেন তিনি।
সিঙ্গুর কেন্দ্রে তৃণমূল প্রার্থী বেচারাম মান্না প্রায় ৩৯৭ ভোটে এগিয়ে। অন্যদিকে আসানসোল দক্ষিণে দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে প্রায় ৯৫৮৯ ভোটে লিড বাড়িয়েছে বিজেপি।
বালীগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়।
কোচবিহার জেলার প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে বিজেপি। দিনহাটা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ড শেষে বিজেপি প্রার্থী অজয় রায় ১৬৪৭ ভোটে লিড নিয়েছেন। অন্যদিকে মাথাভাঙা কেন্দ্রেও এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি নেতা নিশীথ প্রামানিক। জেলার একাধিক কেন্দ্রে শুরুতেই দাপট দেখাচ্ছে গেরুয়া শিবির।
জলপাইগুড়ির রাজগঞ্জ এবং মুর্শিদাবাদের ভগবানগোলা, দুই কেন্দ্রেই প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছে বিজেপি।
ক্যানিং পূর্ব কেন্দ্রে আরাবুল ইসলামকে পিছনে ফেলে প্রায় ২৩২০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী বাহারুল ইসলাম।
কলকাতার শ্যামপুকুর কেন্দ্রে প্রাথমিক ট্রেন্ডে পিছিয়ে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা।
এন্টালি কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় ৫১০৮ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী। অন্যদিকে বিনপুর কেন্দ্রে লিডে রয়েছে বিজেপি।
বাঁকুড়া কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ড শেষে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী নিলাদ্রীশেখর দানা। প্রায় ২৪২৮ ভোটে লিড নিয়েছেন তিনি।
সুতি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনায় প্রায় ১৫০০ ভোটে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী। শুরু থেকেই লিড ধরে রেখেছে শাসকদল।
রেজিনগর বিধানসভা কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছেন হুমায়ুন কবীর। বর্তমানে প্রায় ৫৪৯৫ ভোটে লিড নিয়েছেন তিনি, যা শুরুতেই উল্লেখযোগ্য ব্যবধান।
গঙ্গারামপুর কেন্দ্রে দ্বিতীয় রাউন্ডের গণনায় কিছুটা কমেছে ব্যবধান। তৃণমূল প্রার্থী গৌতম দাস এখন প্রায় ৫০০ ভোটে এগিয়ে রয়েছেন। লড়াই ক্রমশ জমে উঠছে এই কেন্দ্রে।
ভোটগণনা চলাকালীনই নিজের পর্যবেক্ষণ সামনে আনলেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর দাবি, “প্রাথমিকভাবে দেখছি হিন্দু ইভিএম বিজেপির, মুসলিম ইভিএম তৃণমূলের তবে আগের মতো নয়।” নন্দীগ্রাম প্রসঙ্গে তিনি বলেন, প্রথম রাউন্ডেই প্রায় ৩০০০ ভোটে এগিয়ে আছেন, যা তাঁর প্রত্যাশার তিনগুণ বেশি। ভবানীপুর নিয়েও আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু। তাঁর কথায়, “ওখানে টক্কর হবে। আটটি হিন্দু বুথে আমি লিডে আছি। ৯-১০ রাউন্ড থেকে দেখবেন আমি অনেক এগিয়ে যাব। ১০ রাউন্ডের পর আমাকে হারানো কঠিন হয়ে যাবে।”
পশ্চিম বর্ধমান জেলার আসানসোল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ, কুলটি, রানিগঞ্জ, জামুরিয়া ও বারাবানি বিধানসভায় বিজেপি এগিয়ে।
মুর্শিদাবাদ ও নবগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনায় বিজেপি এগিয়ে।
রায়গঞ্জে পিছিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস
উত্তর হাওড়া কেন্দ্রে প্রাথমিক ট্রেন্ডে পিছিয়ে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থী গৌতম চৌধুরী। শুরু থেকেই এই কেন্দ্রে লড়াই জমে উঠেছে।
পশ্চিম বর্ধমান জেলার একাধিক কেন্দ্রে সামনে আসছে বিজেপির লিড। আসানসোল উত্তর, আসানসোল দক্ষিণ এবং কুলটি—এই তিনটি বিধানসভা কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে গেরুয়া শিবির।
কান্দি বিধানসভা কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। শুরুতেই এই লিড ঘিরে নজর কাড়ছে গেরুয়া শিবির।
নাকাশিপাড়া কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী কল্লোল খাঁ। শুরু থেকেই এই কেন্দ্রে লিড ধরে রেখেছে শাসকদল।
বহরমপুর কেন্দ্রে প্রথম রাউন্ডের গণনায় এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে কংগ্রেস। প্রায় ১২০০ ভোটে পিছিয়ে রয়েছেন কংগ্রেস নেতা অধীর চৌধুরী।
মন্তেশ্বর কেন্দ্রে প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী সৈকত পাঁজা। শুরুতেই লিড নিয়ে চাপে রেখেছে প্রতিপক্ষকে।
মহেশতলা কেন্দ্রে বড় ব্যবধান তৈরি করেছে তৃণমূল কংগ্রেস। প্রার্থী শুভাশিস দাস প্রায় ১৩ হাজার ভোটে এগিয়ে রয়েছেন।
দেগঙ্গা কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী আনিসুর রহমান। শুরু থেকেই লিড ধরে রেখেছে শাসকদল।
আসানসোল দক্ষিণ কেন্দ্রে প্রাথমিক ট্রেন্ডে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পাল।
কালিম্পঙ কেন্দ্রের প্রাথমিক গণনায় পিছিয়ে পড়েছেন বিজেপি প্রার্থী ভরত কুমার ছেত্রী। সেখানে ৪৫৭ ভোটে লিড নিয়েছে গোর্খা প্রজাতান্ত্রিক মোর্চা (জিপিএম)। পাহাড়ি এই কেন্দ্রে শুরু থেকেই জমে উঠেছে লড়াই।
প্রথম রাউন্ডের গণনার পর ফালাকাটা বিধানসভা কেন্দ্রে দু’হাজার ভোটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী দীপক বর্মন।
ক্যানিং পশ্চিমে এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী পরেশ রাম দাস।
মধ্য হাওড়ায় এগিয়ে তৃণমূল প্রার্থী অরূপ রায়।
দিনহাটা কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অজয় রায়। বর্তমানে ১৪৭ ভোটে লিড নিয়েছে গেরুয়া শিবির
নন্দীগ্রামে ৩০০০ ভোটে এগিয়ে শুভেন্দু অধিকারী।
ঝাড়গ্রাম কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি। প্রাথমিক হিসাবে প্রায় ৯৭৬ ভোটে লিড নিয়েছে গেরুয়া শিবির। শুরুতেই এই ব্যবধান ঘিরে বাড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
মুর্শিদাবাদের ডোমকল কেন্দ্রে প্রাথমিক গণনায় এগিয়ে রয়েছেন সিপিএম প্রার্থী। শুরুতেই এই লিড ঘিরে জেলায় নজর কাড়ছে বাম শিবিরের উপস্থিতি।
দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার প্রাথমিক গণনায় পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে রয়েছে বিজেপি। বিষ্ণুপুর ও বজবজ কেন্দ্র, দুটিতেই লিড নিয়েছে গেরুয়া শিবির। শুরুতেই এই ট্রেন্ড ঘিরে জেলায় বাড়ছে রাজনৈতিক চাপানউতোর।
মুর্শিদাবাদ জেলার প্রাথমিক গণনায় সামনে আসছে ভিন্ন ছবি। পোস্টাল ব্যালটের হিসাবে জঙ্গিপুর কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি। অন্যদিকে সুতিতে লিড নিয়েছে কংগ্রেস প্রার্থী। শমসেরগঞ্জেও এগিয়ে রয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে শুরু থেকেই জমে উঠছে ত্রিমুখী লড়াই।
বীরভূম জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে সামনে আসছে প্রাথমিক লিডের ছবি। সিউড়ি ও দুবরাজপুর কেন্দ্রে এগিয়ে বিজেপি। অন্যদিকে ময়ূরেশ্বর, বোলপুর এবং লাভপুরে লিড নিয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার একাধিক কেন্দ্রে পাল্টাপাল্টি এগিয়ে থাকার লড়াইয়ে জমে উঠছে রাজনৈতিক সমীকরণ।
প্রাথমিক গণনায় পূর্ব বর্ধমান জেলায় এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস। জেলার পাঁচটি আসনে লিড নিয়েছে শাসকদল।
নদিয়ার কালীগঞ্জে আপাতত এগিয়ে তৃণমূল।
মালদহ জেলার একাধিক কেন্দ্রে সামনে আসছে প্রাথমিক ট্রেন্ড। হরিশ্চন্দ্রপুর, রতুয়া, মালদহ ও সুজাপুর কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছে তৃণমূল কংগ্রেস। অন্যদিকে গাজোল ও ইংরেজবাজার কেন্দ্রে আপাতত এগিয়ে বিজেপি। জেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে ভিন্ন ভিন্ন ছবিতে জমে উঠছে লড়াই।
প্রাথমিক গণনার ট্রেন্ডে পানিহাটি কেন্দ্রে নজরকাড়া ফল। এগিয়ে রয়েছেন ‘অভয়ার মা’ রত্না দেবনাথ। পিছিয়ে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী তীর্থঙ্কর ঘোষ এবং সিপিএম প্রার্থী কলতান দাশগুপ্ত। শুরুর এই ফলেই কেন্দ্রটিকে ঘিরে বাড়ছে জল্পনা।
প্রথম দফার ট্রেন্ডে ভাঙড় কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী শওকত মোল্লা। পিছিয়ে পড়েছেন আইএসএফ প্রার্থী নওশাদ সিদ্দিকি। অন্যদিকে নওদা কেন্দ্রে এগিয়ে আম জনতা উন্নয়ন পার্টির হুমায়ুন কবীর।
ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই। এই মুহূর্তে এগিয়ে তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। অন্যদিকে, নন্দীগ্রামে এগিয়ে শুভেন্দু।

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা চলছে সাখাওয়াত মেমোরিয়াল স্কুলে। সকাল থেকেই সেখানে নজিরবিহীন নিরাপত্তা ব্যবস্থা চোখে পড়ছে। গণনাকেন্দ্রের বাইরে নির্বাচন কমিশনের বিজ্ঞপ্তি ব্যানার আকারে টাঙানো হয়েছে। নিয়ম-কানুন স্পষ্ট করে জানাতে এই পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।
গণনার শুরুর ট্রেন্ডেই নজরকাড়া ছবি। আসানসোল কেন্দ্রে এগিয়ে রয়েছেন বিজেপি প্রার্থী অগ্নিমিত্রা পল। অন্যদিকে শ্যামপুকুরে পিছিয়ে পড়েছেন তৃণমূল প্রার্থী শশী পাঁজা। পাশাপাশি মানিকতলা-বৌবাজার সংলগ্ন বলরামপুর এলাকাতেও পোস্টাল ব্যালটে এগিয়ে বিজেপি প্রার্থী। প্রাথমিক ট্রেন্ড ঘিরে চড়ছে রাজনৈতিক উত্তাপ।
বালিগঞ্জে গণনা কেন্দ্রের বাইরে তৈরি হল উত্তপ্ত পরিস্থিতি। কংগ্রেসের অভিযোগ, তাঁদের এজেন্টদের বসতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। এই অভিযোগ ঘিরেই শুরু হয় বিক্ষোভ। মুহূর্তে পরিস্থিতি তীব্র আকার নেয়, তৈরি হয় বিশৃঙ্খলা। ঘটনাস্থলে উপস্থিত পুলিশ পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছে।
রাজ্যের ২৯৩টি বিধানসভা কেন্দ্রে শুরু হয়ে গেল বহুল প্রতীক্ষিত ভোটগণনা। প্রথমে গণনা হবে পোস্টাল ব্যালটের। তারপর ধাপে ধাপে শুরু হবে ইভিএমের ভোটগণনা। নজর এখন ফলাফলের ট্রেন্ডের দিকে।

ভবানীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভোটগণনা হচ্ছে সাখাওয়াত মেমরিয়াল স্কুলে। ভোর থেকেই সেখানে চোখে পড়ছে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা। স্কুলের সামনে ও আশপাশের রাস্তায় ব্যারিকেড বসানো হয়েছে। এজেসি বোস রোড ক্রসিং থেকে শুরু করে পুরো এলাকা কার্যত নিয়ন্ত্রিত। মোতায়েন রয়েছে বিপুল পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী। পরিস্থিতি তদারকিতে ঘটনাস্থলেই উপস্থিত কলকাতা পুলিশের অ্যাডিশনাল সিপি ডিপি সিংহ।

ভোটগণনার দিন কলকাতাজুড়ে নিরাপত্তায় কোনও খামতি রাখেনি প্রশাসন। শহরের বিভিন্ন গণনাকেন্দ্রের বাইরে জারি করা হয়েছে ১৬৩ ধারা। ভোর ৫টা থেকে গণনা শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিধিনিষেধ বলবৎ থাকবে। আইনশৃঙ্খলা বজায় রাখতে মোতায়েন রয়েছে পর্যাপ্ত পুলিশ বাহিনী, সঙ্গে নজরদারিও চলছে কড়া হাতে।
২৩ এপ্রিল প্রথম দফায় ১৬ জেলার ১৫২ আসনে ভোট হয়। দ্বিতীয় দফায় দক্ষিণবঙ্গের সাত জেলার ১৪২ আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়। মোট ২৯৪ আসনের মধ্যে আজ গণনা হচ্ছে ২৯৩টি কেন্দ্রে। দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা আসনে অনিয়মের অভিযোগে ভোট বাতিল করেছে কমিশন। সেখানে ২১ মে পুনর্নির্বাচন, গণনা ২৪ মে। ফলে সরকার গড়ার ম্যাজিক ফিগার ১৪৮ থেকে কমে দাঁড়িয়েছে ১৪৭-এ।
গণনা শুরুর আগেই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে নেতাজি ইন্ডোর স্টেডিয়াম। কাউন্টিং সেন্টারে নিরাপত্তারত বাহিনীর সঙ্গে বাকবিতণ্ডায় জড়ান শ্যামপুকুরের তৃণমূল প্রার্থী তথা মন্ত্রী শশী পাঁজা। পরিস্থিতি সামাল দিতে তৎপর হয় কর্তৃপক্ষ।
ফল ঘোষণার পর বিজয় মিছিল নিয়েও সতর্ক নির্বাচন কমিশন। জেলাশাসকদের আশঙ্কা, মিছিল ঘিরে অশান্তি ছড়াতে পারে। অতীত অভিজ্ঞতার কথা মাথায় রেখে এ বার মিছিলের ক্ষেত্রে পুলিশের অনুমতি বাধ্যতামূলক করার ভাবনা। মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিক মনোজ আগরওয়াল জানিয়েছেন, স্থানীয় প্রশাসন ও পুলিশের সুপারিশের ভিত্তিতেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
গণনার সময় বিদ্যুৎ বিভ্রাট এড়াতে বিদ্যুৎ সংস্থাগুলির সঙ্গে একাধিক বৈঠক করেছে কমিশন। জেনারেটরের ব্যবস্থাও রাখা হয়েছে। পাশাপাশি গণনাকর্মীদের মোবাইল নম্বর গোপন রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, গণনাকক্ষে শুধু পর্যবেক্ষক ও রিটার্নিং অফিসার মোবাইল নিতে পারবেন, এজেন্টদের জন্য তা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
কমিশনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, রাজ্যের ২৯৪ আসনের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে ৪৩২ জন কাউন্টিং অবজার্ভার। পাশাপাশি থাকছেন পুলিশ পর্যবেক্ষকরাও। নিরাপত্তায় মোতায়েন ২০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী। ফলতা কেন্দ্রের বিতর্কিত বুথগুলি নিয়ে ২৪২ জন ভোটকর্মীর বিরুদ্ধে রিপোর্ট পাঠানো হয়েছে কমিশনে।
সোমবার সকাল আটটা থেকে শুরু হচ্ছে ভোটগণনা। ৭৭টি গণনাকেন্দ্রে হবে ২৯৩ আসনের হিসাব। তার আগে গভীর রাত পর্যন্ত প্রস্তুতি বৈঠক হয়েছে নির্বাচন কমিশনের। তাঁদের তরফে স্পষ্ট বার্তা, গণনায় কোনও রকম গাফিলতি বা ইচ্ছাকৃত ভুল প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের বিরুদ্ধে।







