ওয়েবডেস্ক- রাজ্যের সংশোধনাগারগুলির (State Penitentiary) পরিস্থিতি নিয়ে রিপোর্ট তলব কলকাতা হাইকোর্টের (High Court) । বিচারপতি দেবাংশু বসাক (Justice Debangshu Basak) ও বিচারপতি মহম্মদ সাব্বাক রাশিদির ( Justice Muhammad Sabbak Rashidi) ডিভিশন বেঞ্চের নির্দেশ ৯ মার্চের মধ্যে রাজ্যকে রিপোর্ট দিতে হবে। রাজ্যের রিপোর্টে উল্লেখ থাকতে হবে, সংশোধনাগার গুলোতে কর্মচারী পর্যাপ্ত আচ্ছে কিনা? শূন্যপদ থাকলে সেখানে নিয়োগ করা হয়েছে কিনা?
২০২২ সালের ১ জানুয়ারি থেকে জানুয়ারি ২০২৬ কতজনের মৃত্যু হয়েছে জেলে? কেউ মারা গেলে তাদের ক্ষতিপূরণ দেওয়া হয়েছে কিনা? সংশোধনাগারগুলির ক্যাপাসিটির থেকে কতজন বেশি রয়েছে? রাজ্যে কটা সংশোধনাগার রয়েছে? নতুন সংশোধনাগার বানাতে গেলে কত খরচ হবে, কতজনের রাখার ব্যবস্থা করা যেতে পারে? বন্দীদের অসুস্থতায় তারা কি ধরনের চিকিৎসার সুবিধা পেতে পারে? বাচ্চা, শিশু, প্রেগন্যান্ট মহিলাদের চিকিৎসার কি ব্যবস্থা আছে? যদি কোনও শিশু পিতামাতার সঙ্গে সংশোধনাগারে থাকে তাঁদের শিক্ষার কি ব্যবস্থা আছে?
আরও পড়ুন- টুকলি রুখতে পরীক্ষাকেন্দ্রগুলিতে কড়া নিরাপত্তা!
উল্লেখ্য, চলতি বছরের জানুয়ারি মাসে হাইকোর্টের ভর্ৎসনার মুখে পড়েছিল রাজ্য সরকার। রাজ্যের সংশোধনাগারগুলির বেহাল দশা ক্ষোভ প্রকাশ করে আদালত। হাইকোর্ট জানিয়ে দেয়, শুধুমাত্র কমিটি গঠন করলেই হবে না, কাজ চাই। আর সেটা রাজ্যকেই নিশ্চিত করতে হবে, স্পষ্ট বার্তা দেয় আদালত। সংশোধনাগারের সংস্কারের কাজে কোনও ঢিলেমি বরদাস্ত করা হবে না। সেই সঙ্গে আদালত বুঝিয়ে দেয়, সংশোধনাগার শুধুমাত্র বিচারাধীন বা সাজাপ্রাপ্ত বন্দিদের রাখার জায়গায় নয়। তাদের মানবাধিকার রক্ষার দায়িত্বও নিতে হবে। এই নির্দেশ দিয়ে আদালত বুঝিয়ে দেয়, বন্দিদের নাগরিক অধিকার যদি লঙ্ঘিত হয় তাহলে আদালত আরও কঠোর পদক্ষেপ নিতে পারে।







