কলকাতা: সাইবার প্রতারণা মামলায় ( Cyber Crime Case) গ্রেফতার শিল্পপতি পবন রুইয়া (Pawan Ruia Arrested)। নিউটাউন থেকে গ্রেফতার করা হয় তাঁকে। জানা গিয়েছে, ৬০০ কোটি টাকার সাইবার প্রতারণা মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে। কিছুদিন আগেই রাজ্য পুলিশের (West Bengal Police)সাইবার ক্রাইম শাখায় এফআইআর দায়ের করা হয়। আর তারপর আজ ইকো পার্কের কাছে শিল্পপতিকে গ্রেফতার করে পুলিশ।২০২৪ সালে বিধাননগরের ইকো পার্ক থানায় স্বপন কুমার মণ্ডল নামে এক ব্যক্তির দায়ের করা অভিযোগের ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ বলে পুলিশ সূত্রে খবর।
অভিযোগ, দেশ জুড়ে বিভিন্ন অনলাইন প্রতারণার টাকা ঢুকেছে পশ্চিমবঙ্গের শিল্পপতি পবন এবং তাঁর পরিবারের সদস্যদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে। অভিযোগের তদন্তে নেমে প্রাথমিক ভাবে ৩১৫ কোটি টাকার হদিস পান সাইবার বিশেষজ্ঞেরা। এরপর গত নভেম্বর মাসে রাজ্য পুলিশের সাইবার অপরাধ বিভাগ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে একটি এফআইআর দায়ের করে।পবন ও তাঁর পরিবারের নামে অসংখ্য ‘শেল কোম্পানি’ বা ভুয়ো সংস্থা রয়েছে। সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে হাতিয়ে নেওয়া টাকা এই সমস্ত সংস্থার অ্যাকাউন্টে জমা রাখা হত। বালিগঞ্জের সৈয়দ আমির আলি অ্যাভিনিউয়ের ‘রুইয়া সেন্টার’ থেকেই এই সমস্ত সন্দেহভাজন অ্যাকাউন্টগুলি পরিচালিত হত বলে অভিযোগ।গত নভেম্বর মাসে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সাইবার অপরাধ বিভাগ স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে পবনদের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল। তদন্তকারীরা পবনের বাড়িতেও তল্লাশি চালিয়েছিলেন সে সময়।
আরও পড়ুন: আগামী সপ্তাহে মনোনয়ন জমা দিতে পারেন মমতা, মিছিল করে সার্ভে বিল্ডিংয়ে যাবেন
পবন ছাড়াও এই মামলায় নাম জড়িয়েছে তাঁর পুত্র রাঘব এবং কন্যা পল্লবীর। পবনকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করতে সক্রিয় হয়েছিল পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের সাইবার অপরাধ বিভাগ। কিন্তু আগাম জামিন চেয়ে কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েছিলেন পবনেরা। ডিসেম্বরে তাঁদের সেই আবেদন মঞ্জুর করেছিল উচ্চ আদালত। ২০২৪ সালে স্বপনের দায়ের করা অভিযোগের তদন্তে নামার পরে সাইবার সেলের কাছে ১৯০০-এর বেশি ভুক্তভোগী এনসিআরপি-র মাধ্যমে সাইবার প্রতারণার অভিযোগ জানিয়েছেন রুইয়া পরিবারের বিরুদ্ধে। মোট প্রতারণার অঙ্ক অন্তত ৬০০ কোটি বলে পুলিশের দাবি। পবন রুইয়ার সঙ্গে পুলিশের সংঘাত এই প্রথম নয়। এর আগে ২০১৬ সালে জেসপ কারখানা থেকে রেলের সরঞ্জাম চুরির মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল।







