HomeScrollভবানী ভবন ছেড়ে বেরোলেন কুণাল ঘোষ
Kunal Ghosh

ভবানী ভবন ছেড়ে বেরোলেন কুণাল ঘোষ

প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা পর ভবানী ভবন ছাড়েন বেলেঘাটার বিধায়ক

কলকাতা: ভবানী ভবন (Bhawani Bhawan) ছেড়ে বেরিয়ে গেলেন কুণাল ঘোষ (Kunal Ghosh)। প্রায় সাড়ে তিন ঘণ্টা সিআইডির (CID) ম্যারাথন জিজ্ঞেসাবাদের পর বেরিয়ে আসেন তিনি। সূত্রের খবর, এদিন তাঁকে প্রথমে আলাদা করে জেরা করা হয়। পড়ে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Abhishek Banerjee) সামনে বসে জেরা করা হয় বেলেঘাটার বিধায়ককে।

বিতর্কিত স্বাক্ষর কাণ্ডে (Signature Case) এবার তদন্তের গতি বাড়াল সিআইডি (CID)। রবিবার একদিকে জেরা করা হচ্ছে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Abhishek Banerjee)। দুপুর ১২টায় হাজিরার পর এখনও প্রায় আট ঘণ্টা টানা জিজ্ঞেসাবাদ চলছে তৃণমূল সাংসদের।

আরও পড়ুন: ‘অভিষেক নয়, মমতার নেতৃত্বেই আস্থা’, শর্ত বেঁধে বার্তা ‘নব্য তৃণমূল’-এর মুখ্য সচেতক আখরুজ্জামানের

উল্লেখ্য, রবিবার বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ভবানীভবনে পৌঁছান অভিষেক (Abhishek Banerjee)। তার পর কেটে গিয়েছে তিন ঘণ্টার বেশি সময়। এখনও তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকে জেরা চালাচ্ছেন তদন্তকারীরা। তার পর এবার হাজিরা দিলেন কুণাল। সূত্রের খবর, বিতর্কিত স্বাক্ষর কাণ্ডে অভিষেক ও কুণাল ঘোষকে (Kunal Ghosh) আজ মুখোমুখি বসিয়ে জেরা করা হতে পারে। বলে রাখা দরকার, এর আগে গত ১১ জুন এই মামলায় প্রায় সাড়ে পাঁচ ঘণ্টা ধরে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে ম্যারাথন জেরা করেছিলেন তদন্তকারীরা, কিন্তু তাঁর জবাবে সন্তুষ্ট না হওয়ায় আজ রবিবার ফের তাঁকে তলব করা হয়।

গোটা ঘটনার সূত্রপাত তৃণমূলের বিরোধী দলনেতার বাছাই নিয়ে। গত ৯ মে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee) স্পিকারকে লিখিতভাবে জানিয়েছিলেন, গত ৬ মে-র বৈঠকে তৃণমূলের পরিষদীয় বৈঠকে বিরোধী দলনেতা হিসেবে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়, সহ বিরোধী দলনেতা হিসেবে অসীমা পাত্র ও নয়না বন্দ্যোপাধ্যায় ও চিপ হুইপ হিসেবে ফিরহাদ হাকিমকে নিয়োগের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এর পরেই বিধানসভার সচিব অভিষেকের কাছে ওই বৈঠকের স্বাক্ষর সম্বলিত রেজোলিউশন বুক চান। তা গত ২০ মে জমা দেন অভিষেক। সেখানে তিনি দাবি করেছিলেন, গত ৬ মে-র ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন ৭০ জন বিধায়ক। আর তাঁদের স্বাক্ষর ওই রেজিলিউশন বুকে রয়েছে।

তবে তৃণমূলের দুই বিধায়ক অভিযোগ করেছিলেন, ৬-মের বৈঠকে বিরোধী দলনেতা বাছাই সংক্রান্ত কোনও প্রস্তাব গ্রহণ করা হয়নি। তাঁরা রেজিলিউশন বুকে ১৯-মের বৈঠকে সই করেছিলেন। ফলে ৬-মের স্বাক্ষরের বিষয়টি পুরো ‘জাল’ ছিল বলে অভিযোগ করেছিলেন অভিযোগকারীরা। এই মামলার তদন্তে নেমে ১৩ জন তৃণমূল বিধায়কের বয়ান রেকর্ড করেছিল সিআইডি। সেই মামলার তদন্তে অভিষেক ও কুণাল ঘোষকে জেরা করছে সিআইডি-র বিশেষ তদন্তকারী দল।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News