Wednesday, March 4, 2026
HomeScrollসাজা শুনে আদালতে কেঁদে ফেললেন সঞ্জয়

সাজা শুনে আদালতে কেঁদে ফেললেন সঞ্জয়

কলকাতা: আরজি করের (RG Kar Case) তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ ও খুনের মামলায় সঞ্জয় রায়ের আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ আদালতে। বিচারকের সাজা ঘোষণার পরই কাঁদো কাঁদে মুখে কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে থাকতে দেখা গেল সঞ্জয় রায়কে (Civic Volunteer Sanjay Roy)। বিড়বিড় করে কিছু বলতে থাকেন তিনি। গত শনিবার বিচারক দাস ভারতীয় ন্যায় সংহিতার ৬৩ (ধর্ষণ), ৬৪ (ধর্ষণের সময় এমন ভাবে আঘাত করা, যাতে মৃত্যু হয়), ১০৩ (১) নং (খুন) ধারায় দোষী সাব্যস্ত করে ছিল সঞ্জয় রায়কে। সোমবার দুপুর ২:৪৫ সাজা ঘোষণা করলেন বিচারক অনিবার্ণ দাস। সাজা ঘোষণা করে বিচারক দাস বলেন, আপনাকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে। সঞ্জয় রায়য়ের অপরাধ ‘বিরলতম’ নয়। তাকে আমৃত্যু কারাদণ্ড দিচ্ছে আদালত।

রায়ের দিকে তাকিয়ে ছিল জুনিয়র ডাক্তার থেকে নির্যাতিতার মা-বাবা, সারা দেশে শহর ও রাজ্যবাসী তাকিয়ে ছিল। অবশেষে ১৬৪ দিন পর বিচার পেলেন আরজিকরের নির্যাতিতা। আরজি কর (RG Kar Case) কাণ্ডে যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজা সঞ্জয় রায়ের। বিএনএস- ৬৬ নম্বর ধারায় সঞ্জয় রায়কে আমৃত্যু কারাদণ্ডের নির্দেশ আদালতের। নির্যাতিতার পরিবারকে ১৭ লাখ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে রাজ্য সরকারকে। সেই সঙ্গে ৫০ হাজার টাকা জরিমানা করে আদালত। সাজা শুনে আদালতে কেঁদে ফেললেন সঞ্জয় রায়। তাঁর আইনজীবী বলেন, আপনাকে মৃত্যদণ্ড নয়, আমৃত্যু কারাবাস দেওয়া হয়েছে। সঞ্জয় বলেন, ‘‘আমার তো বদনাম হয়ে গেল।’

বিচারক দাস বলেন,  এই ঘটনা বিরলের থেকে বিরলতম নয়। তাই মৃত্যুদণ্ডের সাজা শোনানো যায়না। সেই জন্য আমৃত্যু কারাবাস দিয়েছেন। বিচারক দাস বলেন, ‘‘আপনাকে জীবনের শেষ দিন পর্যন্ত জেলে থাকতে হবে। দোষীর আমৃত্যু কারাদণ্ড ছাড়াও সাত লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছে আদালত। সব মিলিয়ে ১৭ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দিতে হবে সরকারকে। জরিমানার টাকা না দিলে পাঁচ মাস অতিরিক্ত কারাবাসের নির্দেশ। নির্যাতিতার বাবা অবশ্য জানান, ক্ষতিপূরণ চান না। তাঁর উদ্দেশে বিচারক বলেন, আপনি মনে করবেন না টাকা দিয়ে ক্ষতিপূরণের চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে আইনের বিধান অনুযায়ী এই ক্ষতিপূরণের নির্দেশ দিয়েছি।

আরও পড়ুন: আমাদের ক্ষতিপূরণের প্রয়োজন নেই আমরা চাই মেয়ের খুনির উপযুক্ত শাস্তি- নির্যাতিতার বাবা

গত ৯ অগস্ট আরজি কর হাসপাতালের চেস্ট মেডিসিন বিভাগের সেমিনার হল থেকে মহিলা চিকিৎসকের দেহ উদ্ধার হয়। তাঁকে ধর্ষণ এবং খুন করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠে। ১০ অগস্ট টালা থানার পুলিশের হাতে গ্রেফতার হন সঞ্জয়। হাসপাতাল ও সেমিনার রুমের বাইরের সিসিটিভি ফুটেজে সঞ্জয় রায়কে সেমিনার রুমে ঢুকতে ও বেরতে দেখা গিয়েছে। এমনকী সঞ্জয়ের ছেঁড়া হেডফোনের অংশও সেমিনার রুম থেকে উদ্ধার করেছিল পুলিশ। সিসিটিভি ফুটেজে দেখা গিয়েছিল সেমিনারে রুমে ঢোকার সময় সঞ্জয়ের গলায় হেডফোনের ঝুলছিল। কিন্তু সেমিনার রুম থেকে বের হওয়ার সময় সঞ্জয়ের গলায় হেডফোন ছিলনা। সেই সব তথ্যের প্রমাণের ভিত্তিতেই সঞ্জয় রায়কে গ্রেফতার করেছিল টালা থানার পুলিশ। এরপর আদালতে চার্জশিট পেশ করে ধৃত সিভিক ভলান্টিয়ারকে একমাত্র ‘অভিযুক্ত’ হিসাবে উল্লেখ করে সিবিআই। আদালতে তাঁর ‘সর্বোচ্চ শাস্তি’র আবেদন করেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী। নির্যাতিতার শরীরে ষে ক্ষত চিহ্ন সঙ্গে সঞ্জয়ের দাঁতের ছাপ মিলে গিয়েছিল। এমনকী সঞ্জয়ের লালারসের সঙ্গে নির্যাতিতা তরুণী স্যাম্পেল মিলে যায়। তরুণী চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুনের ঘটনায় তোলপাড় হয় বাংলা। লক্ষ লক্ষ মানুষের প্রতিবাদে উত্তাল হয় দেশও। ৫ মাস ১১ দিন পর বিচার পেল অভয়া।

অন্য খবর দেখুন

Read More

Latest News

toto DEPOBOS evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 DEPOBOS idn poker 88 situs slot gacor https://www.demeral.com/it/demeral_software/ BWO99 slot 5000 poker situs slot gacor joker toto slot maxwin slot maxwin situs bola Depobos