Tuesday, February 17, 2026
HomeScrollভোটের আবহে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সংযত আচরণবিধির পরামর্শ, সুপ্রিম কোর্টের

ভোটের আবহে রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের সংযত আচরণবিধির পরামর্শ, সুপ্রিম কোর্টের

সাংবিধানিক পদে থাকা ব্যক্তিদের 'সাংবিধানিকভাবে অশোভন' বক্তব্য রোধে নির্দেশিকার আবেদনে শুনানি

ওয়েবডেস্ক- রাজনৈতিক নেতাদের (Political Leader)  দেশে ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তুলতে হবে, নির্বাচন (Election)  পারস্পরিক শ্রদ্ধার (Mutual Respect) ভিত্তিতে লড়া উচিত মন্তব্য সুপ্রিম কোর্টের (Superme Court) । মঙ্গলবার সুপ্রিম কোর্ট মৌখিকভাবে পর্যবেক্ষণ করে জানায়, রাজনৈতিক দলগুলিকে দেশে ভ্রাতৃত্ববোধ গড়ে তুলতে হবে এবং সমস্ত রাজনৈতিক দলকে সাংবিধানিক নৈতিকতা অনুসরণ করতে হবে এবং পারস্পরিক শ্রদ্ধার ভিত্তিতে নির্বাচন লড়তে হবে। এই নির্দেশ দেয় ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত, বিচারপতি বিভি নাগরত্ন এবং জয়মাল্য বাগচির বেঞ্চ।

প্রসঙ্গত, সাংবিধানিক পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিদের ‘সাংবিধানিকভাবে অশোভন’ বক্তব্য রোধ করার জন্য নির্দেশিকা চেয়ে নয় জন ব্যক্তির দায়ের করা একটি মামলার শুনানি চলছিল। অসমের মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্ব শর্মার সাম্প্রতিক বক্তৃতা এবং বিজেপি অসমের পোস্ট করা একটি ভিডিওর প্রেক্ষিতে মামলা দায়ের হয়। যা একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়কে লক্ষ্য করে প্রচারিত হওয়ার পর বিতর্কের জন্ম দেয়। আদালতে শুনানি চলাকালীন আবেদনকারীদের আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, আমাদের কিছু একটা করা দরকার। কেবলমাত্র আদালতই কিছু করতে পারে। এটা খুবই বিষাক্ত হয়ে উঠছে। এই মামলা কোনও ব্যক্তির বিরুদ্ধে নয়।

আরও পড়ুন-  কয়লা কাণ্ডে অনুপ মাঝিকে হেফাজতে নিয়ে ইডির জিজ্ঞাসাবাদে সুপ্রিম নির্দেশ

প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্ত, মামলাটি “স্পষ্টতই একজন নির্দিষ্ট ব্যক্তির (হেমন্ত বিশ্ব শর্মা) বিরুদ্ধে” কারণ এতে কেবল তাঁর বক্তৃতার উল্লেখ রয়েছে। আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, তিনি শর্মার বিরুদ্ধে কোনও বিশেষ ব্যবস্থা চাইছেন না। তবে আদালতের বৃহত্তর বিষয়টি পরীক্ষা করার প্রয়োজন। প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্ত-এর বক্তব্য, আবেদনকারীদের উল্লেখিত বিষয়গুলিকে আদালত গুরুত্বর সঙ্গে সম্মান করে।  কৌশল কিশোর মামলায় বিচারপতি নাগরত্নের রায় এই বিষয়টির সমাধান করেছে। প্রধান বিচারপতির পরামর্শ, মামলাটি প্রত্যাহার করা উচিত এবং কেবল সাংবিধানিক নীতির উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে একটি নতুন মামলা দায়ের করা উচিত। আবেদনকারীরা যেন এমন ধারণা তৈরি না করে যে তারা কোনও নির্দিষ্ট দল বা ব্যক্তির বিরুদ্ধে। বিচারপতি নাগরত্নের পরামর্শ, সকল পক্ষের সংযম থাকা উচিত। এই পরেই আইনজীবী কপিল সিব্বল বলেন, অবশ্যই, নিঃসন্দেহে। নির্বাচন কমিশন কোনও পদক্ষেপ নেবে না কারণ বক্তৃতাগুলি নির্বাচন ঘোষণার আগে দেওয়া হয়েছিল।  এই বিষয়ে মিডিয়া এবং অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলির জন্য কিছু নির্দেশিকা থাকা উচিত।

প্রধান বিচারপতির পরামর্শ, সমস্ত রাজনৈতিক দলের উপর প্রভাব ফেলতে চাই। দয়া করে সাংবিধানিক নৈতিকতা, সাংবিধানিক মূল্যবোধ, পারস্পরিক শ্রদ্ধা, আত্মসম্মানের নীতিগুলি অনুসরণ করুন। আদর্শ ও নীতির উপর ভিত্তি করে, আপনি লড়াই করুন । কিন্তু শ্রদ্ধার সঙ্গে। আমাদের ৭৫ বছরের পুরনো  গণতন্ত্র। আপনি মানুষ এইরকম আচরণ করবে বলে আশা করেন না। তবে এটি সর্বত্র সমানভাবে প্রয়োগ করা উচিত। আমরা এটাই আশা করি। কপিল সিব্বল বলেন, সকল রাজনৈতিক দলের জন্য নীতিমালা নির্ধারণ করতে হবে।

Read More

Latest News

toto DEPOBOS evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 WDBOS DEPOBOS idn slot idn poker 88