ওয়েব ডেস্ক: হোলি (Holi 2026) মানেই শুধু রং, আবির আর উচ্ছ্বাস নয়। বাস্তুশাস্ত্রের দৃষ্টিতে এটি একটি বড় পরিবর্তনের সময় (Change of Phase)। বসন্তের (Spring) আগমন যেমন প্রকৃতিকে নতুন প্রাণ দেয়, তেমনই মানুষের জীবনেও আনে নতুন সূচনা, ইতিবাচকতা ও আধ্যাত্মিক শুদ্ধিকরণের বার্তা। হোলিকার দহন কেবল একটি আচার নয়, এটি অশুভের ওপর শুভের জয়ের প্রতীক। বাস্তুর মতে, এই সময়ে ঘরদোর পরিষ্কার করে কিছু অপ্রয়োজনীয় ও নেতিবাচক জিনিস সরিয়ে ফেললে শক্তির প্রবাহ উন্নত হয়, মানসিক চাপ কমে, মনোযোগ বাড়ে এবং সৌভাগ্য-সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত হয়।
হোলির আগে কোন ৫টি জিনিস অবশ্যই সরাবেন?
১) শুকনো বা মৃত গাছ
বাস্তুশাস্ত্রে শুকনো বা মৃত গাছ স্থবিরতা, দুঃখ এবং নেতিবাচক শক্তির প্রতীক। এগুলো ঘরের পরিবেশকে ভারী ও নিষ্প্রাণ করে তোলে। হোলির আগে এমন গাছ সরিয়ে ফেলাই ভালো। তার বদলে তুলসী, মানি প্ল্যান্ট বা জেড গাছ লাগাতে পারেন—এগুলো ঘরে সতেজতা ও ইতিবাচক শক্তি আনে।
আরও পড়ুন: ধূমপান ক্যানসারের জন্য কতটা দায়ী? অভ্যাস ছাড়লেই কী কমবে ঝুঁকি? কী বলছে গবেষণা
২) পুরনো ও ছেঁড়া জুতো
“পরে কাজে লাগবে” ভেবে অনেকেই পুরনো জুতো জমিয়ে রাখেন। কিন্তু ছেঁড়া বা নষ্ট জুতো সংগ্রাম, বাধা ও অস্থিরতার প্রতীক বলে মনে করা হয়। এগুলো ঘরে পড়ে থাকলে নেতিবাচক শক্তি ছড়াতে পারে। উৎসবের আগে সেগুলো বাদ দেওয়াই শ্রেয়।
৩) ভাঙা কাচ বা আয়না
ভাঙা কাচ বা আয়নাকে বাস্তুশাস্ত্রে অশুভ মনে করা হয়। বিশ্বাস করা হয়, এগুলো শক্তির স্বাভাবিক প্রবাহে বাধা সৃষ্টি করে এবং ঘরে নেতিবাচকতা বাড়ায়। তাই হোলির আগে ঘর পরিষ্কারের সময় ভাঙা কাচ বা আয়না সরিয়ে ফেলুন।
৪) ভাঙা প্রতিমা
হোলি পুজো ও আধ্যাত্মিক চর্চার সময়। ঘরে যদি কোনও ভাঙা প্রতিমা থাকে, তা শ্রদ্ধার সঙ্গে সরিয়ে দেওয়া উচিত। জলে বিসর্জন, পিপল গাছের তলায় রাখা বা মাটিতে পুঁতে দেওয়ার মাধ্যমে তা সম্মানজনকভাবে সরানো যায়। এতে ধর্মীয় শুদ্ধতা বজায় থাকে।
৫) নষ্ট ইলেকট্রনিক্স
খারাপ মোবাইল, টিভি বা কিচেন অ্যাপ্লায়েন্স ঘরে পড়ে থাকলে তা শুধু জায়গা দখলই করে না, বাস্তুমতে আর্থিক স্থিতিতেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নতুন বসন্তকে স্বাগত জানাতে এসব অচল জিনিস সরিয়ে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ।







