Thursday, May 28, 2026
HomeScrollঋণ সঙ্কটে ধুঁকছে পাকিস্তান, ফের দুটি দেশ থেকে ধার করল শাহবাজ শরিফের...

ঋণ সঙ্কটে ধুঁকছে পাকিস্তান, ফের দুটি দেশ থেকে ধার করল শাহবাজ শরিফের সরকার

'ঋণ নিলে মাথা হেঁট হয়ই, আমার আর মুনিরেরও হয়েছে' আক্ষেপ পাক প্রধানমন্ত্রীর

ওয়েবডেস্ক-  পাকিস্তানের (Pakistan)  অর্থনৈতিক পরিস্থিতি (Economic Situation) আরও সংকটে। বিপুল ঋণের বোঝা মাথায় নিয়ে বসে আছে শাহবাজ শরিফের সরকার (Shahbaz Sharif’s government । দেশটি একদিকে বিপুল বৈদেশিক ঋণের বোঝার নিচে চাপা পড়েছে, অপরদিকে নতুন করে ঋণ পাওয়ার চেষ্টায় মরিয়া দেশটি। এই পরিস্থিতিতে নিরুপায় হয়ে সৌদি আরব ও কাতার থেকে ফের ঋণ নিয়েছে পাক সরকার।

প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফের মন্তব্য, এখন বৈদেশিক মুদ্রার ভাণ্ডার প্রায় দ্বিগুণ হয়েছে। তবে ঋণের পরিমাণ বেড়েছে। আপনারা তো জানেনই, ঋণ নিলে মাথা হেঁট হয়ই। আমার আর আসিম মুনিরেরও হয়েছে। ঋণ নেওয়া আমাদের আত্মসম্মানে আঘাত। এর জন্য আমরা অনেক কিছুতেই না বলতে পারি না’।

পাকিস্তানের পরিস্থিতি খুবই উদ্বেগজনক। কী করবে ভেবে কূল কিনারা পাচ্ছে না নওয়াজ শরিফের সরকার। পাকিস্তানে মোট ঋণের পরিমাণ পাকিস্তানি টাকায় ৮০ লক্ষ কোটি। দেশটির বৈদেশিক ঋণের পরিমাণ বর্তমানে ১৩৮ বিলিয়ন মার্কিন ডলার ছাড়িয়ে গেছে। সংযুক্ত আরব আমিরশাহি (UAE)  পাকিস্তানকে দেওয়া ৩.৫ বিলিয়ন ডলার (প্রায় ৩২,৪৫৯ কোটি টাকা) ঋণ ফেরতের জন্য প্রবল চাপ দিচ্ছে। প্রথা ভেঙে এবার ঋণ রিনিউয়াল করতে অস্বীকার করেছে দেশটি।

আরও পড়ুন-  কেন ভেস্তে গেল শান্তি বৈঠক? বিস্ফোরক অভিযোগ ইরানের! কী বলল আমেরিকা? দেখুন বড় খবর

ফলে এপ্রিল ২০২৬-এর মধ্যে তিন কিস্তিতে এই অর্থ পরিশোধ করতে বাধ্য হচ্ছে পাকিস্তান। গত ২৭ মার্চ ২০২৬ পর্যন্ত পাকিস্তানের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছিল ১৬.৪ বিলিয়ন ডলার।

UAE-র ঋণ শোধ করতে গিয়ে এই রিজার্ভের একটি বড় অংশ খরচ হয়ে যাওয়ায় দেশটিতে অর্থনৈতিক চাপ বাড়ছ। ধুঁকতে থাকা অর্থনীতিকে বাঁচাতে পাকিস্তান আবারও আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (IMF) কাছে হাত পেতেছে।

সম্প্রতি একটি নতুন চুক্তির মাধ্যমে পাকিস্তান প্রায় ১.২ বিলিয়ন ডলার ঋণ পেতে চলেছে। তবে এই ঋণ পেতে পাকিস্তানকে দুর্নীতি দমন ও সরকারি কর্মকর্তাদের সম্পদের হিসাব প্রকাশসহ প্রায় ৬৪টি কঠিন শর্ত মেনে চলতে হবে। বর্তমানে পাকিস্তানের সরকারি আয়ের সিংহভাগই ব্যয় হচ্ছে পুরনো ঋণ এবং সুদ পরিশোধ করতে। ফলে দেশের উন্নয়নের জন্য বরাদ্দ অর্থের পরিমাণ খুবই সামান্য। মুদ্রাস্ফীতি ও তেলের দাম বৃদ্ধি সাধারণ মানুষের জীবন অতিষ্ঠ করে তুলেছে।

 

Read More

Latest News

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WDBOS slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ traveltoto toto slot situs toto slot gacor BWO99 poker idn poker situs slot gacor toto slot toto slot toto SlotPoker188 situs toto istanaslot istanaslot sohibslot tikus4d https://tikus4dlink.com situs slot gacor PAKDE4D AMANAHTOTO