ওয়েব ডেস্ক: নতুন প্রজন্মের ট্রেনে বড় বদল। এবার বন্দে ভারত স্লিপার (Vande Bharat Sleeper) এবং অমৃত ভারত–২ (Amrit Bharat-II) ট্রেনেও চালু হচ্ছে ‘ইমার্জেন্সি কোটা’ (Emergency Quota)। জরুরি ভ্রমণের প্রয়োজন মাথায় রেখেই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে রেল বোর্ড। ৯ ফেব্রুয়ারি জোনাল রেলওয়েগুলিকে পাঠানো নির্দেশিকায় রেল মন্ত্রক জানিয়েছে, আগের নিয়ম পুনর্বিবেচনার পর এই কোটা যুক্ত করা হচ্ছে।
আগে কী ছিল নিয়ম?
প্রথমে জানানো হয়েছিল, বন্দে ভারত স্লিপার ও অমৃত ভারত–২ ট্রেনে কেবল চার ধরনের সংরক্ষণ কোটা থাকবে,
* মহিলা (Ladies Quota)
* প্রতিবন্ধী (PwD)
* প্রবীণ নাগরিক (Senior Citizen)
* ডিউটি পাস (Duty Pass)
এছাড়া অন্য কোনও কোটা, এমনকি আরএসি (RAC) সুবিধাও রাখা হবে না বলে স্পষ্ট করা হয়েছিল।
এখন কী বদল?
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই দুই ধরনের ট্রেনেও ‘ইমার্জেন্সি কোটা’ রাখা হবে। অর্থাৎ, নির্দিষ্ট ক্ষেত্রে জরুরি প্রয়োজনে এই কোটার মাধ্যমে টিকিট পাওয়া সম্ভব। তবে এই সুবিধা সবার জন্য নয়। সাধারণত সরকারি কর্মী, জরুরি দায়িত্বে থাকা ব্যক্তি বা বিশেষ পরিস্থিতির যাত্রীদের ক্ষেত্রেই এই কোটা প্রযোজ্য হয়। আবেদন ও অনুমোদনের নির্দিষ্ট প্রক্রিয়া রয়েছে।
অমৃত ভারত–২-এ কত বার্থ সংরক্ষিত?
রেল বোর্ড জানিয়েছে, যেসব অমৃত ভারত–২ ট্রেনে সাত বা তার বেশি স্লিপার কোচ থাকবে, সেখানে প্রাথমিকভাবে ২৪টি বার্থ ইমার্জেন্সি কোটার জন্য সংরক্ষিত থাকবে। বর্তমানে ১২টি অমৃত ভারত–২ ট্রেন পরিষেবায় রয়েছে। ২০২৬ সালের জানুয়ারি থেকে চালু হওয়া নতুন ট্রেনগুলিতেও এই নিয়ম কার্যকর হবে।
হাওড়া–কামাখ্যা বন্দে ভারত স্লিপারেও প্রযোজ্য
দেশের প্রথম বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেনটি ১৭ জানুয়ারি উদ্বোধন হয় এবং ২২ জানুয়ারি থেকে বাণিজ্যিক পরিষেবা শুরু করে। হাওড়া থেকে কামাখ্যা রুটে চলাচলকারী এই ট্রেনেও নতুন নিয়ম অনুযায়ী ইমার্জেন্সি কোটা কার্যকর হবে।
যাত্রীদের জন্য বার্তা
রেলের এই সিদ্ধান্ত জরুরি ভ্রমণের ক্ষেত্রে স্বস্তি দিতে পারে। তবে কোটার সংখ্যা সীমিত এবং নির্দিষ্ট মানদণ্ডে বরাদ্দ হয়। তাই সাধারণ যাত্রীদের ক্ষেত্রে আগাম পরিকল্পনা করে টিকিট বুকিং করাই সবচেয়ে নিরাপদ উপায়।







