HomeScrollপাইলট নাতনির শেষ ম্যাসেজ! বৃদ্ধা দিদিমাকে কী বলেছিলেন শম্ভাবী?
Baramati Plane Crash

পাইলট নাতনির শেষ ম্যাসেজ! বৃদ্ধা দিদিমাকে কী বলেছিলেন শম্ভাবী?

মাত্র ২৫ বছর বয়সেই পাইলট হিসেবে স্বপ্নকে ছুঁয়ে ফেলেছিলেন শম্ভাবী পাঠক

ওয়েব ডেস্ক: বারামতির ভয়াবহ বিমান দুর্ঘটনায় (Baramati Plane Crash) প্রাণ হারিয়েছেন মহারাষ্ট্রের উপমুখ্যমন্ত্রী অজিত পাওয়ার-সহ (Ajit Pawar) মোট ছয় জন। বুধবারের এই দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান লিয়ারজেট ৪৫ বিমানের কো-পাইলট শম্ভাবী পাঠক (Shambhavi Pathak), ক্যাপ্টেন সুমিত কাপুর, ফ্লাইট অ্যাটেনডেন্ট পিঙ্কি মালি এবং অজিত পাওয়ারের ব্যক্তিগত নিরাপত্তারক্ষী বিদীপ যাদব। দুর্ঘটনার কয়েক ঘণ্টা আগে শম্ভাবী তাঁর দিদিমা মীরা পাঠককে একটি শেষ ম্যাসেজ (Last Message) পাঠিয়েছিলেন, যাতে লেখা ছিল ‘গুড মর্নিং’। আজ নাতনিকে হারিয়ে একা হয়ে পড়েছেন মীরাদেবী।

শম্ভাবী পাঠকের জন্ম এমন এক পরিবারে, যেখানে বিমানচালনার সঙ্গে একটা গভীর সম্পর্ক রয়েছে। তাঁর বাবা বিক্রম পাঠক অবসরপ্রাপ্ত বায়ুসেনা পাইলট। শম্ভাবী এয়ার ফোর্স বিদ্যা ভারতী স্কুলে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত পড়াশোনা করেন। পরে বাবার বদলির কারণে পরে পরিবারের সাথে দিল্লিতে চলে যেতে হয় তাঁকে। তবে শম্ভাবীর বাণিজ্যিক পাইলট প্রশিক্ষণ সম্পন্ন হয় নিউজিল্যান্ডে। মাত্র ২৫ বছর বয়সেই দিল্লি, লন্ডন থেকে রাশিয়া—বহু আন্তর্জাতিক গন্তব্যে বিমান নিয়ে উড়েছেন তিনি।

আরও পড়ুন: উদ্ধার বারামতির অভিশপ্ত বিমানের ব্ল্যাক বক্স! কী রয়েছে তাতে? দেখুন

বুধবারও নিত্যদিনের মতোই শম্ভাবী বেরিয়েছিলেন ডিউটি করতে। বেরিয়েই দিদিমা মীরা পাঠককে ম্যাসেজ করে ‘গুড মর্নিং’ লেখেন তিনি। তবে এটাই যে তাঁর শেষ বার্তা হয়ে থেকে যাবে, তা স্বপ্নেও কল্পনা করেনি তাঁর পরিবার। দিদিমা মীরা পাঠক জানান, বুধবার সকাল ১১টা নাগাদ তাঁর ছোট ছেলে ফোন করে দুঃসংবাদ দেন যে, শম্ভাবী ওই বিমানে ছিলেন। কিছুক্ষণের মধ্যেই শম্ভাবীর বাবা ও মীরার বড় ছেলে পরিবারকে জানান, তাঁরা পুণে যাচ্ছেন দেহ ফিরিয়ে আনতে। তারপরেই শোকে পাথর হন শম্ভাবীর দিদিমা মীরা পাঠক।

দেখুন আরও খবর:

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News