Tuesday, March 10, 2026
HomeScrollএই ৩ কারণেই দিল্লিতে হারল আম আদমি পার্টি?

এই ৩ কারণেই দিল্লিতে হারল আম আদমি পার্টি?

নয়াদিল্লি: কেন্দ্রে ক্ষমতায় থাকলেও রাজধানীর সিংহাসন এতদিন অধরা ছিল বিজেপির (BJP)। সেই ১৯৯৮ সালে দিল্লির (Delhi Legislative Assembly) মসনদ (Delhi Election 2025) হাতছাড়া হয়েছিল পদ্ম শিবিরের। এর মাঝে ২০১৪, ২০১৯ ও ২০২৪-এর লোকসভা নির্বাচনে কেন্দ্রে সরকার গড়েছেন মোদি, শাহরা। কিন্তু দিল্লিতে ছিল আম আদমি পার্টির (Aam Aadmi Party) সরকার। অরবিন্দ কেজরিওয়াল (Arvind Kejriwal),  তারপর অতিশী মার্লেনা (Atishi Marlena) হয়েছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী। কিন্তু আপের এই জয়যাত্রা এবার হয়তো শেষ হতে চলেছে। কারণ দিল্লি জয়ের পথে অনেকটা এগিয়ে গিয়েছে পদ্ম শিবির।

কিন্তু কেন দিল্লিতে হারের মুখোমুখি দাঁড়িয়ে আম আদমি পার্টি? সেই চির পরিচিত জনপ্রিয়তা হারাচ্ছে কেজরিওয়ালের দল? নাকি রাজধানীতে পদ্মের উত্থ্বানের নেপথ্যে রয়েছে অন্য কারণ? চলুন দিল্লিতে আপের মুখ থুবড়ে পড়ার কয়েকটি সম্ভাব্য কারণ খুঁজে দেখা যাক।

আরও পড়ুন: মোদির হাতেই দিল্লিকা লাড্ডু, ২৭ বছর পর রাজধানীতে ক্ষমতায় বিজেপি

(১) ‘শীশ মহল’ বিতর্ক: দিল্লি বিধানসভা নির্বাচনের আগে বিজেপির প্রচারের অন্যতম হাতিয়ার ছিল ‘শীশ মহল’ (Sheesh Mahal)। ভারতের কম্পট্রোলার অ্যান্ড অডিটর জেনারেল (CAG)-এর রিপোর্ট অনুসারে, এই দিল্লির মুখ্যমন্ত্রীর এই ভবনটি সংস্কারের প্রাথমিক বাজেট ছিল ৭.৯১ কোটি টাকা। তবে আপ সরকার থাকাকালীন ২০২০ সালে এই বাজেট ৮.৬২ কোটিতে পৌঁছয়। আবার ২০২২ সালে কাজ শেষ হলে এর খরচ গিয়ে দাঁড়ায় ৩৩.৬৬ কোটিতে। বিজেপি নেতারা প্রচারে বারবার এই হিসেব দেখিয়েছে। হয়তো এই বিতর্ক দিল্লির ভোটারদের মধ্যে আপ বিরোধী একটা মনোভাব তৈরি করেছে।

(২) রাজধানীর ‘লিকার পলিসি’ বিতর্ক: তৃতীয় মেয়াদ সবচেয়ে আপ সরকার যেসব বিতর্কে সবথেকে বেশি বিদ্ধ হয়েছিল, সেগুলির মধ্যে এই ‘লিকার পলিসি’ (Liquor Policy) ছিল অন্যতম। বিজেপি অভিযোগ তোলে যে, আপ সরকারের এই নীতির কারণে দিল্লি ‘মদের শহরে’ পরিণত হয়েছে। যদিও আপ নেতারা বারবার এই অভিযোগ অস্বীকার করেই এসেছেন। শেষমেষ এক বছরের মধ্যেই এই পলিসি বাতিল করতে বাধ্য হয়। এখানেই শেষ নয়, এই বিতর্ক উপ-মুখ্যমন্ত্রী মণীশ সিসোদিয়া, সাংসদ সঞ্জয় সিং এবং শেষ পর্যন্ত অরবিন্দ কেজরিওয়ালকেও জেল খাটিয়েছে। তাই এই বিতর্ক থেকেও যে দিল্লির বেশ কিছু ভোটার বিজেপিমুখী হয়েছেন, তা বলাই যায়।

(৩) অ্যান্টি-ইনকামবেন্সি ফ্যাক্টর: প্রথম দুটি মেয়াদে শিক্ষা ও স্বাস্থ্য খাতে ভালো কাজ করে বিপুল সমর্থন পেয়েছিল আম আদমি পার্টি। বিদ্যুৎ ও জলের ভর্তুকি জনগণকে সন্তুষ্ট রেখেছিল। তাই লোকসভা নির্বাচনে দিল্লিতে ভালো ফল করলেও বিধানসভা নির্বাচনে সেখানে বিশেষ সুবিধা করতে পারেনি পদ্ম শিবির। তবে মাঝে আপ নেতা, বিধায়করা দাবি করেছিলেন যে, কেন্দ্রের বিজেপি সরকার তাঁদের কাজে বাধা দিচ্ছে। তবে দশ বছর পার হওয়ার পরও যখন ভোটাররা এই একই অভিযোগ শুনছেন, তখন তাঁদের এগুলিকে অজুহাত মনে হতেই পারে (Anti-Incumbency)। এদিকে আবার বিজেপির ‘ডবল ইঞ্জিন’ সরকারের প্রতিশ্রুতি জনসাধারণের মধ্যে সাড়া ফেলেছে। হয়তো এরই প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে নির্বাচনের ফলাফলে।

দেখুন আরও খবর: 

Read More

Latest News

toto evos gaming

https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 DEPOBOS idn poker 88 situs slot gacor https://www.demeral.com/it/demeral_software/ BWO99 slot 5000 poker situs slot gacor joker toto slot maxwin slot maxwin situs bola BANDAR80 WATITOTO LGO188 DEPOBOS https://www.demeral.com/it/podcast