হুমায়ুন কবীর বলেন, “ভোটে আমিই মুখ্যমন্ত্রীর মুখ হব। মানুষ আমার উপর ভরসা করবে। খেটেখুটে, পরিশ্রম করে একটা দল গড়ে ভোটে লড়ছি। ১০০ থেকে ১১০টি আসনে আমরা জিতব এবং একক বৃহত্তম দল হব।” এখানেই থামেননি তিনি। স্পষ্ট ভাষায় জানান, সরকার গঠনের জন্য বিজেপির সমর্থন নিতে তাঁর কোনও আপত্তি নেই। তাঁর বক্তব্য, “বিজেপি যদি ৯৯টি আসনও পায়, তবু আমাকে মুখ্যমন্ত্রী হিসাবে মেনে নিতে হবে।”
আরও পড়ুন: কুয়াশার দাপট, ধার কম শীতের!
নিজের দাবির সপক্ষে বিহারের উদাহরণও টানেন হুমায়ুন। তিনি বলেন, “নীতীশ কুমার কম আসন পেয়েও দু’-দু’বার মুখ্যমন্ত্রী হয়েছেন। সেই নজির আছে। ভোটের পর রাজ্যপালের কাছে আমিই ১৪৮টির বেশি আসনের সমর্থন নিয়ে সরকার গড়ার দাবি জানাব।”
হুমায়ুন কবীর বর্তমানে ‘জনগণ উন্নয়ন পার্টি’-র চেয়ারম্যান। তাঁর দাবি, তৃণমূল কংগ্রেস সর্বোচ্চ ৭০ থেকে ৭৫টি আসন পেতে পারে। পাশাপাশি তিনি বলেন, “তৃণমূল ও বিজেপি—দু’পক্ষের বিরুদ্ধেই আমাদের লড়াই। ভোটের পর যে কেউ আমাদের সঙ্গে যোগ দিতে পারে।”
অন্যদিকে, হুমায়ুনের এই মন্তব্যে তীব্র প্রতিক্রিয়া দিয়েছে জেলা তৃণমূল কংগ্রেস। তাদের অভিযোগ, ভরতপুরের এই বিধায়ক আসলে বিজেপির ‘বি-টিম’। তৃণমূল নেতাদের দাবি, বিজেপির সঙ্গে বোঝাপড়া করেই নতুন দল গড়া এবং তৃণমূল বিরোধী আক্রমণাত্মক বক্তব্য পেশ করছেন হুমায়ুন কবীর। ভোটের আগেই মুখ্যমন্ত্রী হওয়ার এমন প্রকাশ্য দাবি রাজ্য রাজনীতিতে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।