কলকাতা: কয়েক মাস পরেই বিধানসভা নির্বাচন (WB Assembly Election 2026)। ভোটকে পাখির চোখ করে শুক্রবার থেকে জেলাসফর শুরু করছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)।। তাঁর প্রথম সভা দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে। জনসভার মঞ্চ যে কোনও কনসার্টের মঞ্চকেও হার মানিয়ে দিতে পারে। মঞ্চের সামনেই ‘প্লাস’ চিহ্নের আকারে তৈরি হচ্ছে র্যাম্প।
ছাব্বিশের বিধানসভা নির্বাচনের আগে প্রচারে ঝাঁপিয়ে পড়েছেন তৃণমূল সাংসদ তথা দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় (Abhishek Banerjee)। বিধানসভা ভোটের (WB Assembly Election 2026) লক্ষ্যে শুক্রবার থেকে জেলা সফর শুরু করছেন অভিষেক। তাঁর প্রথম সভা দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুরে। ফুলতলা সাগরসঙ্ঘের মাঠের এই সভায় ২ লক্ষ লোক আনার টার্গেট নিয়েছে স্থানীয় তৃণমূল নেতৃত্ব। জনসভার মঞ্চ যে কোনও কনসার্টের মঞ্চকেও হার মানিয়ে দিতে পারে। ব্রিগেড সমাবেশে র্যাম্প সংস্কৃতির সূচনা করেছিলেন অভিষেকই। সেই র্যাম্পে হাঁটু মুড়ে বসে মাথা নিচু করে প্রণাম করে শুরু করেছিলেন সভা। বারুইপুরের সাগর সংঘের মাঠ জুড়ে তৈরি হওয়া মঞ্চ অনেকটা বিগ্রেডের আদলে। মূল মঞ্চের প্রেক্ষাপটে থাকছে প্রকাণ্ড এলইডি স্ক্রিন। যার উচ্চতা বিরাট নয়। যেমনটা দেখা যায় কনসার্টের ক্ষেত্রে। মঞ্চের সামনেই ‘প্লাস’ চিহ্নের আকারে তৈরি হচ্ছে র্যাম্প। সেখানে হেঁটেই সভায় আসা কর্মী-সমর্থকদের সঙ্গে জনসংযোগ সারবেন অভিষেক। মূল মঞ্চের সঙ্গে বানানো হয়েছে আরও দুটি মঞ্চ।
মাঠের দক্ষিণ দিকে মূল মঞ্চের সঙ্গে দু’পাশে তৈরি করা হয়েছে জনপ্রতিনিধিদের জন্য আরও দুটি জায়গা। তার মধ্য মূল মঞ্চের সঙ্গে ২০০ ফুট বাই ১৪০ ফুটের র্যাম্প তৈরি করা হয়েছে। যার পিছনে থাকছে প্রায় ৪০ ফুটের স্ক্রিনে দেখার ব্যবস্থা। জনপ্রতিনিধিরা বসবেন এই তিনটি মঞ্চে ভাগ করে। ৩১ জন বিধায়ক একটি দিকে বসবেন। অন্যদিকে, জেলা পরিষদ সদস্য পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি সহ অন্যান্য জনপ্রতিনিধিরা বসবেন অন্য একটি মঞ্চে। মঞ্চ দু’প্রান্তে দুটি আলাদা পোডিয়াম রাখা হয়েছে। বৈদ্যুতিন মাধ্যম ও সোশাল মিডিয়ার সাংবাদিকদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: শুক্রবার থেকে জেলা সফরে অভিষেক, করবেন মেগা সভা
গোটা জানুয়ারি মাস ধরে অভিষেক রাজ্যের সব জেলায় কর্মসূচি করবেন। শনিবার তিনি যাবেন জলপাইগুড়ি এবং আলিপুরদুয়ারে। ৬ জানুয়ারি তিনি যাবেন বীরভূম। ৭ জানুয়ারি যাবেন উত্তর দিনাজপুরের ইটাহারে। এবারের ভোটের কোন স্লোগান ব্যবহার করবে রাজ্য়ের শাসকদল তাও জানানো হয়েছে সেই পোস্টে। পোস্ট থেকে পরিষ্কার ‘যতই করো হামলা, আবার জিতবে বাংলা’-স্লোগানকে হাতিয়ার করে প্রচারে ঝড় তুলতে চাইছেন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদ। জেলা সফরে তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত সরকার গত ১৫ বছরে যে কাজ করেছে, তার রিপোর্ট কার্ড ভোটারদের সামনে তুলে ধরা তাঁর লক্ষ্য। মনে করা হচ্ছে, সাংসদ এই সভা থেকে আগামী নির্বাচনে দলের লড়াইয়ের রূপরেখা ঠিক করে দেবেন।







