Thursday, March 5, 2026
HomeScrollদেশের ‘ফুসফুস’ বিক্রি? আরাবল্লী বিতর্কে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা সুপ্রিম কোর্টের
Supreme Court

দেশের ‘ফুসফুস’ বিক্রি? আরাবল্লী বিতর্কে স্বতঃপ্রণোদিত মামলা সুপ্রিম কোর্টের

সোমবার শুনানির দিন ধার্য হয়েছে...

ওয়েব ডেস্ক: ভারতের ‘ফুসফুস’ বিক্রি! শিল্পপতি ‘বন্ধু’দের পকেট ভরাতেই নাকি আরাবল্লী ধ্বংসের ব্লুপ্রিন্ট তৈরি করেছে নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) সরকার! তুমুল বিতর্কের মধ্যেই স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করল সুপ্রিম কোর্ট (Supreme Court)। সোমবার প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তের বেঞ্চে মামলার শুনানি হবে বলে জানা গিয়েছে।

সম্প্রতি শীর্ষ আদালতের এক রায়ে বলা হয়, ১০০ মিটার বা তার বেশি উচ্চতার ভূমি ও সংলগ্ন ঢাল আরাবল্লী পাহাড়শ্রেণির অন্তর্ভুক্ত এবং সম্পূর্ণ সুরক্ষিত থাকবে। অর্থাৎ, ১০০ মিটারের কম উচ্চতার পাহাড় সংরক্ষণের আওতার বাইরে। কিন্তু বাস্তবে আরাবল্লীর প্রায় ৯০ শতাংশ পাহাড়ই ১০০ মিটারের নিচে—এই তথ্য প্রকাশ্যে আসতেই বিতর্ক দানা বাঁধে।

আরও পড়ুন: তন্দুর ব্যান করেও কমছে না দূষণ! এবার কী করবে দিল্লি সরকার?

উল্লেখ্য, এই ‘সংজ্ঞা নির্ধারণ’ করেছিল কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক, আর তাতেই শিলমোহর দেয় সুপ্রিম কোর্ট। রায়ের পরই হরিয়ানা, রাজস্থান, গুজরাট ও দিল্লি-সহ বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষোভ উগরে দেন পরিবেশপ্রেমী ও স্থানীয় বাসিন্দারা।

অভিযোগ, কয়লা ও নির্মাণ শিল্পে ব্যবহৃত পাথর উত্তোলনের আইনি পথ খুলে দিতে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এতদিন যে বিস্তীর্ণ এলাকা আরাবল্লী পাহাড়শ্রেণির অংশ হিসেবে সংরক্ষিত ছিল, তা হঠাৎ করেই সুরক্ষার বাইরে চলে যাবে। ফলে ৯০ শতাংশ অঞ্চল কার্যত খননের জন্য উন্মুক্ত হয়ে পড়বে। চাপে পড়ে গত বুধবার বড় নির্দেশ দেয় কেন্দ্র। কেন্দ্রীয় পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রক সংশ্লিষ্ট সব রাজ্যকে আরাবল্লীতে নতুন করে খননের ইজারা দেওয়া সম্পূর্ণ বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়।

ভূ-প্রাকৃতিক দিক থেকে আরাবল্লীর গুরুত্ব অপরিসীম। হরিয়ানা থেকে রাজস্থান, গুজরাট হয়ে দিল্লি পর্যন্ত বিস্তৃত এই পর্বতমালা শুধু জীববৈচিত্রের ভাণ্ডার নয়, বরং চম্বল, সবরমতী ও লুনি নদীর উৎসস্থল। আরাবল্লী ক্ষতিগ্রস্ত হলে পাহাড়ি বাস্তুতন্ত্রে মারাত্মক প্রভাব পড়বে।

আরাবল্লীই থর মরুভূমির বিস্তার রুখে দাঁড়িয়ে আছে। এই পাহাড়শ্রেণি না থাকলে দিল্লিও মরুভূমির কবলে পড়তে পারত বলে মত পরিবেশবিদদের। তাঁদের আশঙ্কা, খনি ও রিয়েল এস্টেটের দখলে পড়লে আরাবল্লী থেকে পাওয়া প্রাকৃতিক সুরক্ষার ৯০ শতাংশ নষ্ট হবে। বাড়বে ভয়াবহ দূষণ, ধ্বংস হবে জীববৈচিত্র, কমবে ভূগর্ভস্থ জলের রিচার্জ—আর তাতেই জলসংকট চরম আকার নেবে।

Read More

Latest News

toto DEPOBOS evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 DEPOBOS idn poker 88 situs slot gacor https://www.demeral.com/it/demeral_software/ BWO99 slot 5000 poker situs slot gacor joker toto slot maxwin slot maxwin situs bola BANDAR80