ওয়েব ডেস্ক : মধ্যপ্রাচ্যে ফের যুদ্ধের মেঘ। ইরানে যে কোনও সময় হামলা হতে পারে। আর তা করতে পারে আমেরিকা (America)। মধ্যপ্রাচ্যে বিমানবাহী রণতরী ও যুদ্ধবিমান সহ বেশ কিছু সামরিক অস্ত্র সেখানে পাঠানো হচ্ছে বলে খবর। অন্যদিকে, হামলা হলে, পাল্টা পদক্ষেপ করা হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়ে রেখেছে ইরান (Iran)। সূত্রের খবর, ইজারায়েলও (Israel) হঠাৎ করে যুদ্ধের প্রস্তুতি শুরু করেছে।
বেশ কয়েকটি সংবাদমাধ্যম জানাচ্ছে, ইরান (Iran) সংলগ্ন এলাকায় এফ-১৫ই এবং যুদ্ধবিমানবাহী রণতরী ইউএসএস আব্রাহাম লিঙ্কনকে মোতায়েন করেছে আমেরিকা। এমনকি প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে। ফলে সেখানে কি আবার যুদ্ধ শুরু হতে চলেছে? এমনই প্রশ্ন ঘুরে বেড়াচ্ছে আন্তর্জাতিক মহলে।
আরও খবর : সাহারা মরুভূমিতে তুষারপাত, মুহূর্তে বদলে গেল তাপমাত্রা
প্রসঙ্গত, সরকার বিরোধী আন্দোলনে উত্তাল ইরান। আর প্রতিবাদীদের বিরুদ্ধে কটোর ব্যবস্থা নিচ্ছে আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের সরকার। আটশোর বেশি বিদ্রোহীর মৃত্যুদণ্ড ঘোষণা করা হয়ছিল। কিন্তু মার্কিন চাপে তা রদ করা হয়েছে। সেই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প (Donald Trump)। এর জন্য ইরাকে ‘ধন্যবাদ’ জানিয়েছিলেন তিনি। তার পরেই মনে করা হচ্ছিল হয়তো যুদ্ধের মেঘ কেটে গিয়েছে ইরানের আকাশ থেকে। গত বুধবার সুইজারল্যান্ডের ডাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামে ট্রাম্প বলেছিলেন, ইরানের এই সিদ্ধান্ত স্থায়ী হতে চলেছে। ফলে ইরানের সঙ্গে যুদ্ধের প্রয়োজন পড়বে না। কিন্তু তার পরেই ফের বদলাচ্ছে পরিস্থিতি।
বিক্ষোভকারীদের উপর আয়াতোল্লা খামেনেইয়ের সরকারের কড়া পদক্ষেপ নিয়ে বিশ্বজুড়ে সমালোচনা শুরু হয়েছিল। এই পরিস্থিতিতে ইরানে হামলার হুমকি দিয়েছিলেন ট্রাম্প। ফলে মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের আশঙ্কা তৈরি হয়েছিল। এর পরেই বিক্ষোকারীদের মৃত্যুদণ্ড দেওয়া থেকে পিছিয়ে এসেছে ইরান। ফলে যুদ্ধের আশঙ্কা কেটেছিল। কিন্তু পরিস্থিতি বদলেছে। ফলে আবার বারুদের গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে মধ্যপ্রাচ্যের আকাশে।
দেখুন অন্য খবর :







