ওয়েবডেস্ক- রাত পোহালেই বাংলাদেশে ভোট (Bangladesh Vote) । ভারতের সীমান্তগুলিতে (border) নিশ্চিদ্র নিরাপত্তায় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (Border Guard Force for security) । চলছে নাকাচেকিং। বাংলাদেশের ভোটের আঁচ যাতে ভারতে না পড়ে তার জন্য অতন্দ্র প্রহরায় নিরাপত্তাবাহিনী।
একদিকে ২০২৪ সালে হাসিনা সরকারের পতন, বিএনপি নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যু, দীর্ঘ বছর প্রবাসে জীবন কাটিয়ে স্ত্রী ও সন্তানকে নিয়ে দেশে ফেরা খালেদা পুত্র তারেক রহমানের দেশে ফেরা।
হাসিনা সরকারের পতনের পর জল বহুদূর গড়িয়েছে, কোণঠাসা হাসিনার আওয়ামী লিগ। সরকারের আদেশে কার্যক্রম নিষিদ্ধ করায় দেশের অন্যতম প্রধান দল আওয়ামী লিগ এই নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারছে না। বাংলাদেরশে গদিতে রয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার মুহাম্মদ ইউনুস। তার শাসনামলে সব থেকে বড় ইস্যু ভারতের সঙ্গে বাংলাদেশের দূরত্ব। প্রায় দিনই সংখ্যালঘু নির্যাতনে উত্তপ্ত বাংলাদেশ। পর পর হিন্দু খুনে উত্তপ্ত বাংলাদেশ, উদ্বিগ্ন ভারত।

আর এই ভোট নিয়ে চরম উত্তেজনা তৈরি হয়ে আছে বাংলাদেশে। তার আঁচ যাতে কোনও রকমভাবে ভারতে না পড়ে, তার জন্য তৎপর তৎপর-প্রশাসন। সারারাত ধরে হিঙ্গলগঞ্জের ইছামতী/কালিন্দী নদী সহ সীমান্তের বিভিন্ন রাস্তায় নৎকা চেকিং এবং টহলদারি শুরু করল পুলিশ। পাশাপাশি বসিরহাটেও সারারাত ধরে বিভিন্ন হোটেলে চেকিং সহ রাস্তাতেও নাকা চেকিংকের পাশাপাশি কড়া নজরদারিতে রাখল প্রশাসন।
প্রশাসন সূত্রে খবর, জলে ও স্থলে দুই জায়গাতেই নজরদারি চলবে। যাতে ওপার বাংলার কোনও অশান্তির আঁচ এপার বাংলায় পড়তে না পারে। সারারাত ধরে জল সীমান্ত ও সীমান্তবর্তী রাস্তায় এবং বিভিন্ন হোটেলে চলছে কড়া নজরদারি।
১২ ফেব্রুয়ারি সকাল সাড়ে সাতটায় ভোট শুরু হবে। ৩০০ আসনের মধ্যে ২৯৯ আসনে ভোটগ্রহণ। এই ভোটগ্রহণের পাশাপাশি বাংলাদের জনগণ জুলাই মাসে সংবিধান সংশোধনের আন্দোলনের সময় প্রণীত জাতীয় সনদের উপরেও ভোট দেবেন। ভোট গণনা শুরু বিকেল সাড়ে চারটেয়। প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২০০০ জনের প্রার্থী, তার মধ্যে ৭৮ জন মহিলা। ৬ কোটি ৪৮ হাজার পুরুষ ও ৬ কোটি ২৮ লক্ষ মানুষ প্রার্থীদের ভাগ্য নির্ধারণ করবে। সারা দেশে ভোট কেন্দ্র ৪২, ৬৫৯, পর্যবেক্ষক ৪৫ হাজার।







