ওয়েব ডেস্ক: ভোটের আগে (West Bengal Assembly Election 2026) রাজ্যের আইন-শৃঙ্খলা আরও কড়া করতে বড়সড় পদক্ষেপ নিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। রাজ্যের পুলিশ (Police) প্রশাসনের শীর্ষকর্তা থেকে নিচুস্তরের কর্মীদের জন্য একগুচ্ছ কঠোর নির্দেশ জারি করা হয়েছে। বিশেষ করে জামিনঅযোগ্য পরোয়ানা কার্যকর এবং পলাতক অভিযুক্তদের গ্রেফতার নিয়ে কড়া বার্তা দিয়েছে কমিশন।
কমিশনের (Election Commission) নির্দেশ অনুযায়ী, যাঁদের বিরুদ্ধে জামিনঅযোগ্য পরোয়ানা রয়েছে, তাঁদের আগামী ১০ দিনের মধ্যে গ্রেফতার করতেই হবে। পাশাপাশি আগের নির্বাচনের সময় দায়ের হওয়া সমস্ত অপরাধমূলক মামলার তদন্ত দ্রুত শেষ করে চার্জশিট বা চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আরও খবর : গরমের ছুটিতে পাহাড় যাবেন? স্পেশাল ট্রেন চালাবে রেল! জেনে নিন ট্রেন সময়সূচি ও টিকিট বুকিং পদ্ধতি
এসডিপিওদের (SDPO) স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পলাতক ও ঘোষিত অপরাধীদের তালিকা তৈরি করে দ্রুত গ্রেফতারের জন্য বিশেষ অভিযান চালাতে হবে। প্রয়োজনে লুকআউট নোটিস জারি করতেও বলা হয়েছে। পাশাপাশি পার্শ্ববর্তী জেলা ও মহকুমার সঙ্গে নিয়মিত সমন্বয় বৈঠক করে তথ্য আদানপ্রদান জোরদার করার কথাও বলা হয়েছে। থানার ওসি বা এসএইচওদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে, প্রতিটি বিধানসভা এলাকায় অশান্তিপ্রবণ অঞ্চল চিহ্নিত করা এবং আগের নির্বাচনে জড়িত দুষ্কৃতীদের তালিকা তৈরি করা। এই কাজ কঠোরভাবে বাস্তবায়নের নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।
এছাড়াও থানাগুলির জন্য ১৬ দফা নির্দেশিকা জারি করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে, নাকা চেকিং জোরদার করা, সীমান্ত ও সংযোগস্থলে ২৪ ঘণ্টা নজরদারি, হোটেল-লজে নিয়মিত তল্লাশি, ভিআইপি ও ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তিদের নিরাপত্তা, মিছিল-সভায় কড়া নিরাপত্তা এবং অপরাধপ্রবণ এলাকায় বিশেষ টহল। কমিশন আরও স্পষ্ট করে দিয়েছে, ভোটের সময় সমস্ত সরকারি কর্মচারী নির্বাচন কমিশনের অধীনেই কাজ করবেন। দায়িত্বে গাফিলতি হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করেছে কমিশন। গাফিলতি লক্ষ্য করা গেলে জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ১২৯, ১৩৪ ধারা অনুযায়ী কঠোর শাস্তির নির্দেশের কথা বলা হয়েছে।
দেখুন অন্য খবর :







