পূর্ব মেদিনীপুর- খবরের শিরোনামে এখন পবিত্র কর (Pabitra Kar) । যাঁকে নিয়ে বেজায় চাপে রয়েছেন শুভেন্দু অধিকারী (Subhendu Adhikari) । এমনকী হুঁশিয়ারি দিতেও থেমে থাকছেন না তিনি। পবিত্র করকে নিশানায় শুভেন্দুর হুঁশিয়ারি ‘নির্বাচন কমিশনে (Election Commission) অভিযোগ করলে, বাতিল হতে পারে নন্দীগ্রামের (Nandigram) তৃণমূল (TMC) প্রার্থীর পদ। নন্দীগ্রামের বিধানসভার বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারীর দাবি ঘিরে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক শোরগোল।
গতকালই সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিদায়ী বিরোধী দলনেতা বর্তমান নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী দাবি করেছেন- নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের তৃণমূল কংগ্রেস প্রার্থী পবিত্র কর বিজেপির টিকিটে পঞ্চায়েতের সদস্য হিসেবে জয়ী হয়েছেন। তিনি পঞ্চায়েতের সদস্যপদ ত্যাগ না করে অন্য দলের টিকিটের বিধানসভায় প্রার্থী হয়েছেন, নির্বাচন কমিশনে অভিযোগ করলে তার প্রার্থী পদ বাতিল হতে পারে।”এই অভিযোগ সামনে আসতেই শোরগোল পড়ে গিয়েছে নন্দীগ্রামের রাজনৈতিক মহলে।
আরও পড়ুন- “৯০ লক্ষ নাম বাদ, তবু জিতব আমরা” মিনাখাঁ থেকে হুঁশিয়ারি মমতার
তৃণমূল কংগ্রেস সদস্য বিষয়টিকে কটাক্ষ করতে ছাড়েনি। তৃণমূল কংগ্রেসের নন্দীগ্রাম এক নম্বর ব্লক তৃণমূল কংগ্রেসের কোর কমিটির সদস্য বাপ্পাদিত্য গর্গ বলেন, “উনি গতকাল যা বলেছেন তা সম্পূর্ণ ও সাংবিধানিক এবং ও গণতান্ত্রিক উনি বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছেন, তমলুক লোকসভা কেন্দ্রে তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটে জয়ী প্রার্থী দিব্যেন্দু অধিকারী তিনি তৃণমূলের টিকিটের জয়ী হয়েও কেন বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন, কাঁথি লোকসভা কেন্দ্রের প্রার্থী ওঁনার বাবা শিশির অধিকারী তিনি তৃণমূল কংগ্রেসের টিকিটের জয়ী হয়ে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। তখন ওঁনার নীতি নৈতিকতা কোথায় ছিল?”
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের পঞ্চায়েত নির্বাচনে বিজেপির প্রতীকে বয়াল গ্রাম পঞ্চায়েতের ভোটে জয়ী হয়ে পঞ্চায়েতের সদস্য হন পবিত্র কর। পরে ২০২৬ সালের ১৭ মার্চ কলকাতার ক্যামাক স্ট্রিটের দফতরে এসে তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের হাত ধরে তৃণমূলে যোগদান করেন তিনি। ওই দিনই তাঁকে নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনে প্রার্থী করা হয়। তার পরেই পবিত্র কর নিয়ে বেজায় চটে আছেন শুভেন্দু।







