ওয়েব ডেস্ক: মঙ্গলবার ‘কমল মেলা’র উদ্বোধন করতে দুর্গাপুরে (Durgapur) আসছেন সর্বভারতীয় বিজেপির (BJP) সভাপতি নীতিন নবীন (Nitin Nabin)। তবে তার আগে তিনি বসবেন একটি দলীয় বৈঠকে। আর তাঁর সেই বৈঠকের ভেন্যু নিয়েই তৈরি হয়েছে বিতর্ক। সূত্রের খবর, এদিন তিনি প্রয়াত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝায়ের সিটি সেন্টারের হোটেলে থাকবেন এবং সেখানেই বৈঠক করবেন। আর এই বিষয়কে তুলে ধরে বিজেপিকে তোপ দেগে তৃণমূল বলল, ‘সাইয়াঁ কারতে জি কোল বাজারি’।
সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি পোস্ট করে তৃণমূল (TMC) অভিযোগ করে, যে বিজেপি সারা দেশজুড়ে কয়লা কেলেঙ্কারি নিয়ে চেঁচামেচি করে এবং দুর্নীতির বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্সের কথা বলে, সেই দলই আজ কার্যত এক কুখ্যাত কয়লা মাফিয়ার (Coal Mafia) হোটেলকে নিজেদের রাজনৈতিক ঘাঁটি বানিয়েছে। তৃণমূলের দাবি, পশ্চিমবঙ্গে বিজেপির নির্বাচনী রণকৌশল তৈরি হচ্ছে কুখ্যাত কয়লা মাফিয়া রাজু ঝার হোটেল থেকেই।
আরও পড়ুন: নীতিন নবীনের সভার আগে প্রচারে মোনালি! বিতর্ক BJP–র অন্দরেই
তৃণমূল কংগ্রেসের দাবি, ২০১৯ থেকে ২০২৬—এই দীর্ঘ সময়ে দিল্লি থেকে উড়ে আসা বিজেপি নেতাদের জন্য এই মাফিয়া-যোগ থাকা বিলাসবহুল হোটেলই পছন্দের জায়গা হয়ে উঠেছে। নারোত্তম মিশ্র থেকে কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন থেকে শিবপ্রকাশ—একাধিক শীর্ষ বিজেপি নেতা নাকি বাংলায় পা দিয়েই সোজা পৌঁছেছেন ওই কয়লা মাফিয়ার দরজায়। সর্বশেষ সেই তালিকায় যুক্ত হয়েছে বিজেপির নতুন সর্বভারতীয় সভাপতি নীতীন নবীনের নাম। তৃণমূল আরও অভিযোগ করেছে, রাজু ঝা এবং আরেক বিতর্কিত কয়লা ব্যবসায়ী জয়দেব খান ছিলেন বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্বের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এবং প্রাক্তন কয়লমন্ত্রী প্রহ্লাদ যোশীর সঙ্গেও তাঁদের নাম জড়িয়েছে।
“Saiyaan karte ji coal bajari…”@BJP4India, which screams itself hoarse over “coal scam”, has today set up camp inside a coal mafia’s hotel. The party that preaches “zero tolerance” to corruption is now scripting its election strategy from the den of infamous coal mafia kingpin… pic.twitter.com/jOK2ZiO2ls
— All India Trinamool Congress (@AITCofficial) January 27, 2026
এই প্রেক্ষিতে প্রশ্ন তুলেছে শাসক দল, এবার কি ইডি-এ ঘুম ভাঙবে? কুখ্যাত অপরাধচক্রের সঙ্গে যুক্ত সম্পত্তি কীভাবে বিজেপির ওয়াশিং মেশিনে ধুয়ে সাফ করা হচ্ছে, অবৈধ কয়লা কারবারের কালো টাকা কীভাবে রাজনীতিতে পুনর্ব্যবহার হচ্ছে—সেসব নিয়ে আদৌ কোনও তদন্ত হবে কি না, তা নিয়েই কটাক্ষ করেছে তৃণমূল।
দেখুন আরও খবর:







