২০২৫-এ সারা পৃথিবীতে আমরা দেখেছি এক দক্ষিণ পন্থার উত্থান। আর সেই হাওয়াতেই দক্ষিণ পন্থার আইডল ডোনাল্ড ট্রাম্প ফিরে এসেছে ২০২৫-এ। কিন্তু এরই মধ্যে খেয়াল করুন আমার দেশের মানুষ কিন্তু ২০২৪-এ মোদিজির ল্যাজ কেটে দিয়েছে। হ্যাঁ, উনি সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেক দূরে, ২৪০-এ, জেডিইউ বা তেলেগু দেশমের সমর্থন না থাকলে সরকার ‘পপাত চ, মমাত চ’। নেকেই ভেবেছিলেন খুব বেশিদিন টানতে পারবেন না মোদিজি। কিন্তু সেটা ছিল এক সাময়িক পিছু হটা, হঠাৎ স্ট্রাটেজিতে এক ভুলের জন্য ২৪০-এ ঠেকেছিল বিজেপি। ২০২৫ ছিল তাদের কোর্স কারেকশনের বছর, ভুল শুধরে নিয়ে ভারতের মাটিতে দক্ষিণপন্থাকে আরও শক্তপোক্তভাবেই তুলে ধরার বছর। এমনিতেই ২০২৫ তাঁদের আদর্শের ভিত্তিভূমি আরএসএস-এর ১০০ বছর, কাজেই সেই দায়িত্ব আরএসএস-এরও ছিল, আর হিন্দুত্ববাদী প্রত্যেকটা সংগঠন ঐক্যবদ্ধভাবেই কাজ করেছে এই ২০২৫ জুড়ে। বছর শুরু হয়েছিল দিল্লি দিয়ে। আমরা ভেবেছিলাম হারতে হারতে জিতে যাবেন কেজরিওয়াল, কিন্তু কেজরিওয়াল প্রমাণ করলেন আদর্শহীন এক সংগঠন দিয়ে আর যাই হোক বিজেপির মোকাবেলা করা যায় না। দিল্লি মিউনিসিপাল কর্পোরেশনেও বিজেপি ১২-তে ৭টা আসন পেয়েছে। তারা এসেই বস্তি ভেঙেছে, বাংলাদেশি তাড়ানোর নাম করে বাঙালি খেদাও শুরু করেছে। ইন ফ্যাক্ট ২০২৫-এ ঝাড়খন্ড আর জম্মু-কাশ্মীর কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের নির্বাচন ছাড়া প্রত্যেকটা নির্বাচনে বিজেপি জিতেছে, বিরাটভাবেই জিতেছে। মহারাষ্ট্রে এবারে তাদের মুখ্যমন্ত্রী, হরিয়ানাতে সবাই যখন কংগ্রেসের ফিরে আসা নিয়ে নিঃসংশয়, তখন বিজেপির বিরাট কামব্যাক। আর বিহারে তো কথাই নেই, মহাগঠবন্ধনকে শুইয়ে দিয়ে বিজেপি-জেডিইউ কেবল ফিরেছে তাই নয়, এবারে মন্ত্রীসভার মাথায় আছেন বটে নীতীশ কুমার, কিন্তু রাজ্য চলে গিয়েছে বিজেপির হাতে, বছরখানেক পরে জেডিইউ ভেঙে বিজেপি নিজের সরকার তৈরি করলে অবাক হব না, আর সেদিন নীতীশ কুমারের কিছু বলারও থাকবে না।
যদি ২০২৫-এর দিকে নজর রাখেন, তাহলে সেই শুরু থেকে বছর শেষ অবধি তিনটে ন্যারেটিভ ক্রমশ আরও শক্তিশালী হচ্ছে, তার ভিত্তিভূমি বাড়ছে, আর সেই তিনটে ন্যারেটিভের সামনে বিরোধীদের অসহায় মনে হচ্ছে। (১) হিন্দুরা বিপন্ন। মুসলমান খ্রিস্টানরা আমাদের ধর্মকে অপবিত্র করতে চায়। তারা ধর্মান্তরণ করে, জনসংখ্যার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে, ডেমোগ্রাফিক ব্যালেন্সকে নষ্ট করতে চায়। কাজেই সনাতনীরা এক হও, মাছ মাংস অপবিত্র, পুজোর দিনগুলোতে, মন্দির সংলগ্ন এলাকাতে এগুলো নিষিদ্ধ হোক। (২) এই প্রথম কেন্দ্রে শক্তিশালী সরকার এসেছে, এবারে ‘ইঁট কা জবাব পত্থর সে’, ‘ঘর মে ঘুস কে মারেঙ্গে’। ‘অপারেশন সিঁদুর’ দেখে এই প্রথম পাকিস্তান ভয় পেল। (৩) ভারত এখন তৃতীয় বৃহত্তম অর্থনীতি, এর কৃতিত্ব নরেন্দ্র মোদির, তিনিই এখন ‘বিশ্বগুরু’, ট্রাম্প সাহেব ট্যারিফ বসিয়েও কিছুই করতে পারবে না। স্বাধীনতার পর থেকে কংগ্রেস সরকারগুলো কিছুই করেনি, স্রেফ দুর্নীতি আর বংশানুক্রমিক শাসন চালিয়েছে। নেহেরু-গান্ধী-কংগ্রেস আসলে দেশের এগিয়ে যাবার পথে বাধা ছিল। হ্যাঁ, তাকিয়ে দেখুন হোয়াটসঅ্যাপ ইউনিভার্সিটিতে এটাই ২৪ ঘন্টা সার্কুলেট হচ্ছে, আর এগুলোই এখন এক বিরাট সংখ্যক মানুষের স্থির বিশ্বাস। সত্যি-মিথ্যে তথ্য মিলিয়ে মিশিয়ে এক ন্যারেটিভ যা নিয়ে অ্যাকাডেমিক্সরা, পড়াশুনো জানা বিদ্বান পন্ডিতেরা আলোচনাই করতে চাইবেন না, কারণ তা বেসলেস উন্মাদের প্রলাপ। আর এক বিরাট সংখ্যক মানুষ সেটাকেই ধ্রুব সত্য হিসেবে মেনে নিয়েছেন, তাঁদের গভীর বিশ্বাসকে ভাঙা অসম্ভব। বিশ্বাসে মিলায় বস্তু তর্কে বহুদুর। এক মিথ্যেবাদী জালিয়াত দুর্নীতিগ্রস্থ নরেন্দ্র মোদি এখন হিন্দু হৃদয় সম্রাট। হ্যাঁ, স্বৈরাচারীদের উত্থান এভাবেই হয়। হিটলার থাকে মুসোলিনির উত্থানের ছবিগুলো দেখে নিন। সেরকম এক আবহে ২০২৬ বিরোধী আর শাসক দু’জোটের কাছেই খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে আরএসএস–বিজেপির গ্রান্ড প্ল্যানের শেষভাগে এসে তারা দান ছাড়তে তো চাইবে না, অন্যদিকে বিরোধীদের কাছে এটা শেষ দেওয়াল যে দেওয়ালটা ভাঙলে কিন্তু এরপরে বহু সময় ধরে নিয়মতান্ত্রিক সংসদীয় ব্যবস্থা থাকলেও আদতে এক স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থা পুরোপুরি দখল নেবে ভারতের। বিজেপি-আরএসএস-এর নেতৃত্ব এই গ্রান্ড প্ল্যানটা নিয়ে সিরিয়াস, তাঁরা জানেন বিষয়টা আর এটাও জানেন এবারে পিছিয়ে গেলে আবার অনেকটা সময় লাগবে। কিন্তু বিরোধীরা জানে কি? মনে হয় না। কারণ বিয়েবাড়ির সামনে এঁটোকাটার দখল নিতে আসা পাড়ার কুকুরের মতোই তারা একে অন্যের বিরুদ্ধে লড়ে যাচ্ছেন। দেখুন না সেই লড়াইয়ের চেহারা, কেরলে সিপিএম-কংগ্রেসকে বিজেপি-র ‘বি টিম’ বলছে। কংগ্রেস সেখানে সিপিএম-কে বিজেপির সঙ্গে সেটিং আছে, সেই অভিযোগ তুলছে। বাংলাতে তো সেই লড়াইয়ের কোনও মানেই নেই, কিন্তু তাও এক ঘন্টার বক্তৃতাতে কমরেড সেলিম ৪৫ মিনিট বরাদ্দ রাখেন তৃণমূলের জন্য, ১৫ মিনিট বিজেপির জন্য। না বিরোধীরা হয় জানেন না কী হতে চলেছে। না হলে নির্বোধ এতটাই যে, জানলেও তার গুরুত্ব বোঝেন না।
তো ২০২৬-এ আমরা চারটে রাজ্যের নির্বাচন দেখব – অসম, কেরল, তামিলনাড়ু আর পশ্চিমবঙ্গ। অসমে বিজেপি সরকার আছে, কেরলে সিপিএম, তামিলনাড়ুতে ডিএমকে, আর বাংলাতে তৃণমূল। একটা বিজেপি, বাকি তিনটে অ-বিজেপির হাতে আছে। বিজেপির লক্ষ্য ১৪ নম্বর রাজ্যের দখল। তারা খুব ভালো করে জানে যে, এই মূহুর্তে যত ভালোই ফলাফল হোক না কেন, কেরল, তামিলনাড়ু দখলের কোনও চান্স নেই, কিন্তু বাংলাতে আছে। তাই তারা সমস্ত শক্তি নিয়েই বাংলা দখলে নামছে। আসুন এই চারটে রাজ্যের অবস্থা দেখা যাক।
অসমের রাজনীতিতে একটা নতুন ফ্যাক্টর জুড়েছে, জুবিন গর্গ, তাঁর মৃত্যু বা হত্যা। সারা রাজ্যে জুবিন ভক্তরা যখন এটাকে হত্যা ধরে নিয়ে উত্তাল প্রতিবাদে নামল তখন খুব সচেতনভাবেই অসম সরকার জানিয়ে দিল, এটা হত্যা আর হত্যাকারীদের ধরা হচ্ছে, তাদের শাস্তি হবে। কিন্তু ওই তালিকাতে বেশ কিছু ভিআইপি-র নাম আছে, এমনকি মুখ্যমন্ত্রী হিমন্ত বিশ্বশর্মার স্ত্রী’র নামও আছে! কাজেই ওই ইস্যুকে সামলানো বেশ কঠিন। তবুও বলব এখনও পর্যন্ত হিমন্ত সরকার খুব সচেতনভাবেই এই ইস্যুকে সামলেছে। পরের ব্যাপারটা হল বিরোধী জোট, বদরুদ্দিন আজমলের অল ইন্ডিয়া ইউনাইটেড ডেমোক্রাটিক ফ্রন্ট-এর সঙ্গে কংগ্রেস জোটের সমঝোতা না হলে মুসলমান ভোট ভাগাভাগি হবে, আর সেক্ষেত্রে বিজেপি সরকার আবার ক্ষমতায় আসবে হাসতে হাসতে। আর এখনও পর্যন্ত যা খবর, তাতে রাহুল গান্ধী ওই বদরুদ্দিন আজমলের সঙ্গে জোটে রাজি নন, এমনকি বাম কি তৃণমূলের সঙ্গেও জোট হবে বলে মনে হয় না, কাজেই যে যার মতো লড়বে, অসম থাকবে বিজেপির হাতে।
চলুন কেরলে। হ্যাঁ, কেরলে এবারে কংগ্রেসের ক্ষমতায় আসা প্রায় নিশ্চিত, সেখানকার উপনির্বাচন, পঞ্চায়েত মিউনিসিপালিটি নির্বাচনের ফলাফল তাই বলছে। কিন্তু সেই হার কতটা বিচ্ছিরি রকমের হবে? এবং সিপিএম-এর হারের সবটা লাভ কি কংগ্রেস পাবে নাকি বিজেপিও লাভের ফসল ঘরে তুলবে? এখন যা ফিড-ব্যাক, তাতে কেরলে এবারে বিজেপি এই প্রথমবার সম্ভবত দুই সংখ্যায় পৌঁছে যাবে, না গেলেও আট থেকে ন’টা আসন তো পাবেই। আর তার পরে আবার যদি এই বাংলার মতই বামের ভোট রামে যায়, তাহলে তো বিজেপির উত্থান নিশ্চিত। কিন্তু সিপিএম নেতৃত্বাধীন এলডিএফ হেরে গেলে গত ছ’দশকে এই প্রথম এমন একটা অবস্থা আসবে, যখন দেশে কোথাও একজনও সিপিএম মুখ্যমন্ত্রী নেই। বামেরা সারা দেশেই অন্তত সংসদীয় রাজনীতিতে তাঁদের গুরুত্ব হারাচ্ছেন, কিছদিন আগে পর্যন্ত যাঁরা টার্ম ডিক্টেট করতেন দিল্লির সরকারের উপরে, আমাদের মনে আছে বুদ্ধবাবুর সেই দাম্ভিক উচ্চারণ, “আমরা উঠতে বললে উঠবে, বসতে বললে বসবে”। হ্যাঁ, যদি কেরলের সরকার হাত থেকে চলে যায় তাহলে সিপিএম, এসইউসিআই হয়ে উঠতে বেশিদিন সময় নেবে না। আর মেইন স্ট্রিম বামেদের প্রতিনিধি হিসেবে সিপিএম-এর হার বামপন্থাকেও প্রশ্নের মুখে ফেলবে বৈকি। কেরলে খুব ধীরে ধীরে কিন্তু অসম্ভব ধৈর্য নিয়ে তাদের সংগঠন বাড়িয়েছে আরএসএস–বিজেপি। দেশের সবথেকে আরএসএস-এর বেশি শাখা কিন্তু কেরলেই। সেই কেরলে বামেরা হেরে গেলে সেখানে বিজেপির উত্থান যে বেশ খানিকটা গতি পাবে, তা নিয়ে কোনও সন্দেহ নেই।
এবারে চলুন তামিলনাড়ুর দিকে। তামিলনাড়ুর ইতিহাস, দ্রাবিড় নাস্তিক মতবাদ, পেরিয়ারের আন্দোলন আর আন্নাদুরাইয়ের ডিএমকে – এই সবটা মিলিয়ে তামিল ভূমিতে বিজেপির সাংস্কৃতিক, ধার্মিক, ভাষাভিত্তিক কোনও কার্ডই কাজে দেয় না। তো ডিএমকে ভেঙে এআইডিএমকে তৈরি হওয়ার পর থেকে বিজেপি কংগ্রেসের মতোই দু’জনের একজনকে সমর্থন করে নিজেদের অস্তিত্ব বজায় রাখার চেষ্টা করেছে, কিন্তু একক শক্তি বাড়াতে পারেনি। আর এই মুহুর্তে দু’ভাগে ভাগ হওয়া এআইডিএমকে-র একভাগকে নিয়ে এগোলে খুব বেশি কিছু হবে না, সেটা বিজেপি জানে। খুব জঙ্গি চেহারা নিয়ে কে আন্নামালাইকে সামনে রেখে নেমেছিল বিজেপি। কিন্তু ডিজাস্টার! কিছুই হয়নি। এবারে এক নতুন খেলোয়াড় মাঠে, বিজয় থলপতি, অভিনেতা, প্রথমে মনে হচ্ছিল তিনি একলাই লড়ছেন, কিন্তু তাঁর সভাকে ঘিরে গোলযোগ স্ট্যাম্পেড ইত্যাদি হওয়ার পরে এখন তাঁর টার্গেট এম কে স্তালিন। হ্যাঁ, এখন দেখার জোট হয় কী না। তাঁর নতুন দল তামিলেগা ভেট্রি কজঘম, টিভিকে আর বিজেপির জোট হলে তারা কি অ্যান্টি-ডিএমকে ভোট ভাঙবেন? মানে এআইডিএমকে আলাদা লড়লে সেটাই হওয়ার কথা, কিন্তু একটা গ্রান্ড-অ্যালায়েন্স হলে ছবি পাল্টে যাবে। গ্রান্ড-অ্যালায়েন্স না হয়ে যদি দুটো জোট ডিএমকে-র বিরুদ্ধে লড়ে তাহলে ডিএমকে-র তৃতীয়বার ক্ষমতায় আসা নিশ্চিত।
এবারে আসুন বাংলাতে। এখানে দিদিমণি লড়াই শুরুই করেন ৩০ মার্কস পকেটে নিয়ে, এটা সবাই জানে আর জানে বলেই বিজেপির এক এবং একমাত্র লক্ষ্য এই সংখ্যালঘু মুসলমান ভোটকে ভাঙা। এই সেদিন শুভেন্দু অধিকারী সংবাদমাধ্যমকেই বললেন যে, মুসলমান ভোট পাবে হুমায়ুন কবীরের নতুন দল আর নওশাদ সিদ্দিকি, আর হিন্দু ভোট পাবে বিজেপি। না, হিসেব তো আর শুভেন্দু বাবুর হাতের মোওয়া নয়, হিসেব হিসেবের মতোই চলে। দিদিমণির হাত থেকে মুসলমান ভোট অন্য কোথাও চলে যাওয়াটা আসলে বিজেপির জেতার সম্ভাবনার উপরে নির্ভর করে। ধরুন ২০১১, তখন বিজেপির জেতার কোনও সম্ভাবনাই ছিল না, মুসলমান ভোট পড়েছিল তৃণমূলে। যদি দেখা যায় বিজেপি জিতবেই না, তাহলে মুসলমান ভোট বামেদের দিকে যেতে পারে, জেএমএম-এর দিকেও যেতে পারে, কংগ্রেসের দিকেও যেতে পারে, কিন্তু যে মূহুর্তে এটা পরিস্কার হয়ে যাবে যে মমতা ছাড়া আর কেউ বিজেপিকে হারাতে পারবে না, সেই মুহুর্তে সংখ্যালঘু ভোট সোজা এসে জমা হবে তৃণমূলের বাক্সে। হ্যাঁ, এটাই তৃণমূলের খেলার আগেই জিতে যাবার অস্ত্র। আর ঠিক তাই অন্য সব কিছুর আগে বিজেপির নির্দেশেই কিছু মাথা নেমে পড়েছে সেই মুসলমান সংখ্যালঘু ভোট ব্যাঙ্ককে ভাগ করতে। একদিকে নওসাদ সিদ্দিকি, অন্যদিকে মুর্শিদাবাদের হুমায়ুন কবীর। কিন্তু তাঁরা কি খুব বিরাট কিছু করতে পারবেন? নওশাদ সিদ্দিকি কি ভাঙড়ের আসনটাও ধরে রাখতে পারবেন? বিভিন্ন আসনে ভোট কাটলেও কত ভোট কাটবেন? একই প্রশ্ন নওশাদ সিদ্দিকিকে নিয়ে, আইএসএফ কত ভোট কাটবে? আবার এইএসআই-আর এর ফলে মতুয়াদের একটা অংশের ভোট বিজেপির দিক থেকে মুখ ফেরালে বিজেপি উত্তর ২৪ পরগনা, নদিয়াতে খুব খারাপ ফল করবে। সব মিলিয়ে বাংলা লাও দুই তৃতীয়াংশ চাই বলে মাঠে নেমেছে বিজেপি, কিন্তু লাও বললেই তো হবে না দেবে কে? না আছে সংগঠন, না দলের নেতাদের মধ্যেকার সমীকরণ, না মানুষের সমর্থন। কাজেই এখনও যা অবস্থা তাতে বাংলা দখল বিজেপির স্বপ্নই থেকে যাবে।
দেখুন আরও খবর:








