Wednesday, February 11, 2026
HomeScrollহুগলির ত্রিবেণী সঙ্গমে পঞ্চমবর্ষে কুম্ভমেলা, শুরু প্রস্তুতি, ভিড় সাধুসন্তদের
Triveni Kumbh Mela

হুগলির ত্রিবেণী সঙ্গমে পঞ্চমবর্ষে কুম্ভমেলা, শুরু প্রস্তুতি, ভিড় সাধুসন্তদের

মাঘ মাসের সংক্রান্তির দিন হবে কুম্ভস্নান, যাকে বলা হয় যুগস্নান

হুগলি- প্রয়াগের (Prayag) জল এসে পৌঁছেছে ত্রিবেণীতে (Triveni) ! মাঘ সংক্রান্তিতে (Magh Sankranti) হবে পূণ্যস্নান (Holy bath), হুগলির (Hoogly)  ত্রিবেণী সঙ্গমে পঞ্চমবর্ষে কুম্ভমেলা (Kumbh Mela) । তার প্রস্তুতি শুরু হয়েছে জোর কদমে। ইতিমধ্যে সাধুসন্তরা আসতে শুরু করেছেন।

পৌরাণিক সময় থেকেই ত্রিবেণীর মাহাত্ম্য রয়েছে। ত্রিবেণী যে ঘাট রয়েছে সেই ঘাটে গেলে দেখা যাবে বেহুলা ওই ঘাট দিয়েই স্বর্গবাসে গিয়েছিলেন এবং তার স্বামীর জীবন ফিরিয়ে এনেছিলেন। এক সময় সারা পৃথিবীতে বাণিজ্য হত। মধ্যযুগে ত্রিবেণীর অনেক স্মৃতিচিহ্ন নষ্ট হয়েছে এই ঘাটকে কেন্দ্র করে।

মকর সংক্রান্তিতে সাধুসন্তরা গঙ্গাসাগর যান সেখানে পূণ্যস্নান করেন আর ত্রিবেণীতে এসে মাঘীস্নান করত। তখনকার দিনে গঙ্গাস্নান থেকে ফিরতে সাধুদের এক মাস সময় লেগে যেত। কারণ রাস্তাঘাটের ভালো ব্যবস্থা ছিল না। তারা ফিরে যে যার আশ্রয়ে  যেতেন। এবছর পঞ্চম বছরে হবে পূণ্যস্নান। ত্রিবেণীকে বলা হয় মুক্ত বেনী আর প্রয়াগকে বলা হয় যুক্ত বেণী। প্রয়াগকে বলা হয় উত্তরের কুম্ভ আর দক্ষিণের কুম্ভ ত্রিবেণী।

১১-১৩ ফেব্রুয়ারি হবে কুম্ভমেলা। দেশের নানা প্রান্ত থেকে সাধু-সন্তরা আসবে। তাদের জন্য আখাড়া তৈরি করা হয়েছে।  ত্রিবেণী শিবপুর মাঠে হবে সাধুনাম। শেষ দিন হবে পূণ্যস্নান।

মাঘ মাসের সংক্রান্তির দিন হবে কুম্ভস্নান। যেটা আমরা বলি অমৃত যুগস্নান। স্নানকে কেন্দ্র করেই উৎসব তার আগে দুদিন ধরে চলে।

১১ তারিখ শিবপুর স্পোর্টিং ক্লাবের মাঠে গীতাযজ্ঞ হবে। ১২ তারিখ রুদ্রাভিষেক যজ্ঞ এবং মহাদেবের সহস্রনাম হবে। পাশাপাশি আরআর ক্যাম্পে সাধুদের আখড়ায় ৫২টি পীঠের কল্পনা করে ধুনী জ্বালাবেন। ১৩ তারিখ স্নান। তার আগে সাধুদের রাজসিক যাত্রা হবে। সেই যাত্রার সমাপ্তি হবে সপ্তর্ষি ঘাটে।

আরও পড়ুন-  এবার ঝাড়গ্রাম, ‘বিকশিত পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির গ্যারান্টি’ Drop Box-কর্মসূচি পদ্মশিবিরের

স্বামী শিবানন্দ মহারাজ বলেন,  আজ থেকে সাধুরা আসতে শুরু করেছে। আগামীকাল থেকে শুরু হবে কার্যক্রম। ১১- ১৩  তিন দিন ধরে হবে কুম্ভ। ১৩ তারিখ হবে পুণ্য স্নান। ঐদিন রয়েছে ভান্ডারা। সাধুরা গোটা ত্রিবেণী নগর পরিক্রমা করবেন তারপর হবে পুণ্যস্থান এরপর হবে ভান্ডারা। বুধবার থেকে শুরু হবে যোগ্য। পশ্চিমবঙ্গে ষোলটা শক্তিপীঠ রয়েছে। সেখানকার মাটি এবং জল আসবে মঙ্গলবার। প্রয়াগ থেকে আনা হয়েছে জল। এই জল মাটি দিয়েই হবে যোগ্য।

ইতিমধ্যেই কুম্ভ মেলার স্থান পরিদর্শন করেছেন হুগলি গ্রামীণ পুলিশ সুপার কামনাশিষ সেন। তিনি বলেন,  কুম্ভ মেলাকে কেন্দ্র করে প্রচুর মানুষের সমাগম হবে। তাই ভিড় নিয়ন্ত্রণ করতে প্রচুর পুলিশ মোতায়েন থাকবে। একশোর বেশি সিসি ক্যামেরা লাগানো হবে। থাকছে নোএন্ট্রি।

Read More

Latest News

toto DEPOBOS https://valebasemetals.com/join-us/ evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast