ওয়েবডেস্ক- বাংলার মানুষের সুবিধার্থের একাধিক জনমুখী প্রকল্পের সূচনা করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee) । বিশেষ রাজ্য সরকার নজর দিয়েছে স্বাস্থ্যখাতে। বাংলার মানুষের জন্য মুখ্যমন্ত্রী শুরু করেন স্বাস্থ্যসাথী (Swasthya sathi ) প্রকল্প। গরিব থেকে শুরু করে রাজ্যের সমস্ত মানুষই এই প্রকল্পের সুবিধা নিতে পারে।
বাংলার মানুষের কাছে এই কার্ড থাকলে আরও সুবিধা মিলবে এবার। স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পের আওতায় হার্নিয়া, হাইড্রোসিল, ফিসারেক্টমি ও আর্থোস্কোপিক অস্ত্রোপচার করা যাবে বেসরকারি হাসপাতালে। এই মর্মে নয়া নির্দেশিকা জারি করেছে স্বাস্থ্য দফতর।
রাজ্যে স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে এতদিন এই চারটি অস্ত্রোপচারে সুযোগ মিলত না বেসরকারি হাসপাতালে ( Private Hospital) তে। কারণ হিসেবে স্বাস্থ্য দফতর যুক্তি দিয়েছিল, সরকারি পরিকাঠামোতে উন্নত সুবিধা রয়েছে। তবে এবার বেসরকারি হাসপাতালেও স্বাস্থ্যসাথী কার্ড ব্যবহার করে এই চার অস্ত্রোপচার করা যাবে।
স্বাস্থ্য দফতর জানিয়েছে, কোনও সরকারি হাসপাতালে যদি হার্নিয়া, হাইড্রোসিল, ফিসারেক্টমির অস্ত্রোপচার করতে সমস্যা থাকে এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসক যদি তা লিখে দেন, তাহলেই বেসরকারিতে হাসপাতালে ওই অস্ত্রোপচারের সুযোগ পাওয়া যাবে। কোনও দুর্ঘটনায় আহত রোগীর আর্থোস্কোপিকের প্রয়োজন হলে, এবার সেটি স্বাস্থ্যসাথী প্রকল্পে বেসরকারি হাসপাতালে করা যাবে।
আরও পড়ুন- শুক্রবার কলকাতা পুরসভার বাজেট! শহরবাসীর প্রত্যাশাপূরণে ‘কল্পতরু’ হবেন মেয়র?
তবে কোল্ড ওটি, বা অস্ত্রোপচারের পরে করা যায়, সেক্ষেত্রে আর্থোস্কোপি বেসরকারিতে করা যাবে না। স্বাস্থ্য দফতরের এক কর্মকর্তার কথায়, সাধারণ মানুষের কথা ভেবেই এই গেটকিপিং ব্যবস্থাতে কিছুটা ছাড় দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য দফতরের সূত্রের খবর, এই অস্ত্রোপচারগুলির তারিখ পেতে রোগীদের অনেক দিন অপেক্ষা করতে হত। আবার অনেক সময় দেখা গেছে, হাসপাতালে এক শ্রেণির চিকিৎসক ইচ্ছাকৃতভাবে বিভিন্ন অজুহাত দেখিয়ে ওই সমস্ত রোগীকে অন্য বেসরকারি হাসপাতালে পাঠিয়ে দিতেন। ফলে আরও দেরি হত। নয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বেসরকারি হাসপাতালের নিজস্ব শল্য চিকিৎসকেরাই শুধু এই অস্ত্রোপচার করতে পারবেন। কিন্তু ওই হাসপাতালের যুক্ত কোনও সরকারি চিকিৎসক তা করতে পারবেন না।







