ওয়েবডেস্ক- ভোটের (Assembly Election 2026) আবহে উত্তপ্ত রাজ্য রাজনীতি। একদিনে এসআইআর (SIR) অপরদিকে নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে রাজ্যের শাসক দলের সংঘাত ক্রমেই বেড়েছে। এর মধ্যেই বাংলাদেশে ভোটে জয়ী হয়েছে বিএনপি (BNP) , পরাজিত জামাত (Jamaat)। এর পরেই ফের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে (Mamata Banerjee) কটাক্ষ করলেন শুভেন্দু অধিকারী (Subhendu Adhikari) । সীমান্ত নিয়ে মুখ্যমন্ত্রীকে বিঁধলেন রাজ্যের বিরোধী দলনেতা। শুভেন্দু বলেন, মমতা সীমান্ত সিল করার জন্য জমি দেবে না। জামাত হেরেছে, এখানে জামাত ২ মানে তৃণমূল হারবে। ভয় এটা, সীমান্ত জামাত জিতেছে। জামাত যা ৯ টি সীমান্ত এলাকায় জিতেছে। এটা হিন্দু কাছে খুব এলারমিং। এটা নজর রাখতে হবে। এটা দেশের পক্ষে বড় বিপদ।
সাংবাদিকরা জানতে চান, দিল্লিতে রাজ্যের মুখ্য সচিবকে ডেকে পাঠানো হয়েছে। শুভেন্দু বলেন, ইলেকশন কমিশনের অধিকার আছে, এদের সাসপেন্ড করা। কেন ডাইরেক্ট অ্যাকশন নিচ্ছে না ইলেকশন কমিশন ? একাধিক ডিএম এই কাজ করছে। আমি বলব, মতামত না দিয়ে ডাইরেক্ট অ্যাকশন করুন। কেন প্যান কার্ড নিচ্ছেন ? ডোমেসাইট সার্টিফিকেট কেন সবার হাতে ঘুরে বেড়াচ্ছে? এগুলো গ্ৰহণযোগ্য নয়। বিএলও’ রা এটা মনে রাখবেন। শুভেন্দু বলেন, বাঙালি হিন্দুরা ভোট দিয়ে জামাতকে আটকে দিয়েছে।
আর মমতা এদিকে কোর্ট কনটেন্ট হবে। এরা ডিএ দেবে না। ১১ হাজার কোটি টাকা দেবার ক্ষমতা নেই। পথশ্রী টাকা থেকে দেওয়া হচ্ছে, এই ৫০০ টাকা দেওয়া হচ্ছে। মহারাষ্ট্রের পুনেতে পরিযায়ী শ্রমিক সুখেন মাহাতো খুনের ঘটনায় আমিন শওকত নামে একজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই বিষয়ে শুভেন্দু বলেন, আমরা দিদি, ভাইপো বক্তব্য চাইছি। চটিচাটা বিভিন্ন সংস্থার বক্তব্য চাইছি। সিপিএমকে চাঁচাছোলা ভাষায় আক্রমণ করেন শুভেন্দু অধিকারী। রাজ্যের বিরোধী দলনেতা বলেন, মহাশূন্যে পথে সিপিআইএম। এবার ও শূন্য কাটবে না। আমাদের দেখে যদি সিপিআইএম শেখে তাই হলে খুব ভালো তো।
আরও পড়ুন- ২৮ ফেব্রুয়ারি চূড়ান্ত তালিকা, বাদ যেতে পারে ১১ লক্ষ ভোটারে নাম!
৫১ কর্ম বিনিয়োগ তালা লাগানো। যুবশ্রী প্রকল্পের মৃত্যু ঘটিয়েছেন তিনি। ১৭ লক্ষ তালিকা কোথায় গেল? এরা শুধু টাটাকে তাড়ায়নি, চাকরির অপমৃত্যু ঘটিয়েছে। অন্তবর্তী বাজেটকে নির্বাচনী লিফলেট পরিণত করেছে। ২৯৪ কেন্দ্রে এই ফর্ম বিতরণ কাজ শুরু হচ্ছে। এটাও অপমৃত্যু ঘটবে। এবারের বাজেটে কোন চাকরির কথা নেই। এখনই ১০ লক্ষের বেশি সরকারি চাকরি পদ খালি আছে। তাহলে এই পদে লোক কেন নেওয়া হচ্ছে না? ১৭ লক্ষ যুবকদের যুব শ্রী ফর্ম কোথায় গেল? শ্বেতপত্র প্রকাশের দাবি করছি।







