Sunday, February 22, 2026
HomeScrollপহেলগাম কেড়েছে স্বামীকে, জোটেনি স্থায়ী চাকরি, কন্যাকে নিয়ে দিশেহারা বেহালার পরিবার

পহেলগাম কেড়েছে স্বামীকে, জোটেনি স্থায়ী চাকরি, কন্যাকে নিয়ে দিশেহারা বেহালার পরিবার

সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য মিলেছে, কিন্তু মেলেনি চাকরি

ওয়েবডস্ক-  ২০২৫ সালের ২২ এপ্রিল, পহেলগাম (Pahalgam) হত্যালীল। দুষ্কৃতীকারী-জঙ্গিদের হাতে বলি ২৬ জন নিরীহ প্রাণ। এর পর ভারত-পাকিস্তানের তর্জন-গর্জন হয়েছে। অপারেশন সিঁদুর হয়েছে, সিন্ধু জলচুক্তি স্থগিত আছে। পহেলগাম কাণ্ডের পর কেটে গিয়েছে ১০ মাস। কিন্তু কী অবস্থা যাদের এই নির্মমভাবে খুন করা হল তাদের পরিবারের? বেহালার (Behala) এই রকমই পরিবার চাকরির আশায় দিন গুনছেন।

সরকারের প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী আর্থিক সাহায্য মিলেছে, কিন্তু মেলেনি চাকরি। সেই চাকরির জন্য হন্যে হয়ে ঘুরতে হচ্ছে নিহত সমীর গুহের (Samir Guha) স্ত্রী শবরী গুহকে (Shabari Guha)। বেহালার পরিবার এখনও দিশাহারা। তাঁদের অবস্থার তেমন কোনও উন্নতি হয়নি এই দশমাসে। শবরীদেবীর কথায়, কেন্দ্রের তরফে এই ঘটনার পর থেকে কোনও খোঁজ নেওয়া হয়নি। সমীয় কেন্দ্রীয় সরকারি চাকরি করতেন।

গত এপ্রিলে পরিবার নিয়ে কাশ্মীরে বেড়াতে গিয়েছিলেন। স্ত্রী এবং নাবালিকা কন্যার চোখের সামনে তাকে গুলি করে জঙ্গিরা। মত্যু হয় সমীর গুহের। দিশেহারা হয়ে পড়ে পরিবারটি। বছর ছয়েক আগে কেনা ফ্ল্যাটের ঋণ পরিশোধ করতে করতেই জীবন শেষ যাচ্ছে শবরীদেবীর। সেইসঙ্গে রয়েছে, কন্যার পড়াশোনার খরচ। স্বামীর অফিস থেকে পেনশনের টাকায় দিন গুজরান হচ্ছে। কিন্তু চাকরি থেকে নিশ্চিত আয় না আসায় সমস্যা তৈরি হচ্ছে। সব সঞ্চয় ফুরিয়ে আসছে।

স্বামীর কলকাতার অফিসেই চাকরির জন্য আবেদন জানিয়েছিলেন শবরী। আসেনি জবাব। কেন্দ্রীয় সরকারের অফিস জানিয়েছে, তার আবেদন দিল্লিতে পাঠানো হয়েছে। আর কিছুই জানায়নি এখনও পর্যন্ত। শবরীরের কথায় ‘এটা তো স্বাভাবিক মৃত্যু ছিল না। যাঁদের সঙ্গে ঘটেছে, একমাত্র তারাই এই অবস্থাটা বুঝতে পারবে। সকলেই প্রায় তাদের ভুলে গেছে। আগে একটা চাকরি ছিল, স্থায়ী রোজগার ছিল। এখন কেবল পেনশনের ক’টা টাকা আছে। তা দিয়েই কোনও মতে চলেছে সংসার। আর্থিক টানাটানির প্রভাব কন্যার কেরিয়ারে পড়তে দিতে চান না তিনি। প্রাণপণে সেই চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁদের কন্যা শুভাঙ্গী গত অক্টোবরে ১৮ বছরে পা রেখেছেন। কলকাতার এক বেসরকারি কলেজে সাইকোলজি নিয়ে স্নাতক স্তরে ভর্তি হয়েছেন। মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে পড়াশোনায় কোনওভাবে খামতি রাখতে চান না তিনি।

আরও পড়ুন-  টোল প্লাজায় চালু হচ্ছে নয়া নিয়ম! না জানলে জরিমানা হতে পারে

পহেলগাম হামলায় পশ্চিমবঙ্গের তিন জন প্রাণ হারিয়েছেন। রাজ্য সরকার প্রত্যেক পরিবারের জন্য ১০ লক্ষ টাকা করে আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করেছিল। সেই টাকা আগেই পেয়েছেন তিনি। কিন্তু দরকার একটি স্থায়ী চাকরি।

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আর্থিক সাহায্য ঘোষণা করার সময়ে বলেছিলেন, কেউ চাকরি চাইলে তাঁকে চাকরি দেওয়া হবে। শবরীদেবী এখনও রাজ্যের কাছে চাকরির জন্য আবেদন করেননি। আবেদন করেছিলেন, নিহত স্বামীর অফিসে। কিন্তু কোনও উত্তর এখনও নেই। ভালো কোনও উত্তর আসবে, চোখের জল আটকে রেখে প্রতীক্ষায় শবরীদেবী।

Read More

Latest News

toto DEPOBOS evos gaming

slot gacor

https://www.demeral.com/it/podcast https://rendez-vous.benin-ambassade.fr/profil-d/ https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 WDBOS DEPOBOS idn slot idn poker 88 situs slot gacor https://www.demeral.com/it/demeral_software/ BWO99 slot 5000 poker