কলকাতা: রাজ্যে পালাবদল ঘটেছে। এবার টলিপাড়ায় (Tollywood Bengali Flim) বদল চাইছে কলাকুশলীদের একাংশ। টলিপাড়ায় প্রশ্ন পড়লেই নানা কোন থেকে একই উত্তর। রাজনৈতিক পালাবদলের পথ ধরে এ বার বদল আসুক ফেডারেশনের নেতৃত্বেও।
এ বার রাজ্য নির্বাচনের ফলে পালাবদলের ঘোষণা হতেই বিশ্বাস ভাইদের বিদায় যে স্বস্তি আনতে পারে, তা নিয়ে অকপট বহু অভিনেতা, পরিচালক, প্রযোজক। পরিচালক সুদেষ্ণা রায়।সুদেষ্ণা বললেন, “সবটাই সময়ের উপরে ছেড়ে দিচ্ছি।” তার পরেই তাঁর সাফ জবাব, “ব্যক্তিগত মতামত জানাতে গিয়ে গত দেড় বছর ধরে কাজ নেই। তাই এ ব্যাপারে কোনও মন্তব্য করব না। ফেডারেশনের কোপে পড়েই কাজ ছিল না পরিচালক-অভিনেতা অয়ন সেনগুপ্তের। বাধ্য হয়ে রাস্তায় খাবারের দোকান দিতে হয়েছে তাঁকে। অয়নের কথায়, “সেটা সময় বলবে। সংগঠনের নির্বাচন সেই সিদ্ধান্ত নেবে। তার থেকেও বড় কথা, সব ক‘টি গিল্ডের সদস্যরা এই বিষয়ে মতামত জানাবেন। তবেই কোনও পদক্ষেপ করা সম্ভব।
আরও পড়ুন: ‘পরিবর্তনের ঢেউ’ টলিউডেও, পিয়ার পদত্যাগের দাবি উঠল
ভোটের ফলপ্রকাশের রেশ কাটতে না কাটতেই ফেসবুক পোস্টে বিজেপিকে ‘গৈরিক অভিনন্দন’ জানিয়ে অভিনেতা কাঞ্চন মল্লিক লিখেছেন যে, এই পরিবর্তন আসলে মানুষের রায় এবং হয়তো অনেক না-পাওয়ার হতাশা ও অভিযোগ থেকেই মানুষ এই পথ বেছে নিয়েছে। তিনি আশা প্রকাশ করেছেন যে, নতুন সরকার সাধারণ মানুষের পাশে থেকে তাঁদের সমস্ত আশা পূরণ করবে। অভিনেতা সুমন বন্দ্যোপাধ্যায় জানালেন, পরিবর্তন এলে তা কাজের পরিবেশে ইতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। তাঁর কথায়, কোনও কাজ আর অযথা আটকে থাকবে না এবং ইন্ডাস্ট্রির ভিতরের মানুষরাই সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাবেন— এমনটাই তিনি আশা করছেন।
সৃজিত বললেন, “ইন্ডাস্ট্রির এমন কেউ এই দায়িত্ব নিন, যিনি কাজের মর্ম বোঝেন। মন থেকে সকলের মঙ্গল চান। তবেই ইন্ডাস্ট্রির মঙ্গল। পরমের আরও বক্তব্য, ‘‘আসলে মানুষের মধ্যে একটা রাগ ছিল। সেই রাগটা থাকা স্বাভাবিক। আসলে তৃণমূলের কিছু নেতামন্ত্রী এই সব জুলুম মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভাল কাজকে ছাপিয়ে গিয়েছে।’’ লগ্নজিতার স্পষ্ট বক্তব্য, “এক জন শিল্পীর কাছে তাঁর সর্ববৃহৎ পরিচয়, তাঁর শিল্প। আমার ক্ষেত্রে সেটা আমার গান। আমি চাই, এই সরকারের আমলে মতপ্রকাশের স্বাধীনতা আরও সুদৃঢ় হোক এবং শিল্পীদের প্রাপ্য সম্মান নিশ্চিত হোক।”রূপাঞ্জনা বলেছেন, “নন্দনে আবার যাতে সবাই শো পান, সেটা চাই। কাজের নির্দিষ্ট সময় থাকুক। নির্দিষ্ট সময়ে পারিশ্রমিক পান শিল্পী এবং কলাকুশলীরা।







