ওয়েব ডেস্ক: মুস্তাফিজুর রহমান বিতর্কে নতুন পদক্ষেপ বাংলাদেশ সরকারের। বাংলাদেশে নিষিদ্ধ আইপিএল সম্প্রচার (Bangladesh Ban on IPL)। অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে IPL-এর সম্প্রচার বন্ধ করার নির্দেশ দিল বাংলাদেশের অন্তবর্তী ইউনুস সরকার। সোমবার এই নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়েছে বাংলাদেশ সরকারের (Bangladesh Government) পক্ষ থেকে। IPL সংক্রান্ত সমস্ত সম্প্রচার, প্রোমোশন এবং এই ইভেন্টের কভারেজ স্থগিত রাখা হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত এটাই জারি থাকবে, এমনটাই জানানো হয়েছে। জনস্বার্থেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে বাংলাদেশ সরকার।
মুস্তাফিজুর রহমান (Mustafizur Rahman) বিতর্কে কড়া পদক্ষেপ বাংলাদেশ সরকারের। ভারতের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে দল না পাঠানোর সিদ্ধান্ত আগেই নিয়েছিল তারা। এ বার অনির্দিষ্টকালের জন্য বাংলাদেশে বন্ধ করা হল আইপিএলের সম্প্রচার। সোমবার সরকারের তরফে বিজ্ঞপ্তি দিয়ে বলা হয়েছে, সেখানে বলা হয়, ‘২০২৬ আইপিএল থেকে মুস্তাফিজুর রহমানকে বাদ দেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ড। এই সিদ্ধান্তের কোনও যৌক্তিক কারণ জানা নেই। কিন্তু মুস্তাফিজুরকে নিয়ে এমন সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের জনতাকে ব্যথিত, মর্মাহত এবং ক্ষুব্ধ করেছে। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত আইপিএল সংক্রান্ত কোনও কিছু সম্প্রচার করা যাবে না। একই সঙ্গে নিষিদ্ধ করা হয়েছে বাংলাদেশে আইপিএলের প্রচারও। জনস্বার্থে এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছে ইউনূস সরকার।
আরও পড়ুন: এবার SIR শুনানিতে ডাক পেলেন মহম্মদ শামি!
বাংলাদেশে সংখ্যালঘু হিন্দুদের উপর ধারাবাহিক অত্যাচারের ঘটনা দু’দেশের সামাজিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করছে কিছু দিন ধরে। এই পরিস্থিতিতে আইপিএলে বাংলাদেশের ক্রিকেটার মুস্তাফিজুরের খেলা নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করে ভারতের একাধিক রাজনৈতিক দল। শাহরুখ খানের কলকাতা নাইট রাইডার্সের উপরও চাপ বাড়তে থাকে। আগামী আইপিএলে বাংলাদেশের একমাত্র ক্রিকেটার হিসাবে মুস্তাফিজুরের খেলার কথা ছিল কেকেআরের হয়ে। ফলে প্রতিবাদীদের একাংশ নিশানা করতে শুরু করেন বলিউড বাদশাকেও। পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হতে শুরু করায় গত শনিবার বাংলাদেশি জোরে বোলারকে আইপিএল থেকে বাদ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। তার পরই দু’দেশের ক্রিকেটীয় সম্পর্ক ঘিরে তৈরি হয় নতুন জটিলতা।মূলত ইউনুস সরকারের চাপে পড়েই বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড চিঠি দিয়েছে আইসিসিকে। ভারতে খেলতে চায় না বাংলাদেশ, এই মর্মে চিঠি লিখেছে বিসিবি। এমনকী ভারতের নিরাপত্তা নিয়েও বাংলাদেশ বোর্ড সন্দেহ প্রকাশ করেছে।







