HomeScrollমেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন তিনজন, কারা জানেন?
The Nobel Prize 2006

মেডিসিনে নোবেল পুরস্কার পাচ্ছেন তিনজন, কারা জানেন?

সোমবার (৫ অক্টোবর) এঁদের নাম ঘোষণা করল ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি

ওয়েব ডেস্ক: এ বছরের ফিজিয়োলজি বা মেডিসিন বিভাগে নোবেল পুরস্কার প্রাপকদের নাম ঘোষণা করা হল। এই বিভাগে এবার নোবেল পাচ্ছেন তিনজন, কার্ল ডেসিয়েরথ, পিটার হেগমান এবং জর্জ নাগেল। সোমবার (৫ অক্টোবর) এঁদের নাম ঘোষণা করল ক্যারোলিনস্কা ইনস্টিটিউটের নোবেল অ্যাসেম্বলি। আলো-নিয়ন্ত্রিত আয়ন চ্যানেল ও অপটোজেনেটিক্স বিষয়ক আবিষ্কারের সুবাদে সম্মানীয় পুরস্কারটি পাচ্ছেন তিনি বিজ্ঞানী।

তাঁদের কাজ অপটোজেনেটিক্সের ভিত্তি স্থাপন করেছিল। এটা এমন একটি পদ্ধতি যা স্নায়ুকোষ নিয়ন্ত্রণে আলো ব্যবহার করে এবং বিজ্ঞানীদের এটা বোঝার সুযোগ করে দিয়েছে যে, মস্তিষ্কের সুনির্দিষ্ট কিছু সার্কিট কীভাবে স্মৃতি, অনুভূতি ও আচরণকে রূপ দেয়।

আরও পড়ুন: ইমরান খানের মুক্তির দাবিতে উত্তাল পাকিস্তান, গ্রেফতার ২০০০

এই যুগান্তকারী অগ্রগতির সূচনা হয়েছিল ‘ক্ল্যামাইডোমোনাস’ নামক এককোষী শৈবালের উপর হেগমান ও নাগেলের গবেষণার মাধ্যমে। তাঁরা এই শৈবালের উপরিভাগে ‘চ্যানেলরোডপসিন’ নামক একটি প্রোটিন আবিষ্কার করেন। নীল আলোর সংস্পর্শে এলে এই প্রোটিনটি একটি পথ বা চ্যানেল খুলে দেয়, যার মধ্য দিয়ে আধানযুক্ত কণা প্রবাহিত হয় এবং একটি বৈদ্যুতিক সংকেত তৈরি করে।

এরপর ডাইসেরথ ইঁদুরের স্নায়ুকোষে চ্যানেলরোডপসিন-এর জিন প্রবেশ করান। এগুলোর ওপর নীল আলো ফেলে তিনি স্নায়বিক সংকেত তৈরি করে দেখান। ২০০৫ সালে তিনি এই যুগান্তকারী আবিষ্কারের কথা প্রকাশ করেন এবং দুই বছর পর দেখান যে, আলো-নিয়ন্ত্রিত এই সুইচটি জীবিত ইঁদুরের মস্তিষ্কেও কাজ করতে সক্ষম।

এই পদ্ধতিটি ‘অপটোজেনেটিক্স’ নামে পরিচিত হয়ে ওঠে। পদ্ধতিটি মস্তিষ্কের গবেষণার ক্ষেত্রে এক পরিবর্তন এনেছে, কারণ এর মাধ্যমে গবেষকরা আলোর সাহায্যে নির্দিষ্ট স্নায়ুকোষকে সক্রিয় করতে পারেন এবং বিশেষ কোনও স্মৃতি, অনুভূতি ও আচরণের ক্ষেত্রে সেগুলোর ভূমিকা খতিয়ে দেখতে পারেন।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News