ওয়েব ডেস্ক: নতুন ‘স্মার্ট চশমা’ (Smart glasses) তৈরি করে গোটা বিশ্বকে চমকে দিয়েছে মেটা (Meta)। এই চশমা হল ‘রে ব্যান মেটা অগমেন্টেড রিয়্যালিটি গ্লাসেস’। আর এটি যেমনি তেমনি চশমা নয়, বরং এই চশমাতে রয়েছে সেন্সর, প্রসেসর ও মাইক্রোফোন। এই অত্যাধুনিক চশমা দেখে, শোনে, বোঝে ও অনুবাদ করতেও সক্ষম। এই চশমা পড়তে দেখা গিয়েছে মার্ক জুকেরবার্গকেও। তবে এই চশমা নিয়ে ভয়াবহ তথ্য সামনে আনল সুইডিশ সংবাদমাধ্যম। এই চশমা নাকি জীবনের গোপন মুহূর্তগুলি ফাঁস করে দিচ্ছে। যা চলে যাচ্ছে ডার্ক ওয়েবে (Dark Web)।
এই চশমা চোখে পড়ে যা করবেন তা আপনাআপনি রেকর্ড হয়ে যাবে। আর সেখানেই নাকি থাবা বসাচ্ছে কেনিয়ার (Kenya) একদল প্রযুক্তিকর্মী। অভিযোগ, ‘সামা’ নামক এক সংস্থার কর্মীরা এই চশমার মেমরিতে থাকা সমস্ত তথ্য হাতিয়ে নিচ্ছে। এমন ক্রিয়াকর্ম সম্প্রতি ফাঁস হয়েছে। সুইডেনের এক সংবাদমাধ্যম দাবি করেছে, যাঁরা এই চশমা ব্যবহার করেছেন, তাঁদের ব্যক্তিগত তথ্য চলে গিয়েছে ডার্ক ওয়েবে। তা নাকি নিজেদের ডিভাইসে চালিয়ে দেখছেন ওই প্রযুক্তিকর্মীরা।
আরও খবর : খামার থেকে জল নিরাপত্তা: ভারত–ইজরায়েল সহযোগিতা কীভাবে নাগরিকদের কাছে পৌঁছায়
শুধু তাই নয়, এই চশমা পড়ে অনলাইনে কেনাকাটা বা ব্যাঙ্কের কোনও কাজকর্ম করলে, তা মেমরিতে রেকর্ড হয়ে যাচ্ছে। এমনকি জরুরি কিছু তথ্য চশমায় (Smart glasses) রেকর্ড হয়ে যাচ্ছে। তা চাইলেই চশমার মেমরি থেকে বার করে নেওয়া যাবে। আর তাই নাকি করছে ওই অভিযুক্ত প্রযুক্তি কর্মীরা। অন্যদিকে, ব্যবহারকারীদের ব্যক্তিগত তথ্য সুরক্ষিত রাখার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল মেটা। কিন্তু, অ্যালগরিদমের বড় ফাঁক গলে তা চুরি করে নিচ্ছে অভিযুক্তরা।
জানা যাচ্ছে, গত বছর ৭০ লক্ষ এই ধরণের চশমা বিক্রি করেছে মেটা। আর সেই ব্যবহারকারীদের বিভিন্ন ব্যক্তিগত তথ্য ও ভিডিও ল্যাপটপ বা কম্পিউটারেই ঘুরপাক খাচ্ছে। হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকেরা জানিয়েছেন, এই চশমার সাহায্যে অনেক কিছু করা যায়। কিন্তু হ্যাক করাও সহজ। ফলে এই চশমা সাবধানে ব্যবহারের কথা বলছেন বিশেষজ্ঞরা।
দেখুন অন্য খবর :







