ওয়েবডেস্ক- একাধিক ইস্যুতে রাজ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়ে বিকাশ ভবন অভিযান (Bikash Bhavan campaign) । ১২ বছরের বঞ্চনা, শোষণ, নিপীড়ন, মধ্যযুগীয় দাসত্বপ্রথা, সরকারি অর্থের অপচয়, স্কিল শিক্ষার অবনমন সহ দুর্নীতিকে চিরতরে বিসর্জনের লক্ষ্যে ভোকেশনালাইজেশন অফ স্কুল এডুকেশনের (CSS-VSE NSQF) এর পলিসি সংশোধনের দাবিকে সামনে রেখে বিকাশ ভবন অভিযান। সমগ্র শিক্ষা বাঁচাও মঞ্চের ডাকে সল্টলেক পিএনবি মোড় থেকে মিছিল করে বিকাশ ভবন অভিযানের ডাক দেওয়া হয়। স্কুল শিক্ষা দফতরের অধীনে কর্মরত CSS-VSE NSQF শিক্ষক-শিক্ষিকাদের (Teacher) দাবি:
১- শোষণমূলক থার্ড পার্টি এজেন্সি ব্যবস্থা বাতিল করে সরাসরি স্কুল শিক্ষা দফতর (Department of School Education) ও WBCHSE-এর মাধ্যমে পরিচালনা। সরকারি টাকা অপচয় করে কার স্বার্থে এজেন্সি প্রথা? ও শিক্ষানীতির লঙ্ঘন করে CSS-VSE NSQF কেনো এখনও স্কুল শিক্ষা দফতরের পরিবর্তে কারিগরী দফতর দ্বারা পরিচালিত করা হচ্ছে?
২- চাকরির নীতি প্রণয়ন ও চাকরির নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ। উচ্চমাধ্যমিক স্তরের Compulsory Elective বিষয়ের শিক্ষক হওয়া সত্ত্বেও কেন স্কিল শিক্ষার স্বার্থে এখনও অন্যান্য রাজ্যের মতো স্থায়ী শিক্ষকের মর্যাদা দেওয়া হচ্ছে না?
৩- বেতন বৃদ্ধি ও মর্যাদাসম্পন্ন বেতন কাঠামো বাস্তবায়ন। (গত 12 বছরে 1 পয়সা বেতন বৃদ্ধি হয়নি)।
আরও পড়ুন- অর্থ সচিব প্রভাত কুমার মিশ্রকে অতিরিক্ত দায়িত্ব দিল নবান্ন
বিকাশ ভবন অভিযানে পার্শ্ব শিক্ষকরা। রাজ্যে বাজেটে তাদের বেতন এক হাজার বেতন বাড়ানোর কথা ঘোষণা করা হয়। কিন্ত সন্তুষ্ট নয় তারা। তাই পর্যাপ্ত বেতন বৃদ্ধির দাবিতে মঙ্গলবার বিকাশভবন অভিযান করেন পাশ্বশিক্ষকরা। সর্বশিক্ষা মিশনের ফাইল কার্যকর করার দাবিতে তাদের এই দিনের কর্মসূচিত। মিছিল করে তাঁরা বিকাশ ভবনের সামনে আসতেই গার্ডরেল দিয়ে তাদের বাধা দেয় পুলিশ। আন্দোলনকারীরা গার্ডরেল টপকে এগোনোর চেষ্টা করেন। পুলিশের সঙ্গে ধস্তাধস্তি শুরু হয় তাদের। মিছিল থেকেই রাজ্য সরকারে বিরুদ্ধে ধিক্কার স্লোগান তোলে তারা। এদের মধ্যে একজন বলে ওঠে, ‘আমাদের অ্যাকাউন্টে টাকা ঢোকেনি, তবুও আমরা এক হাজার টাকা ফেরত দিতে এসেছি।
উল্লেখযোগ্যভাবে, পার্শ্বশিক্ষক, শিক্ষাবন্ধু, স্পেশ্যাল এডুকেটর, এমএসকে ও এসএসকে কর্মীরা দীর্ঘ দিন ধরেই ভাতা বৃদ্ধির দাবিতে রাজ্যের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছিলেন।
রাজ্য বাজেটে চলতি বছরের এপ্রিল মাস থেকে প্যারা শিক্ষক, শিক্ষাবন্ধু, সহায়ক-সহায়িকা ও ব্যবস্থাপনা কর্মীদের মাসিক ভাতা এক হাজার টাকা করে বাড়ানো হয়। সেইসঙ্গে এই সব কর্মীদের মধ্যে কারও ৬০ বছর বয়স পূর্ণ হওয়ার আগে অকালমৃত্যু হলে নিকট আত্মীয়দের জন্য এককালীন পাঁচ লক্ষ টাকা ক্ষতিপূরণ দেওয়ার ব্যবস্থা রাখা হচ্ছে। এই খাতে ২০২৬-২৭ অর্থবর্ষে মোট ১১০ কোটি টাকা বরাদ্দের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।







