কলকাতা: বিধানসভা নির্বাচনের আগে ‘হাই-ভোল্টেজ’ সভায় কলকাতায় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সরকারি এবং রাজনৈতিক কর্মসূচি নিয়ে কলকাতা সফরে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। ইতিমধ্যেই কলকাতা বিমানবন্দরে নামলেন মোদি। রেসকোর্সের হেলিপ্যাড হয়ে গন্তব্য ব্রিগেডে পৌঁচ্ছাবেন তিনি। প্রথমে প্রশাসনিক সভা এবং তার পরে ‘পরিবর্তন সংকল্প সভা’ করবেন মোদি। ব্রিগেডেই সরকারি মঞ্চ থেকে ১৮,৮৬০ কোটি টাকার সরকারি প্রকল্পের শিলান্যাস এবং উদ্বোধন করবেন তিনি। তার পরে সেখানেই পৃথক মঞ্চ থেকে রাজনৈতিক সভা করবেন।৪২০ কিলোমিটারেরও বেশি দৈর্ঘ্যের বেশ কয়েকটি জাতীয় সড়ক প্রকল্পের উদ্বোধন এবং ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করবেন, যার মোট দৈর্ঘ্য প্রায় ১৬,৯৯০ কোটি টাকা।ব্রিগেডে এলেন শুভেন্দু অধিকারী ও সুকান্ত ভট্টাচার্য। আর কিছুক্ষণের মধ্যেই কলকাতায় নামবেন মোদি। দমদম বিমানবন্দরে তাঁকে স্বাগত জানাতে উপস্থিত মুখ্যসচিব নন্দিনি চক্রবর্তী। রেসকোর্সে হেলিপ্যাড নামার পরে সড়কপথে ব্রিগেডের দিকে যাচ্ছেন নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)।
ব্রিগেডে মোদির মেগা শো। ‘পরিবর্তনে’র ডাকে উচ্ছ্বসিত বিজেপি কর্মী-সমর্থকরা। আর আজকের এই মেগা ইভেন্টে একমঞ্চে ডাক পেলেন বঙ্গ বিজেপির প্রাক্তন রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh) এবং রাজ্যের তারকা নেতা মিঠুন চক্রবর্তী (Mithun Chakraborty)। ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজেপির হাইভোল্টেজ সভায় হাজির ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তী। এবার মোদির সভাতেও ডাক পেয়ে ব্রিগেডে হাজির হয়েছেন দিলীপ ঘোষ। তাঁর সঙ্গে একই মঞ্চে দেখা গিয়েছে মিঠুন চক্রবর্তী, অভিজিৎ গঙ্গোপাধ্যায়, তথাগত রায়, সুকান্ত মজুমদারদের। গোলাপি পাঞ্জাবি পরে আজ ফের গেরুয়া মঞ্চে স্বমহিমায় দেখা গেল এই নেতাকে। এই ছবি দেখে অনেকেই ধরে নিচ্ছেন যে বঙ্গ বিজেপির সঙ্গে দিলীপ ঘোষের দূরত্ব খানিক মিটেছে। এদিন ভাষণে তৃণমূলকে বিঁধলেন দিলীপ ঘোষ। ব্রিগেডের মঞ্চে তিনি বলেন, “সময় হয়েছে, এবার চোর, ডাকাতের সরকারকে বিদায় দিতে হবে। পশ্চিমবঙ্গকে বিজেপির হাতে তুলে দিন।
আরও পড়ুন:মোদির ব্রিগেড মঞ্চে দিলীপ ঘোষ! প্রাক্তন রাজ্য সভাপতির সাথে মিটল দলের দূরত্ব?
অন্যদিকে ব্রিগেডে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জনসভার আগেই অশান্তি শহর। গিরিশ পার্কে মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ির সামনে ফ্লেক্স ছেঁড়া থেকে ইট ছুড়ে হামলার অভিযোগ, ভাঙচুরের অভিযোগ উঠল বিজেপি কর্মী, সমর্থকদের বিরুদ্ধে। জানলার কাচ ভেঙে চুরমার হয়ে গিয়েছে।সূত্রের খবর, সেসময় বাড়িতেই ছিলেন মন্ত্রী শশী পাঁজা। তিনিও সামান্য আহত হয়েছেন। পালটা তৃণমূল কর্মীরা জবাব দিলে তাঁদের সঙ্গে সংঘর্ষ শুরু হয়। দু’পক্ষের সংঘর্ষের মাঝে পড়ে আহত হন উত্তর কলকাতার জেলা সভাপতি তমোঘ্ন ঘোষ। পরিস্থিতি সামলাতে ঘটনাস্থলে ছুটে যায় প্রচুর পুলিশ। সংঘর্ষ থামাতে গিয়ে আহত বউবাজার থানার ওসিও।







