Friday, April 3, 2026
HomeBig newsনথি নিয়ে আবার বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, গ্রাহ্য নয় এই দুই নথি
Election Commission

নথি নিয়ে আবার বড় সিদ্ধান্ত কমিশনের, গ্রাহ্য নয় এই দুই নথি

নতুন নির্দেশিকার পর কমিশন ও বিজেপিকে এক সূত্রে বেঁধে তোপ তৃণমূলের

কলকাতা: এসআইআরের (SIR in West Bengal) শুনানি পর্ব গত শনিবার শেষ হয়েছে। যাঁদের শুনানিতে ডাকা হয়েছিল, তাঁদের নথি যাচাইয়ের কাজ চলছে। এর মাঝেই নথি নিয়ে নতুন নির্দেশিকা দিল নির্বাচন কমিশন (Election Commission)। এসআইআরের (SIR in West Bengal) চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশ হবে ২৮ ফেব্রুয়ারি। তার আগে এখন চলছে স্ক্রুটিনি পর্ব। এই প্রক্রিয়ায় কোনও ভোটারের নথিতে অসঙ্গতি থাকলে তা ফেরত পাঠানো হবে জেলা শাসকদের কাছে। কমিশন সূত্রে খবর, জাতীয় নির্বাচন কমিশনের অনুমোদিত ১৩টি নথির বাইরে একটি নথিও গ্রহণযোগ্য নয় বলে ফের জানানো হয়েছে।সরকারি নথি হলেও ‘বাংলার বাড়ি’, ‘ইন্দিরা আবাস যোজনা’, ‘প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস’ যোজনার নথিও গ্রহণ করা হবে না বলে জানানো হয়েছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে, শুনানি শেষ হওয়ার পর এই তথ্য আসায় আদতে সমস্যায় পড়বেন না তো ভোটাররা?নতুন এই নির্দেশিকার পর কমিশন ও বিজেপিকে এক সূত্রে বেঁধে তোপ দেগেছে তৃণমূল।

এসআইআর (SIR) প্রক্রিয়ায় প্রধানমন্ত্রী গ্রামীণ আবাস যোজনা (Pradhan Mantri Gramin Awas Yojana), ইন্দিরা আবাস যোজনা (IAY) বা বাংলার বাড়ি (গ্রামীণ) প্রকল্পের আর্থিক সহায়তার অনুমোদনপত্র গ্রাহ্য নয়। শুনানি শেষের দু’দিন পর চিঠি দিয়ে জানাল জাতীয় নির্বাচন কমিশন। ১৪ ফেব্রুয়ারি শুনানি শেষ হয়ে গিয়েছে। কিন্তু যে বিষয়ে ২১ জানুয়ারি জানতে চাওয়া হয়েছিল, তার উত্তর এল প্রায় এক মাস পরে। ফলে সময় নির্বাচন নিয়েই উঠছে প্রশ্ন। শুনানি মিটে যাওয়ার পর এই ব্যাখ্যার তাৎপর্য কী— তা নিয়েও ধন্দে অনেক আবেদনকারী। এক তৃণমূল নেতার কথায়, বিজেপি-কমিশন এক হয়ে কাজ করেছে এটাই তার প্রমাণ। এই নির্দেশিকার পর তৃণমূলের প্রশ্ন, গত ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ যখন এসব প্রকল্পের নথি গ্রহণযোগ্য কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছিল, তখনই কি কমিশন স্পষ্ট অবস্থান জানাতে পারত না? প্রায় এক মাস ধরে কি নাটক করছিল তারা? এরা কি সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশও মানবে না?’বহু আবেদনকারী এই সকল প্রকল্পের উপভোক্তা হিসেবে পাওয়া কার্ড বা অনুমোদনপত্র জমা দিয়েছেন। এখন তাঁদের ভবিষ্যৎ কী? সেই প্রশ্নও তুলেছে তৃণমূল। কমিশনের জবাব দাবি করে তাদের বক্তব্য, ‘দেশের অন্য রাজ্যে এক নিয়ম আর বাংলার বেলায় অন্য নিয়ম কেন হবে? জবাব দিক কমিশন।’

আরও পড়ুন: দিল্লিতে মানুষকে জল কিনে খেতে হয়, বিজেপিকে নিশানা তৃণমূলের

কমিশনের তরফে বলা হয়েছে, ১৯৯৯ সালের রাজ্যের নির্দেশিকা অনুযায়ী যে, ডোমিসাইল সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে যেখানে জেলাশাসক বা মহকুমা শাসকের সই রয়েছে সেইগুলিই গ্রাহ্য করা হবে। সেই সময় নির্দেশিকা ছিল, ১৫ বছর বা তার বেশি সময় ধরে বাংলায় বসবাসকারী অবাঙালি সেনা বা আধা সেনায় কর্মরতদের সার্টিফিকেট দেওয়া হবে।ফেরতের তালিকায় যে ভোটারদের নাম থাকবে তাঁদের কী ফের ডাকা হবে শুনানিতে? কমিশন সূত্রের খবর, সেই সম্ভাবনা কম। কারণ শুনানি প্রক্রিয়া শেষ। নতুন করে শুনানি করা নিয়ম বিরুদ্ধে হতে পারে। সেক্ষেত্রে ওই ভোটারদের কী হবে? চূড়ান্ত তালিকা থেকে বাদ যেতে পারে সেই ভোটারের নাম। নাম তুলতে কী করণীয়, সেক্ষেত্রে চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশের ৫ দিনের মধ্যে ভোটারকে জেলা শাসকের কাছে আবেদন করতে হবে।

Read More

Latest News

evos gaming

https://www.annabelle-candy.com/about/ JUARA88 situs slot gacor WATITOTO LGO188 DEPOBOS https://www.demeral.com/it/podcast xgo88 WDBOS SLOT GACOR toto togel slot toto togel slot poker slot gacor idn poker 88 slot gacor mix parlay idn slot https://www.annabelle-candy.com/about/ https://www.demeral.com/it/demeral_software/ nobu99 toto slot traveltoto toto slot slot gacor