কলকাতা: এসএসসি নিয়োগ দুর্নীতি মামলায় (SSC Recruitment Case) বড় নির্দেশ সুপ্রিম কোর্টের (Supreme Court)। সাত দিনের মধ্যে চিহ্নিত ‘অযোগ্য’ প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করতে হবে বলে নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। বিচারপতি সঞ্জয় কুমার ও বিচারপতি সতীশ চন্দ্র শর্মার বেঞ্চ বৃহস্পতিবার এই রায় দিয়েছে।
এই রায় ঘিরে নতুন করে তপ্ত হয়েছে রাজ্যের রাজনৈতিক মহল। বিরোধীরা তৃণমূলকে আক্রমণ শানালেও, শাসক দলের মুখপাত্র কুণাল ঘোষ যথেষ্ট সংযত। তিনি বলেন,“এটা সর্বোচ্চ আদালতের নির্দেশ। বিষয়টি প্রশাসনিক। তাই দলের তরফে কোনও মন্তব্য করব না। সুপ্রিম কোর্ট ও সংশ্লিষ্ট বিভাগ বিষয়টি দেখছে। এখন এ নিয়ে আর কিছু বলব না।”
আরও পড়ুন: কৃষ্ণনগর কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য, প্রেমিকের গোটা পরিবার শামিল খুনে
উল্লেখ্য, আদালতের রায়ে বাতিল হয়েছে ২০১৬ সালের এসএসসি প্যানেল। ফলে চাকরি হারিয়েছেন যোগ্য ও অযোগ্য উভয় শ্রেণির প্রার্থীই। দীর্ঘদিন ধরেই অযোগ্যদের নাম প্রকাশের দাবি উঠছিল। এবার আদালতের নির্দেশে সেই তালিকা প্রকাশ্যে আসতে চলেছে। তবে যোগ্য চাকরিহারা শিক্ষকরা পুরোপুরি খুশি নন। তাঁদের দাবি ছিল এবারের নিয়োগ পরীক্ষা পিছিয়ে দেওয়া হোক। কিন্তু সুপ্রিম কোর্ট জানিয়ে দিয়েছে, নির্ধারিত দিন অর্থাৎ ৭ সেপ্টেম্বরেই পরীক্ষা হবে।
অন্যদিকে, এসএসসি নিয়ে মুখ না খুললেও কুণাল ঘোষ এদিন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে কটাক্ষ করেন। বিজেপির ঘোষিত ‘মোদি কাপ’ নিয়ে তাঁর মন্তব্য,
“খেলায় দেশটার সর্বনাশ হচ্ছে, আর প্রধানমন্ত্রীর নামে স্টেডিয়াম বানানো হয়েছে। বাংলায় এসব করে লাভ নেই। এখানে হবে বিবেকানন্দ কাপ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও তাঁর সরকার বাংলার খেলাধুলা ও ক্রীড়াবিদদের যেভাবে পৃষ্ঠপোষকতা করছে, সেখানে ভোটের আগে ফুটবল বিলি করে বিজেপির কিছু হবে না।”
কুণালের দাবি,“এখনই যদি ভোট হয়, তবে আড়াইশোর বেশি আসন পেয়ে মুখ্যমন্ত্রী হবেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মুখ্যমন্ত্রী বদল হবে না। তবে বিধানসভায় এমন পরিবর্তন আসবে যাতে বিজেপি বিরোধী দলনেতার স্বীকৃতির জন্য প্রয়োজনীয় আসনও পাবে না।”
দেখুন আরও খবর: