HomeScrollঅঘোষিত নয় এটা ঘোষিত এমার্জেন্সি, রাষ্ট্রপতি শাসন: মমতা
TMC Releases Manifesto

অঘোষিত নয় এটা ঘোষিত এমার্জেন্সি, রাষ্ট্রপতি শাসন: মমতা

রাষ্ট্রপতি শাসন করে মোদিজিকে ভোট করাতে হচ্ছে? কটাক্ষ মমতার

কলকাতা: গত মঙ্গলবার প্রার্থী তালিকা ঘোষণা করেছে তৃণমূল। রাজ্যে ২৯১টি বিধানসভা আসনের প্রার্থী দিয়েছে তারা। তিনটি আসনে ছেড়ে দিয়েছে অনীত থাপার দলকে। আসন্ন নির্বাচনে তৃণমূলের ইস্তাহারের (TMC Releases Manifesto) নাম ‘প্রতিজ্ঞা’। সূত্রের খবর, সেখানে রাজ্যবাসীর কাছে একগুচ্ছ ‘প্রতিজ্ঞা’ করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। তাই এই নামকরণ। ইতিমধ্যেই লক্ষ্মীর ভান্ডারের ভাতা বৃদ্ধি ও বেকার ভাতার মতো প্রতিশ্রুতি সামনে এসেছে। তবে চূড়ান্ত ইস্তেহারে নতুন কোনও সামাজিক প্রকল্পের ঘোষণা থাকে কি না, সেটাই এখন বড় প্রশ্ন। শুক্রবার ইস্তেহার প্রকাশের আগে বিজেপি ও নির্বাচন কমিশনকে (Election Commission) একযোগে আক্রমণ শানালেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। মমতা আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে বলেন, বিজেপি ক্ষমতায় আসবে না। মানুষ ওদের পছন্দ করে না। দেশটা ধ্বংস করে দিয়েছে। মোদি সরকার যা যা কথা দিয়েছিলেন, একটাও প্রতিশ্রুতি রাখতে পারেনি।

রাজ্যের একের পর এক আইএস-আইপিএস আধিকারিকদের রদবদল নিয়ে কমিশনকে একহাত নিয়ে মমতা বলেন, একের পর এক আধিকারিককে বদলে দিচ্ছে। বাংলাকে কি ভিনরাজ্যের লোক চেনেন? বাংলার সব অফিসারদের তুলে নিয়ে যাচ্ছে, অঘোষিত নয় এটা ঘোষিত এমার্জেন্সি, রাষ্ট্রপতি শাসন! এভাবে মোদিজিকে বাংলায় ভোট করাতে হচ্ছে, এত ভয়। তিনি আরও বলেন, আইনকেই বেলাইন করে দিয়েছে মোদি সরকার। আর নির্বাচন কমিশন বিজেপির তোতাপাখি। সব অফিসারকে বদলে দিয়ে ভিনরাজ্যের লোক আনছে। তাঁরা বাংলায় উৎসব, সংস্কৃতি, সম্প্রীতি, বুথ, সাবডিভিশন কিছু চেনেন না। এর পর কোনও ঘটনা ঘটলে দায়ী থাকবে বিজেপি সরকার।

আরও পড়ুন:রাজ্যের পুলিশকর্তা এবং আমলাকে অপসারণ! কমিশনের এক্তিয়ার নিয়েই প্রশ্ন তুলে হাই কোর্টের দৃষ্টি আকর্ষণ কল্যাণের

মমতা আরও বলেন, আইএএস, আইপিএস যখন দায়িত্ব নেয়, তখন তাঁদের দায়িত্ব থাকে। এক-একটা রাজ্যের ক্যাডার হয়। তাঁরা রজ্যের কাজ করেন। বাংলার অফিসারদের তুলে নিয়ে গেলে এখানকার মানুষদের দেখবে কে? বাংলায় বর্তমানে অঘোষিত রাষ্ট্রপতি শাসন জারি করেছে। লজ্জা! রাষ্ট্রপতি শাসন করে মোদিজিকে ভোট করাতে হচ্ছে? বাংলার মানুষকে এত ভয়। আমরা বলি, ইতিহাসের পুনরাবৃত্তি হয়। ইংরেজদের রাজধানী ছিল কলকাতা। ভয়ে তুলে নিয়ে গিয়েছিল। বুঝেছিল এখানকার মানুষকে দমানো যাবে না। তাঁরা মাথানত করে না। একই কারণে বাংলা ওদের অনেক দিনের টার্গেট। ওরা চায় না বাংলা রাজ্য থাক, ভাষা, অস্মিতা, মেধা থাক। আইআইএম যদি লক্ষ্য করেন, সারা পৃথিবীতে বাংলার ছেলেমেয়েরা ছড়িয়ে রয়েছে। তাই বাংলাকে টার্গেট করছে। ওরা জেলাস।’’

মমতা বলেন, বিচারের জায়গাগুলি কিনে নিয়েছে। হয় জুজুর ভয়ে, নয় লোভ! এই ২টো জিনিস দেশে কাজ করছে। মোদির হাত থেকে দেশ উদ্ধার করা আমাদের প্রায়োরিটি।বাংলার ভোটে লড়ছি, লড়ব। আমি এখনও মনে করি তৃণমূল কর্মীরা গণতন্ত্রে সবসময়, ভোটের সময়ে আমাদের যোদ্ধা। চার মাস বিএলএ-রা কী ভাবে কাজ করেছেন, দেখেছেন, তাঁরা আমাদের সম্পদ। তৃণমূলকে সমর্থন করে জোটবদ্ধ হোন। অন্য দিকে তাকানোর সময় নেই। এই অত্যাচারী মোদীর সরকার, এজেন্সি দিয়ে মানুষকে লুটের সরকার, কৃষক-বিরোধী সরকার, খুব শীঘ্র চলে যাবে। রাখে কৃষ্ণ মারে কে? সব ধর্মের মানুষকে শুভেচ্ছা। গুণ্ডামির বিরুদ্ধে, দাঙ্গাকারীদের বিরুদ্ধে,যা ইচ্ছা করছে, সংবাদিকদের ভয় দেখাচ্ছে এরা। সকালে বলছে, কোনটা বেরবে, কোনটা নয়। মানুষ জিতবে।

[youtube-feed feed=1]
Read More

Latest News